মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৪:০৭ পিএম


ফলের দোকানে ডিজিটাল পোস্ট অফিস

আব্দুর রউফ রিপন, রাণীনগর (নওগাঁ) সংবাদদাতা

প্রকাশিত: ০৯:৫৭, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯  

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত আবাদপুকুর হাটে রয়েছে একটি শাখা পোস্ট অফিস। এই পোস্ট অফিসটির কার্যক্রম চলছিল একটি জরাজীর্ণ মাটির ঘরে। কিন্তু সেই মাটির ঘরটি ভেঙে যাওয়ায় পোস্ট অফিসটি বর্তমানে একটি ফলের দোকানে তার কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। ফলের দোকানে একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে এই কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। আর ভেঙে যাওয়া সেই মাটির ঘরটি এখন এলাকাবাসীর কাছে শুধুই স্মৃতি।


গত প্রায় তিন মাস আগে ঝড়ে এই ঘরটি ভেঙে পড়ে। নতুন যে কোনো গ্রাহককে পোস্ট অফিস খুঁজে পেতেও বেগ পোহাতে হয়। অথচ এই আবাদপুকুর হাট শাখা পোস্ট অফিস হিসেবে প্রতি মাসে পায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা রাজস্ব আয় হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-নজরের অভাবে প্রতিষ্ঠাকাল থেকে মাটির ঘরে কার্যক্রম চলে আসছে।

জানা গেছে, পাকিস্তান সরকারের আমলে রাণীনগর উপজেলার পূর্ব অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত বিশাল জনগোষ্ঠীর ডাক বিভাগের সেবার আওতায় আনার লক্ষ্যে আবাদপুকুর একটি সাব-পোস্ট অফিস স্থাপন করা হয়। উপজেলার কালীগ্রাম, একডালা ইউনিয়ন, বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলার চাপাপুর ইউনিয়নের আংশিকসহ প্রায় ৬০টি গ্রামের বাসিন্দাদের জরুরি ডাক সেবা দিয়ে যাচ্ছে এই অফিসটি। এরই মধ্যেই শাখাটি ডিজিটাল করণের লক্ষ্যে একটি ল্যাপটপ, পিন্টারসহ বিভিন্ন উপকরণ সরবরাহ করা হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে তথ্যপ্রযুক্তির যুগে আধুনিক জিনিসপত্র ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

আবাদপুকুর পোস্ট অফিস মাস্টার এমদাদুল আলম বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পাকা ভবনের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যের সুপারিশসহ ২০১২ সালে জমির কেনার জন্য জেলা প্রশাসকের বরাবর আবেদন করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে আর্থিক বরাদ্দের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি আদেশ দিলে ফাইলটি আমি নিজে ডেপুটি পোস্ট মাস্টার জেনারেল বগুড়া ডিভিশনে জমা দেই। সেখান থেকে পোস্ট মাস্টার জেনারেল উত্তর অঞ্চল রাজশাহীতে প্রেরণ করলে ফাইলটি এখন পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি।

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর