রবিবার ০৫ এপ্রিল, ২০২০ ১৪:৪৬ পিএম


বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ইগো ধরে বসে না থাকার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১:০৩, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

সমন্বিত বা কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত বাস্তাবায়নে পিছিয়ে যাওয়া পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ইগো ধরে বসে না থাকার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি। সরকারী সিদ্ধান্তের বিরোধীতাকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে আবারও আলোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে এগিয়ে এসেছে। যে চার পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় এখনো মনে করছেন আলাদা আলাদা পরীক্ষা নেবেন, আমরা তাদের সাথে আবারও আলোচনায় বসবো। শিক্ষার্থীদের বৃহত্তর স্বার্থে আমি বিশ্বাস করি তারা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবেন।

শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে গিয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব বলেন শিক্ষামন্ত্রী।


ডা. দীপু মনি আরও বলেন, আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠিকে নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। সেইসব বাবা-মায়েদের কথা ভাবতে হবে। ভর্তিচ্ছুক ও তাদের অভিভাবকদের ভোগান্তি কমাত সরকারে নেয়া উদ্যোগের বিরোধীতাকারী কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমরা শুধু একটা ইগো নিয়ে বসে থাকবো যে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা আলাদা নেব। তা হবে না। সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা যাতে মানসম্পন্ন হয়, তা নিশ্চিত করতে সবাই মিলে সচেষ্ট হবো।’

সমন্বিত বা কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষায় স্বায়ত্বশাসন খর্ব হয় বলে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় মনে করছে। সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সব কিছুতে স্বায়ত্বশাসনের প্রশ্ন, এখানো স্বায়ত্বশাসনের সাথে সমস্যা কি? এখানো তাদের শাসন ক্ষমতা কেউ ছিনিয়ে নিচ্ছে না। তারা নিজেরাই এক সঙ্গে হয়ে শিক্ষার্থীদের স্বার্থে, অভিভাবকদের স্বার্থে তারা এ কাজটি করবেন। যেন সব শিক্ষার্থী বৈষম্যহীনভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সমান সুযোগ পায় সে অধিকারটি শিক্ষার্থীদের দেবার জন্য কি তাদের দায়িত্ব নেই। আর তাতে যদি স্বায়ত্বশাসন বাধা হয়ে দাড়ায় তাহলে সেটি নিয়েও তাদের ভাবা উচিত।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি আরও বলেন, আমরা সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার বিষয়টি আমরা কেন বলছি? প্রতিবছর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তাদের এত জায়গা যেতে হয়। আর্থিক অবস্থা ভালো না থাকা পরিবারগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হয়। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয় নারী শিক্ষার্থীরা। দূরের বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে আলাদা আলাদা ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হয়না। পুরুষ শিক্ষার্থীরা তাও অনেক সময় এসব পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে। এসব শিক্ষার্থীদের ও তাদের পরিবারের এসব ভোগান্তি কমাতেই সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার বিষয়টি চিন্তা করা হয়েছে।

এডুকেশন বাংলা/এজেড

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর