বৃহস্পতিবার ১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ১৪:২৬ পিএম


প্রাথমিক: প্রশ্নপত্র প্রণয়নে আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হবে বিদ্যালয়

দিদারুল আলম

প্রকাশিত: ১০:৪৮, ১১ অক্টোবর ২০১৯   আপডেট: ১০:৪৮, ১১ অক্টোবর ২০১৯

আমি মনে করি স্ব স্ব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রশ্নপত্র প্রণয়নের নির্দেশনা প্রদান সম্মানিত শ্রদ্ধেয় সচিব (প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়) মহোদয়ের এটি একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। এটা নিতান্তই একটি ভালো উদ্দ্যোগ। সেজন্য সচিব মহোদয়ের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

যদিও (দুর্গম এলাকা) একটি বিদ্যালয় ১/২/৩ জন শিক্ষক আর শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২০-৫০ জন, সেখানে হয়তো সমস্যা একটু হবেই। তা অবশ্যই সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ সুন্দর ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজেদের দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা বিলিয়ে দিয়ে প্রশ্নপত্র প্রণয়নের কাজ সুন্দরভাবে সেরে নিবেন বলে আমরা আশাকরি।

তবে স্ব স্ব বিদ্যালয়ে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করতে গেলে আগের তুলনায় অধিক অর্থ ব্যয় হবে। কারণ প্রতিটি শ্রেণির প্রতিটি বিষয়ের জন্য (হাতের লেখা) প্রশ্নপত্র তৈরি (একটি বিদ্যালয়ের ১/২ জন শিক্ষক মাত্র) করে বিদ্যালয় থেকে শহরে এসে (বিদ্যালয় থেকে শহরের দূরত্ব প্রায় ৮০-১৫০ কিঃমিঃ বা তদূর্ধ্বও আছে) কম্পিউটার কম্পোজ করে তা আবার ফটোকপি করে বিদ্যালয়ে যাওয়া যা আর্থিকভাবে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হবেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়।
তবে যাঁদের শিক্ষকের সংখ্যা (০৮-৩০ জন বা তদূর্ধ্ব) একটু বেশি আর শিক্ষার্থীর সংখ্যাও (২০০/৩০০/৪০০ বা তদূর্ধ্ব) বেশি এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই ভালো তাঁদের তেমন কোন সমস্যা হবে না বলে আশাকরি।

এমতাবস্থায় প্রশ্নপত্র প্রণয়নের ব্যয় মেটানো এবং সার্বিক অবস্থা বিশেষ বিবেচনা করে নতুনভাবে পরীক্ষার ফি পুনঃনির্ধারণের জন্য মাননীয় সচিব মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন জানাচ্ছি।

স্ব স্ব বিদ্যালয়ে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন এই যুগান্তকারী পদক্ষেপকে সামনের দিকে সুন্দরভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সচিব মহোদয় (পরীক্ষার ফি পুনঃনির্ধারণ) বিষয়টি সদয় বিবেচনা করে সুদৃষ্টিতে দেখার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।

লেখেকের ফেসবুক টাইমলাইন থেকে নেয়া

এডুকেশন বাংলা/এজেড

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর