মঙ্গলবার ১৫ অক্টোবর, ২০১৯ ৭:১১ এএম


মাদ্রাসাছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, শিক্ষক গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১০:২৪, ১ অক্টোবর ২০১৯  

 

ব্রা‏‏হ্মণবাড়িয়ায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে। এ ঘটনায় তার এক শিক্ষককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে গতকাল সোমবার শিক্ষক আবুল বাশারকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়। বাশার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার কাইমপুর ইউনিয়নের শ্রীপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার গণিতের শিক্ষক। তিনি কুমিল্লার ব্রা‏হ্মণপাড়া উপজেলার সিদলাই গ্রামের মোসলেহ উদ্দিনের ছেলে।

মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে তার বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন অধ্যাদেশে আবুল বাশারের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন। মামলার বরাতে কসবা থানার পরিদর্শক লোকমান হোসেন বলেন, আবুল বাশার পাঁচ বছর আগে শ্রীপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় গণিত বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। তিনি মাদ্রাসার পাশে একটি বাড়িতে স্ত্রী ও ছেলেমেয়ে নিয়ে বসবাস করেন।

মামলায় বলা হয়, ওই মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বাশারের কাছে গণিত প্রাইভেট পড়ত। তিন মাস আগে ওই শিক্ষকের স্ত্রী মাস খানেকের জন্য বাবার বাড়ি বেড়াতে যান। “এই সময় এই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বাশার। বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য হুমকি দিয়েছিলেন ওই শিক্ষক। ফলে ছাত্রী ভয়ে কাউকে বিষয়টি জানায়নি।”

পরিদর্শক লোকমান বলেন, গত রোববার ওই শিক্ষার্থীর পেটে প্রচণ্ড ব্যাথা হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এ সময় চিকিৎসক আল্ট্রাসনোগ্রাম করে দেখতে পান মেয়েটি তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (আরএমও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, মেয়েটি পেট ব্যাথা নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসে। আল্ট্রাসনোগ্রাম করে দেখা গেছে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন বলেন, গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষক ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন পুলিশের কাছে। এ ঘটনায় ধর্ষিতার বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে আবুল বাশারের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন।

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর