মঙ্গলবার ১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ৮:১৪ এএম


অতি দ্রুত নিয়োগ পাবে রিটকারী সকলে

মো: রুহুল আমিন হাওলাদার

প্রকাশিত: ০৯:৩১, ২৭ মে ২০১৮   আপডেট: ০৯:৫২, ২৭ মে ২০১৮

অতি দ্রুত নিয়োগ পাবে রিটকারী সকলে। বিভিন্ন সূত্রে তাই জানা যাচ্ছে। কেন (১-১২) তম রিটকারী সবাই নিয়োগ পাবে নিচে তা বিস্তারিত আলোচনা করা হল:

১. প্রায় দুই বছর যাবৎ বেসরকারী স্কুল, কলেজে নিয়োগ বন্ধ। গত ১৪/১২/২০১৭ তারিখে হাইকোর্ট কর্তৃক ১৬৬ টি রিট মামলার রায় হয় এবং ঐ রায়ে কাল বিলম্ব না করে রিটকারীদের আগে নিয়োগ এবং পর্যায়ক্রমে অন্যান্য প্রত্যাশিতদের নিয়োগের নির্দেশনা দেয় হাইকোর্ট।
২. আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তিন মাসের মধ্যে সকল নিবন্ধনধারীদের তালিকা করা সম্ভব নয়। তাই রিটকারীদের তথ্য যেহেতু আদালতে আছে এবং বিবাদীদেরকে প্রতিটি মামলার রুলজারীর সময় বলা হয়েছে এতজনকে কেন নিয়োগ দেওয়া হবেনা? আদালতের এই রুলে বিবাদী যথাযথ কারন উপস্থান করতে পারেনি।

৩. গত বছরের ৩০ শে জুলাইয়ের মধ্যে আদালত সকল নিবন্ধনধারীদের মেধা তালিকা করতে বলেছিল। কিন্তু এনটিআরসিএ তা করতে পারেনি। এমনকি (১-৭) তমদের ডকুমেন্ট তাদের কাছে নেই বলে এনটিআরসিএ স্বীকার করেছে এবং গত ১৪/১২/ ২০১৭ তারিখ রায়ের দিন পর্যন্ত প্রায় ছয় মাসেও তারা (১-৭) দের ডকুমেন্টস আদালতে জমা দিতে পারেনি।

৪. এখন যেহেতু আদালত তিন মাসের সময় সীমা বেঁধে দিয়েছে। সুতরাং সকলের মেধা তালিকা করে নিয়োগের ব্যবস্থা নেওয়া এত অল্প সময়ের মধ্যে এনটিআরসিএ কিভাবে করবে তা প্রশ্ন থেকে যায়।

৫. যদি কোন গোঁজামিল দিয়ে সবার মেধা তালিকা করা হয় তবে তা হাস্যকর ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে। তাছাড়া সবার তালিকা এবং অবস্থান দৃশ্যমান হতে হবে যা অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যাপার।

৬, অনেক নিবন্ধনধারী ইতিপূর্বে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছে, কেউ মারা গেছে, কেউ অন্য ভাল চাকরি করছে তারা এই পেশায় আসবেনা। অতএব, সবার তালিকা করে যথাসময়ে নিয়োগের কাজ শেষ করা যাবেনা। ফলে আদালত অবমাননার শামিল হবে।

৭, ১৩ ও ১৪ তম পরীক্ষা নিয়ে নতুন করে নবাগত সন্তানের জন্ম দিয়েছে এবং তাদের ভবিষৎ নিয়ে এনটিআরসিএ কে চিন্তা করতে হবে।
৮, তাছাড়া আদালত রায়ের কপিতে স্পষ্ট উল্লেখ করেছে (১-১২) তমদের নিয়োগ শেষ না করে নতুন করে নিবন্ধন পরীক্ষা নেওয়া উচিৎ হয়নি।

৮. এখন ১৩ ও ১৪ তোমরা নতুন করে গলার কাঁটা হয়ে দাড়িয়েছে। এই গলার কাঁটা এনটিআরসিএ তথা সরকারকেই ছাড়াতে হবে।

পরিশেষে বলা যায় (১-১২) তম রিটকারীদের নিয়োগ দিয়ে প্রত্যাশিতদেরকে শূন্য পদের চাহিদা অনুযায়ী নিয়োগ দিলেই কেবল তারা সমাধান খুঁজে পাবে।

আর মামলা যেহেতু ডিসপোসড অফ ঘোষণা হয়েছে। সুতরাং রিটকারীদেরকে প্রথম ধাপে নিয়োগ দিয়েই তারা আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে রায় কার্যকর করতে পারবে।

কারন রিটকারীদের চাকরি দেওয়া শেষ হলেই তারা নন রিটকারী বা প্রত্যাশিত যারা আছেন তাদেরকে শূন্য পদসাপেক্ষে নিয়োগের উদ্যোগ নিতে পারবে।

নন রিটকারী সবাই চাকরি পাবে পর্যায়ক্রমে। তবে তা একটু সময় সাপেক্ষ ব্যাপার হবে।

আর এই জন্য শূন্য পদের সংখ্যা যতবেশি হবে তত দ্রুত প্রত্যাশিত আবেদনকারীরা নিয়োগ পাবে। তাই আমি বলব শূন্য পদ খুঁজে বের করার জন্য সবাইকে উদ্যোগ নিতে হবে।

পরিশেষে, সকল নিবন্ধনধারীর কল্যাণ কামনা করছি।

মো: রুহুল আমিন হাওলাদার এর ফেসবুক থেকে নেওয়া
রিটকারী, জেলা প্রতিনিধি, শরীয়তপুর।

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর