শুক্রবার ১০ এপ্রিল, ২০২০ ৫:৪৯ এএম


প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ:পুরুষ বেশী নির্বাচিত হওয়ার ব্যাখ্যা

আফতাব তাজ

প্রকাশিত: ১২:০৮, ১৬ জানুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১০:২৩, ১৭ জানুয়ারি ২০২০

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৩ অনুযায়ী কোন একটি উপজেলার মোট পদের ৬০% মহিলা, ২০% পোষ্য এবং ২০% পুরুষ কোটা নির্ধারিত থাকে। [বিধি ৭। (১)(ক)]

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রতিটি কোটা আবার ৪ টি বিশেষ শ্রেণীর কোটা ও সাধারণ মেধায় বিভক্ত। [বিধি ৭। (২)]
বিশেষ শ্রেণীর কোটাগুলো হলো
১. এতিমখানা নিবাসী ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ১০%
২. মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ৩০%
৩. উপজাতি/ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ৫% এবং
৪. আনসার ও ভিডিপি সদস্য ১০%।
[সূত্র: তদানীন্তন সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের মেমো নং-সম(বিধি-১)-এস-৮/৯৫(অংশ-১)-৫৬]

অবশিষ্ট ৪৫% পদ ক্ষেত্রমত মহিলা, পোষ্য ও পুরুষ প্রার্থীদের মধ্যে সাধারণ মেধাক্রমে পূরণ করা হয় যাকে সচরাচর মেধা কোটা বলা হয়।

মহিলা, পোষ্য ও পুরুষ তিনটি কোটার অধীনে সরকার নির্ধারিত যেকোন “বিশেষ শ্রেণীর কোটায়” প্রার্থী না থাকলে তা ঐ উপজেলার একটি common pool এ রাখা হয়। প্রতিটি বিশেষ শ্রেণীর কোটার জন্য এ ধরনের অপূরণকৃত পদসমূহ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ০৫ এপ্রিল, ২০১৮ তারিখের ০৫.০০.০০০০.১৭০.১১.০৩৫.১৭-৯৬ স্মারকের সিদ্ধান্ত ও বিবেচ্য শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালার বিধি-৭।(১)(খ) অনুযায়ী পরবর্তীতে মেধাক্রম অনুযায়ী উপজেলা/থানার উত্তীর্ণ সাধারণ প্রার্থীদের মধ্য হতে পূরণ করা হয়।

এবারের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণে দেখা যায় যে, বিভিন্ন বিশেষ শ্রেণীর কোটায় নির্বাচনযোগ্য উপযুক্ত প্রার্থী না থাকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পদ অপূরণকৃত ছিল। সেগুলো যখন মেধার ভিত্তিতে সাধারণ প্রার্থীদের দ্বারা পূরণ করা হয়েছে, সেখানে পুরুষ প্রার্থীদের মধ্য হতে অধিক সংখ্যক প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছে। এই কারণে সর্বমোট পুরুষ প্রার্থী সর্বমোট মহিলা প্রার্থী হতে বেশী নির্বাচিত হয়েছে।

উদাহরণ: ধরা যাক একটি উপজেলায় মোট শূন্য পদের সংখ্যা ১০০ যা মহিলা, পোষ্য ও পুরুষ প্রার্থীদের জন্য নিম্নরূপভাবে বিশেষ শ্রেণীর কোটায় বিভাজিত।

Image may contain: text

এডুকেশন বাংলা/এজেড

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর