শুক্রবার ১০ এপ্রিল, ২০২০ ৬:৩৩ এএম


বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বেতন-ভর্তি ফি নির্ধারণ প্রয়োজন

ওমর আলী

প্রকাশিত: ০৯:১০, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯   আপডেট: ০৯:১১, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯

রাজধানীসহ সারা দেশে মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুলগুলোতে কয়েক বছর ধরে ভর্তি নিয়ে চলছে নৈরাজ্য। বছরের শুরুতে লাগে একগাদা টাকার ভর্তি ফি, টিউশিন ফি ও সেশন ফি। ক্লাস শুরুর পর দেওয়া হয় বিভিন্ন কোম্পানির গাইড বই, গ্রামার বই আর খাতার লিস্ট। ওষুধ কোম্পানির মতো আজকাল লাইব্রেরিগুলোও নাকি কমিশন দেয়! এরপর পরীক্ষা ফি, ক্লাস টেস্ট, কোচিং, খেলার চাঁদা, মিলাদের চাঁদা, পিকনিক, অনুপস্থিতির জন্য জরিমানা, ক্লাস পার্টিসহ নানা অজুহাতে টাকা নেওয়া হয়। এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ফি সরকারিভাবে নির্ধারণ করা থাকলেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে তা মানা হয় না। ঢাকার স্কুলগুলোতে হাজার হাজার টাকা লাগে ভর্তি করতে। মফস্বলের স্কুলগুলোতেও এখন একই অবস্থা।

এনিয়ে গত ৭ ফেব্রুয়ারি বগুড়া জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি আবদুল মান্নান আকন্দ হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। ভর্তির নীতিমালা লঙ্ঘন করে বগুড়া জেলা শহরের এমপিওভুক্ত স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে দুই হাজার টাকার বেশি আদায় করায় তিনি রিট করেন। গত ২ জুলাই ঐ রিটের শুনানি শেষে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও খায়রুল আলমের বেঞ্চ তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন। অতিরিক্ত ফি আদায় বন্ধে ২৯ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন ভিকারুননিসার এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক। অনুপস্থিতির জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জরিমানার নামে অর্থ আদায়কে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, ঐ রিটে তাও জানতে চান। ভর্তির নীতিমালা লঙ্ঘন নিয়ে উচ্চ আদালতে আশ্রয় নেওয়ার পর অনেকদিন হয়ে গেল। কিন্তু জনগুরুত্বপূর্ণ এই ইস্যুটির কোনো নিষ্পত্তি হয়নি। আগামী জানুয়ারিতেও কি একইভাবে স্কুলগুলোতে ইচ্ছেমতো ভর্তি ফি, টিউশন ফি আদায় করা হবে?

এডুকেশন বাংলা/এজেড

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর