রবিবার ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১:৪৬ এএম

Sonargaon University Dhaka Bangladesh
University of Global Village (UGV)

ভুল প্রশ্ন বিতরণকারীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০:২৭, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ২০:৩৪, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথম দিনে অনেক কেন্দ্র সচিবেরা ভূল করে পুরাতন সিলেবাসের প্রশ্ন বিতরণ করেছে। বিতরণের জন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তাদের বিভাগীয় মামলা হচ্ছে। রবিবার (৩ ফেব্রুয়ারী) এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন।

ভূল প্রশ্ন বিতরণের দায়ে ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে তাদের শাস্তি শুরু হয়েছে।

২ ফেব্রুয়ারি প্রথম এসএসসি পরীক্ষার দিনে নতুন ও পুরনো সিলেবাসের প্রশ্ন বিতরণে তালগোল পাকিয়ে ফেলেন সারাদেশের অন্তত ২০টি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব, কক্ষ পরিদর্শক ও সংশ্লিষ্টরা।

বাংলা ১ম পত্রে পুরনো সিলেবাসের প্রশ্ন নতুন শিক্ষার্থীদের এবং নতুন শিক্ষার্থীদের পুরাতন সিলেবাসের প্রশ্ন বিতরণ করা হয়। এতে অভিবাবক ও শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।


অনেক কেন্দ্রে ভুল বুঝতে পেরে সময় বাড়িয়ে নতুন প্রশ্ন বিলি করে আবার পরীক্ষা নেয়া হয় ওইদিন। আবার শত শত পরীক্ষার্থীকে এ সুযোগ দেয়া হয়নি। ফলে বিপুল সংখ্যক পরীক্ষার্থী কর্তৃপক্ষের এমন ভুলের কারণে কম নম্বর পাবে।

তারা কর্তৃপক্ষের কাছে এর যৌক্তিক সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। এছাড়া কয়েকটি জেলার কয়েকটি কেন্দ্রে প্রশ্নপত্রের ফটোকপি দিয়ে পরীক্ষা নিতে হয়েছে। এছাড়াও ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষার এমসিকিউ অংশের প্রশ্নে লেখা রয়েছে ১০১৯ খ্রিস্টাব্দের সিলেবাস অনুযায়ী।

অনেকে ইমপ্রভমেন্ট পরীক্ষায় দেওয়ায় বর্তমান পরীক্ষার্থীদের সাথে তাদের প্রশ্ন মিল ছিলনা। নতুন পুরনো মিলিয়ে বাংলা প্রথম পত্রের তিন ধরণের পরীক্ষার্থী ছিলো। ২০১৯ খ্রিস্টাব্দের সিলেবাসের পরীক্ষার্থীদের পাশাপাশি এবার পরীক্ষা দিচ্ছে ২০১৬ ও ২০১৮ খ্রিস্টাব্দের সিলেবাসের পরীক্ষার্থীরা। অন্যান্য বারের মত এবারও ফেল করা পুরনো পরীক্ষার্থী আবার পরীক্ষা দিচ্ছে। তাদের এক সিলেবাসে যেসব গল্প-কবিতা আছে, অন্য সিলেবাসে তার বেশ কয়েকটি গল্প-কবিতা বাদ দিয়ে নতুন গল্প-কবিতা অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। ফলে এক সিলেবাসের পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নের সাথে অন্য সিলেবাসের পরীক্ষার্থীদের অনেক প্রশ্নে মিল ছিলো না।

এ বিষয়ে শিক্ষা বোর্ড আগে থেকেই কেন্দ্র সচিবদের সতর্ক করে নির্দেশনা জারি করেছিলো। কিন্তু অনেক পরীক্ষা কেন্দ্রে সেই নির্দেশনা যথযথভাবে অনুসরণ করতে পারেননি পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা শিক্ষকরা। তারা না বুঝে এক সিলেবাসের পরীক্ষার্থীকে অন্য সিলেবাসের প্রশ্ন দিয়েছেন। এর ফলে অনেক পরীক্ষার্থী সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেনি।

এডুকেশন বাংলা/একে

 

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর