বৃহস্পতিবার ২৩ মে, ২০১৯ ২৩:৪৬ পিএম


বৈশাখী ভাতা বিষয়ে ৫০ প্রতিষ্ঠান প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করবে মাউশি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮:৪২, ১৭ এপ্রিল ২০১৮   আপডেট: ১৮:৫৮, ১৮ এপ্রিল ২০১৮

বৈশাখী ভাতা ৫ শতাংশ বার্ষিক প্রবৃদ্ধি এবং অবসর-কল্যান ফান্ডে টাকা বরাদ্দ সংক্রান্ত বিষয়ে ৫০জন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের সাথে বৈঠক করবেন মাউশি মহাপরিচালক মো.মাহাবুবুর রহমান।

একজন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, ইতোমধ্যে বৈঠকে অংশগ্রহণকারীর সম্ভাব্য তালিকা করার কাজ শুরু হয়েছে। তবে বৈঠকের তারিখ এবং সময় এখনো নির্ধারণ হয়নি।

গত ১২এপ্রিল সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে অবসর ও কল্যানের দুই সচিবকে তলব করে বৈশাখী ভাতা এবং অবসর কল্যান বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। এবার অবসর বোর্ড এবং কল্যান ট্রাস্টে প্রায় ৭০ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। এত আবেদন কিভাবে জমা হলো এবং বৈশাখী ভাতার জন্য কত টাকার প্রয়োজন হবে সচিবদের কাছে তাও জানতে চায় সংসদীয় কমিটির সভাপতি ডা. মো. আফছারুল আমিন।

সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা ৫ লাখ ১৬ হাজার ৭৬৩। এই শিক্ষকদের জন্য সরকার এমপিও (মানি পে-অর্ডার) খাতে বছরে খরচ করে ১৩ হাজার কোটি টাকা। প্রতি মাসে এমপিও খাতে ব্যয় হয় ১ হাজার ৮৩ কোটি টাকা। মাসিক বেতনের ২০ শতাংশ হিসেবে শিক্ষক-কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতা দিতে হবে ২১৬ কোটি টাকা। কিন্তু শিক্ষকদের এই টাকা দিতে হচ্ছে না অর্থ মন্ত্রণালয়কে। কারণ, গতবছর কল্যাণ এবং অবসর বোর্ডের অনিষ্পন্ন ৬৮ হাজার শিক্ষকের আবেদন নিষ্পত্তির জন্য কল্যাণ এবং অবসর ভাতার ২ ও ৪ শতাংশ চাঁদা বাড়ানোর গেজেট প্রকাশকে কেন্দ্র করে শিক্ষক নেতারা সরকারকে দেওয়া কথা রাখেননি। এরপর থেকেই বেসরকারি শিক্ষকরা সরকারের কাছ থেকে কোনো সুবিধা পাচ্ছেন না। মূলত বৈশাখী ভাতা বঞ্চিত হওয়ার পেছনে শিক্ষকরাই দায়ী।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন বলেন, বৈশাখী ভাতা ও পাঁচ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট নিয়ে আমরা সবার সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছি। সবাই ইতিবাচক। তবে বাজেটে বরাদ্দ পাওয়ার ওপর এর বাস্তবায়ন নির্ভর করবে। আমাদের দিক থেকে চেষ্টার ত্রুটি নেই। শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে বাজেটের বাইরে তো টাকা দেয়া সম্ভব নয়।

এ নিয়ে স্বাধীনতা শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশনের প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যক্ষ মো. শাহজাহান আলম সাজু এডুকেশন বাংলা`কে বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যারা উৎসব করবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে তারা এই ভাতা থেকে বঞ্চিত। আমলাতান্ত্রিক জটিলতার জন্যই শিক্ষকরা ভাতা থেকে বঞ্চিত বলে তিনি জানান।

 

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর