মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০:৪২ এএম


প্রস্তাবিত শিক্ষা আইন পর্যালোচনা

ড. মাহবুব লিটু ও আরিফুর রহমান

প্রকাশিত: ০৬:১১, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২০  

নীতিনির্ধারকরাও ভুলে গেছেন যে, ‘দ্য বেঙ্গল এডুকেশন কোড-১৯৩১’ শিরোনামে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার একটি আইনি কাঠামো ছিল।

বিস্মৃতির অতল গহ্বরে হারিয়ে গেছে এ কোড। অথচ গভর্নমেন্ট অব বেঙ্গল কর্তৃক প্রণীত ৫৬৭ পৃষ্ঠার ১৪টি অধ্যায়ে বিভক্ত এ কোডটি শিক্ষাব্যবস্থার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ডকুমেন্ট।

কিন্তু অদ্ভুত কারণে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার কোথাও এ শিক্ষা কোডের কোনো রেফারেন্স দেখা যায় না। যাহোক, দীর্ঘ বিতর্ক ও আলোচনার ফসল হিসেবে সম্প্রতি শিক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে পত্রিকায় সংবাদ এসেছে। অবশেষে অবসান হতে যাচ্ছে দীর্ঘ অপেক্ষার।

আমাদের দেশে যেখানে বহু ধারার শিক্ষাব্যবস্থা বিদ্যমান, সেখানে একটি মানসম্মত শিক্ষা আইন প্রণয়ন করা ছিল সময়ের দাবি, যা সর্বশেষ ‘জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০’-এও প্রতিধ্বনিত হয়েছে। সে অনুযায়ী, শিক্ষা আইনের প্রথম খসড়া তৈরি হয়েছিল প্রায় বছর দশেক আগে।

এরপর বারবার নানা সংযোজন-বিয়োজন করতে করতে কেটে গেছে মাঝখানের এতগুলো বছর। সাম্প্রতিককালে অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ের অধীনে কোনো আইন প্রণয়ন করতে এত সময় লাগেনি।

নতুন আইন হতে গেলে আগের আইনের (যদি থাকে) অসঙ্গতি দূর করে অগ্রসর হতে হয়। কিন্তু এখানে বেঙ্গল এডুকেশন কোডের কোনো বিষয়ই নেই।

অপরদিকে নোট-গাইড ও কোচিং ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহলের জোর তদবির ও আন্দোলনে বারবার শিক্ষা আইনের খসড়া কাটাছেঁড়া করা হয়েছে, খসড়া চূড়ান্তকরণ বাধাগ্রস্ত হয়েছে এমন খবর প্রায়ই পত্রিকায় এসেছে।

এতবার কাটাছেঁড়ার ফলে চূড়ান্ত খসড়ায় আসলে কী আছে, কী বাদ দেয়া হয়েছে, কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, তা নিয়ে পুরো জাতি বিভ্রান্তিতে আছে। তবে দীর্ঘকাল পর শিক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্ত করা গেছে-এটিই এখন খুশির সংবাদ।

এখন শিক্ষা আইনটি পাস করানো এবং তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিশৃঙ্খল শিক্ষাব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই হবে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তবে আইনটি পাস করানোর আগে শিক্ষাবিদ ও শিক্ষাসংশ্লিষ্টদের পরামর্শ নিয়ে আইনটিতে কোনো সমস্যা আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা জরুরি।

শিক্ষা আইনের খসড়ায় সরকার নির্ধারণ বা পুনঃনির্ধারণ না করা পর্যন্ত প্রথম থেকে পঞ্চম পর্যন্ত প্রাথমিক, ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মাধ্যমিক এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি উচ্চমাধ্যমিক স্তর হিসেবে বিবেচনার কথা বলা হয়েছে; কিন্তু ‘জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০’-এ বলা আছে, অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত হবে প্রাথমিকের বিস্তার।

ইতোমধ্যে শিক্ষানীতি-২০১০ বাস্তবায়নের জন্য পাইলট প্রোগ্রাম হিসেবে ৫৯৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা চালু করা হয়েছে। শিক্ষানীতিতে তিন স্তরের শিক্ষাব্যবস্থার কথা বলা হলেও শিক্ষা আইনে চারটি স্তর রাখা হয়েছে।

তাই অনেকেই একে জাতীয় শিক্ষানীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে দাবি করছেন। যুগে যুগে বিভিন্ন কমিশন ও শিক্ষানীতিতে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা করার যে সুপারিশ ছিল, সেটির বাস্তবায়নের পথ অনেকটাই রুদ্ধ হয়ে গেছে বলে সমালোচনা করা হচ্ছে। তবে শিক্ষা আইনের নির্দেশনা অনুযায়ী, এটি সাময়িক একটি ব্যবস্থা।

সরকার যে কোনো সময়ে শিক্ষার স্তর নির্ধারণ ও পুনঃনির্ধারণ করতে পারার কথা উল্লেখ আছে। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে যে পরিমাণ অবকাঠামো, শিক্ষক নিয়োগসহ অন্যান্য কার্যাবলি সম্পাদন করতে হবে তা বর্তমান প্রেক্ষাপটে হুট করে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়।

তাই এক্ষেত্রে শিক্ষা আইন জাতীয় শিক্ষানীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক তা বলা যায় না। তবে আইনে এমন নির্দেশনা থাকতে পারত যে, ক্রমান্বয়ে প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হবে। তাতে আইনগত বাধ্যবাধকতাও তৈরি হতো।

শিক্ষা আইনের খসড়া পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এতে বেশ কতগুলো ইতিবাচক উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক পর্যায়ে ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও নৃ-গোষ্ঠীর জন্য পর্যায়ক্রমে মাতৃভাষায় শিক্ষা চালু করার কথা আছে, যা অত্যন্ত ভালো উদ্যোগ।

তবে সব ধরনের প্রতিবন্ধী, অটিস্টিক, কর্মজীবী ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুর শিক্ষার উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা আইনে বলা হয়েছে, তবে এতে কী কী ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, তা সুনির্দিষ্টকরণ করা উচিত।

সব শিশুর জন্য বৈষম্যহীন শিক্ষাক্রম প্রণয়ন, স্থানীয়ভিত্তিক নমনীয় শিক্ষা পঞ্জিকা প্রণয়ন, ঝরে পড়া শিশুদের শিক্ষার দ্বিতীয় সুযোগ প্রদান, শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে কাউন্সেলিং, খেলার মাঠ, জেন্ডার সংবেদনশীল ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শৌচাগার ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আইনে স্থান পেলেও প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিকের শ্রেণিকক্ষে কীভাবে একীভূত শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে, শিক্ষকের ভূমিকা কেমন থাকবে, এমন নির্দেশনাও আইনে থাকা উচিত।

এ আইনে সব সরকারি অনুমতিপ্রাপ্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন ও পরিচালনার জন্য নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিবন্ধন ও পাঠদানে উপর্যুক্ত সব বিধি অনুসরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এমনকি বাংলাদেশি শিক্ষাক্রমে বিদেশে প্রতিষ্ঠান স্থাপনের অনুমতি নেয়ার বিধান রাখা হয়েছে; এগুলো ইতিবাচক।

দুর্নীতি দমনে অনুমতি প্রদানের ক্ষেত্রে যেন যথাযথ যাচাই-বাছাই ও পরিদর্শন করা হয় সেই বিষয়েও নির্দেশনা থাকা উচিত। তাছাড়া দেশে যে অর্ধলক্ষাধিক কিন্ডারগার্টেন আছে, সেগুলোর নিবন্ধন ও পরিচালনা নিয়েও সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা দরকার।

শিক্ষা আইনের একটি ইতিবাচক দিক হল বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি ও এর সভাপতি কার্যপরিধির বাইরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনে হস্তক্ষেপ করায় যদি পাঠদান ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে এমন ক্ষেত্রে কমিটি বাতিল বা চেয়ারম্যানকে অপসারণের বিধান রাখা হয়েছে।

প্রায়ই আমরা দেখি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও কমিটির সদস্যদের বিভিন্ন স্বৈরাচারী কর্মকাণ্ড শিক্ষাকার্যক্রমকে ব্যাহত করছে। এ আইনের ফলে এ ধরনের প্রবণতা হ্রাস পাবে। তবে সেইসঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের জবাবদিহিতার বিধানও অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

শিক্ষা আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল- বাংলা ও ইংলিশ ভার্সনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিদেশি পাঠ্যক্রম অনুযায়ী পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং উচ্চশিক্ষা স্তরে বেতন ও ফি নির্ধারণে সরকারের অনুমতি নেয়ার বিধান।

এ বিধানের ব্যত্যয় হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা আছে। শিক্ষার্থীদের টিউশন ও অন্যান্য ফি আইন, বিধি বা নির্বাহী আদেশ দ্বারা নির্ধারিত হওয়ার কথা বলা আছে। আমরা জানি, বেতন ও ফি নির্ধারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ভয়ানক নৈরাজ্য চালাচ্ছে, যার যেভাবে ইচ্ছা ফি আদায় করছে।

বিভিন্ন ইস্যুতে নিত্যনতুন ফি আরোপ করছে। ফলে অভিভাবকদের নাকানি-চুবানি খেতে হয়। এ সমস্যা সমাধানে আইনটি ভালো ভূমিকা রাখতে পারে। তবে কিন্ডারগার্টেন-কলেজগুলোর ক্ষেত্রেও এ বিধানের কথা উল্লেখ করা উচিত। শিক্ষা আইনে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলির সুযোগ রাখা হয়েছে। এটি ছিল দীর্ঘদিনের দাবি। এ দাবি পূরণ হওয়ায় শিক্ষকরা খুশি। তবে পদোন্নতির ক্ষেত্রে বৈষম্যসৃষ্টিকারী ৫ অনুপাত ২ নীতির পরিবর্তনবিষয়ক নির্দেশনা থাকা দরকার।

যেহেতু সরকার বৈষম্যহীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর, তাই এ নীতির পরিবর্তনটিও ভেবে দেখা যেতে পারে। শিক্ষা আইনে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে; যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেইসঙ্গে শিক্ষক সুরক্ষার বিধানও যুক্ত করা হয়েছে। পরীক্ষায় নকলে সহায়তা ও পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ক্ষেত্রে দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

এমনকি কোনো শিক্ষক নৈতিকতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়ালে তার শিক্ষক নিবন্ধন বাতিল করার বিধান রাখা হয়েছে; যা অত্যন্ত ইতিবাচক। তবে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা এসবে জড়িত হলে কী করা হবে, তাও এ বিধানে নির্দিষ্ট করা হলে ভালো হতো।

শিক্ষা আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, কোনো ধরনের নোট বই বা গাইড বই মুদ্রণ, বাঁধাই, প্রকাশ বা বাজারজাত না করার বিধান। এ বিধান লঙ্ঘন করলে অনূর্ধ্ব তিন বছরের কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডের বিধান রাখা আছে। এমনকি কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নোট ও গাইড বই কেনা বা পাঠে বাধ্য করলে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

সত্য কথা হচ্ছে, নোট বা গাইড নামে কোনো বই-ই বাজারে নেই। মেড ইজি, অনুশীলনমূলক বই ইত্যাদি বিভিন্ন নামে তা চলে। আমাদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়ই এসব বইনির্ভর হয়ে পড়েছে।

ওষুধ কোম্পানির মতো এসব কোম্পানির প্রতিনিধিরা নানা উপঢৌকনসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে ভিড় জমিয়ে শিক্ষকদের লোভী করে তুলছে। অনেক শিক্ষকই ডাক্তারের মতো গাইডের প্রেসক্রিপশন শিক্ষার্থীদের ওপর জোর করে চাপিয়ে দেন। এতে মুখস্থনির্ভর প্রজন্ম তৈরি হচ্ছে।

তাই শিক্ষা আইনের এ বিষয়টি প্রশংসার দাবিদার। তবে শিক্ষা সহায়ক বই, অনুশীলনমূলক বই ইত্যাদি ভিন্ন নামে ভিন্ন আঙ্গিকে যেন নোট ও গাইড বইয়ের প্রচলন না ঘটে, সেজন্য শিক্ষা আইনে স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা উচিত। শিক্ষা আইনে নোট ও গাইডের যে সংজ্ঞায়ন করা হয়েছে তা আরও বিশদভাবে থাকা উচিত।

শিক্ষা আইনের খসড়ায় কোচিং সেন্টারকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। আইনে সন্ধ্যার পর কোচিং সেন্টার পরিচালনা করা যাবে বলা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের জীবন আরও কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে গেল। সারা দিনের যে ব্যাচগুলো পড়ানো হতো এখন সেগুলো রাতে নেয়া হবে। ফলে শিক্ষার্থীদের নিশাচর হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় রইল না। এ কারণে নিরাপত্তাহীনতাও সৃষ্টি হবে।

আইনে বলা আছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা কোচিং সেন্টার পরিচালনা বা সেখানে শিক্ষকতা করলেও তা নিষিদ্ধ গণ্য হবে না। এর মাধ্যমে শিক্ষাবাণিজ্যকে বরং প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া হয়ে গেল। আগে কিছুটা লজ্জা ও বিব্রত হয়ে কোচিং চালালেও এখন তা যে মহীরুহ আকার ধারণ করবে তা অনুমেয়। তবে আইনে বলা হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং সেন্টারে পড়াতে পারবেন না, এমনকি প্রাইভেট টিউশনির মাধ্যমেও নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পড়াতে পারবেন না।

এ বিধানটিও রাখা ঠিক হয়নি। কারণ এক স্কুলের শিক্ষকরা পারস্পরিক যোগসাজশে শিক্ষার্থীদের অন্য স্কুলের শিক্ষকের কাছে বা কোচিং সেন্টারে পাঠাবেন আবার তারাও সেভাবে অন্য স্কুলের শিক্ষার্থীদের পড়াবেন; যা কেবল মাথার ওপর দিয়ে হাত ঘুরিয়ে নেওয়ার সমতুল্য। আইনের মাধ্যমে কোচিংয়ের বৈধতা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার দৈনতাই ফুটিয়ে তুলছে, যা কখনোই কাম্য নয়।

তাই শিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিতকরণের জন্য শিক্ষা আইনের সমস্যাগুলো দ্রুততার সঙ্গে সমাধান করে আইন পাস ও বাস্তবায়নের যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা সময়ের দাবি।

ড. মাহবুব লিটু : সহযোগী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, বিশেষ শিক্ষা বিভাগ, আইইআর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

আরিফুর রহমান : শিক্ষক, আইইআর, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর