সোমবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২:২২ এএম


বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে গেলেন যুবক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯:০৮, ২৪ আগস্ট ২০১৯  

বরিশালের মুলাদী উপজেলায় বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রাইভেট শেষে সহপাঠীদের সঙ্গে বাড়ি ফেরার সময় হাসান ঘরামী ওরফে হাসু নামের এক যুবক তাকে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় ওই ছাত্রীর বান্ধবীরা বাধা দিলে তাদের মারধর করা হয়।

হাসান ঘরামী মুলাদীর বাটামারা ইউনিয়নের চিঠিরচর এলাকার শাহানাজ ঘরামীর ছেলে।

ওই ছাত্রীর বাবা অভিযোগ করে বলেন, ‘বখাটে হাসান ঘরামী ওরফে হাসু কয়েক মাস ধরে আমার মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাবসহ বিভিন্ন কুপ্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে বিয়ের প্রস্তাব দেয় হাসান ঘরামী। কিন্তু মেয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় বিয়েতে রাজি হইনি আমরা। এর জেরে শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রাইভেট শেষে সহপাঠীদের নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় হাসু দুটি মোটরসাইকেলে তার সহযোগীদের নিয়ে আমার মেয়েকে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় মেয়ের বান্ধবীরা বাধা দিলে তাদের মারধর করা হয়। পরে তার বান্ধবীরা আমাকে বিষয়টি জানায়। খবর পেয়ে স্থানীয় চৌকিদার ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে হাসানের অভিভাবকদের জানিয়ে মেয়েকে ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানাই। কিন্তু শনিবার বিকেল পর্যন্ত আমার মেয়েকে ফেরত দেয়নি তারা।’

ওই ছাত্রীর বাবা আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় শনিবার সকালে বাটামারা সেলিমপুর পুলিশ ক্যাম্পে অভিযোগ করলেও ক্যাম্প ইনচার্জ আক্তার হোসেন ঘটনাস্থলে আসেননি। এমনকি আমার মেয়েকে উদ্ধারে কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেননি।’

এ বিষয়ে সেলিমপুর পুলিশ ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আক্তার হোসেন বলেন, ‘ওই ছাত্রীর বাবাকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’

মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল আহসান বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। শুনেছি ওই ছাত্রীর অভিভাবকরা লিখিত অভিযোগ দেবেন। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এডুকেন বাংলা/ একে

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর