শনিবার ৩০ মে, ২০২০ ১৩:২৮ পিএম


প্রাথমিক শিক্ষকদের ব্যাংক ঋণের কিস্তি স্থগিত রাখতে ডিজির চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০:০৭, ২৫ এপ্রিল ২০২০  

কভিড-১৯ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) অধীন কর্মরত সকল শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর ঋণের কিস্তি আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত স্থগিত রাখতে ব্যাংকগুলোকে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার ডিপিই মহাপরিচালক (ডিজি) মো. ফসিউল্লাহ স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঁচটি ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপককে পাঠানো হয়েছে। ব্যাংকগেুলো হলো সোনালী, পূবালী, জনতা, অগ্রণী ও কৃষি ব্যাংক।

চিঠিতে বলা হয়েছে, “নভেল করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) পরিস্থিতিতে সীমিত আয়ের ব্যক্তিদের কষ্ট লাঘবের নিমিত্ত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষক কর্তৃক আপনার ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা থেকে গৃহীত সব ধরনের ঋণের কিস্তি পরিশোধের মেয়াদ আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত স্থগিত রাখার অনুরোধ করা হলো।”

চিঠি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ডিপিই মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ বলেন, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বেতনের বিপরীতে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণের সুযোগ পান। পরে ঋণের কিস্তি বেতন থেকে কর্তন করা হয়। এর মধ্যে অনেকেই স্বল্প বেতনে কাজ করেন। তাই করোনার এই দুঃসময়ে ঋণের কিস্তির টাকা কর্তন করলে অনেকের সংকট আরো বাড়তে পারে। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সম্প্রতি রূপালী ব্যাংক স্ব-উদ্যোগে তাদের ঋণের কিস্তি স্থগিত করার ঘোষণা দেয়। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমরা অন্য ব্যাংকগুলোকেও চিঠি পাঠিয়ে ঋণের কিস্তি স্থগিতের জন্য অনুরোধ জানিয়েছি। বিষয়টি আমলে নিলে এ সংকটের সময়ে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতো নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো উপকৃত হবে।


কারিগরি প্রতিষ্ঠানের জন্য ৫ বছর মেয়াদি (প্রথম বছর গ্রেস পিরিয়ড হিসেবে বিবেচনা করে) ২ শতাংশ সুদে জামানতবিহীন ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়, স্ব-অর্থায়নে পরিচালিত কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরিচালিত বেসরকারি কারিগরি প্রতিষ্ঠানগুলো নানা কারণে অর্থনৈতিক দুর্বলতার শিকার।

এ প্রতিষ্ঠানগুলো বেশিরভাগ ভাড়া বাড়িতে পরিচালিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায়কৃত বেতন দিয়েই প্রতিষ্ঠানের ভবন ভাড়া, সব ইউটিলিটি বিল এবং শিক্ষক এবং কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়। কিন্ত শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা সত্বেও দুর্যোগকালীন সময়ে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিউশন ফিসহ অন্যান্য পাওনা আদায় করে না। এতে করে সব বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আর্থিক মহাসংকটে পড়েছে।

এ ব্যাপারে টেকবিডির সভাপতি প্রকৌশলী আবদুল আজিজ বলেন, সমস্যার কথা উল্লেখ করে আমরা প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন জানিয়েছি। আশা করছি এই সংকটকালে সরকার আমাদেরকে সহযোগিতা করবে।





সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর