সোমবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ৬:৩৪ এএম


বাজেটে শিক্ষাখাতে জিডিপির ন্যুনতম ৪% বরাদ্দের দাবি

মো. সাইদুল হাসান সেলিম

প্রকাশিত: ১২:০৩, ২৮ মে ২০১৯  

প্রাকবাজেট আলোচনায় আগামী অর্থবছরে বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা। যা চলতি বাজেটের চেয়ে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারকে মূলভিত্তি ধরে এই বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে। নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষার মানোন্নয়নের অঙ্গীকার ছিল অথচ শিক্ষাকে অগ্রাধীকার দেয়া হয়নি প্রাক- বাজেটে। দেশে স্যাটেলাইট স্থাপন, রাস্তাঘাট, ব্রিজ , ফোর লেন রাস্তা , মেট্রোরেল, পদ্মাসেতু নির্মাণ এগুলো খুবই ভালো উন্নয়ন, এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু নিকট ভবিষ্যতে এগুলোর মূল্যমান হ্রাস পাবে এটা নিশ্চিত। অথচ গুনগত মানের শিক্ষার মূল্যমান কখনো হ্রাস পায় না । আমাদের মনে রাখতে হবে শিক্ষায় বিনিয়োগ সর্বশ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ। শিক্ষা জাতিকে উন্নত এবং মর্যাদাশীল করে। শিক্ষিত জনগোষ্ঠী টেকসই উন্নয়নের মূল ভিত্তি। তাই জাতির বৃহত্তর স্বার্থেই শিক্ষা খাতে জিডিপির নূন্যতম ৪% বিনিয়োগ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতি বছরই বাজেটের আকার বৃদ্ধি পায়, সাথে সাথে শিক্ষা খাতে বরাদ্দের আঁকারও বৃদ্ধি পায়। অথচ জাতি বিনির্মাণের নিপুণ কারিগর বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের জীবন মানের উন্নয়নে আলাদা কোন প্রকল্প বা বরাদ্দ রাখা হয় না। আসন্ন প্রাক্কলিত বাজেটে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন-ভাতার বৈষম্য দূরীকরণে আলাদা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করছি। আমাদের এই বোধ জাগ্রত হোক যে, যাদের দিয়ে বাঁ যাঁরা শিক্ষার মানোন্নয়ন করবেন, সর্বাগ্রে তাদের জীবন মানোন্নয়ন করা জরুরি। সকল শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফিস দেয়া ও উপবৃত্তি প্রদান অবশ্যই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তবে এধরনের প্রকল্পে আর্থের অপচয় হয় এবং দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি করে।
পরিশেষে সর্বজনগ্রাহ্য প্রস্তাব করছি, অবিলম্বে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করুন। এতে শিক্ষা ক্ষেত্রে সকল বৈষম্য দূর হবে এবং গুনগত মানের শিক্ষা নিশ্চিত হবে।


সভাপতি
বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী ফোরাম

এডুকেশন বাংলা/ এজেড

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর