শনিবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ৬:৫৬ এএম


প্রসঙ্গ: প্রাথমিক সহকারি শিক্ষকদের গ্রেড পরিবর্তন

আজাদ খান

প্রকাশিত: ১২:৫০, ৩০ জুন ২০১৮  

বর্তমান সরকারের আমলে বিভিন্ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন গ্রেড আপডেট করা হয়েছে। অথচ প্রাথমিক সহকারি শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবি বেতন বৈষম্য দূরীকরণের ক্ষেত্রে শহীদ মিনারে হাজার হাজার শিক্ষক আমরণ অনশন করেও বেতন বৈষম্য নিরসন হয় না। আমার ভাবনায় বাবা যদি তার সন্তানদেরকে দেখাশুনা না করেন ভালো না বাসেন তাহলে তার সন্তানরা বঞ্চিতই থেকে যায়। একজন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার সাথে আলোচনা করে জানতে পারলাম তাদের সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী মহোদয় এবং সচিবদের সাথে সাক্ষাৎ করে তাদের দাবির কথা বলার পরে মন্ত্রী মহোদয় আন্তরিক হয়ে তাদের দাবি মেনে নেয় যা আজ বাস্তবে রুপ নিয়েছে।কিন্তু প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের অভিভাবক মন্ত্রী মহোদয় আমাদের বেতন বৈষম‍্যের কথা বারবার শুনেও শুধুমাত্র আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছেন যা বাস্তবে রূপান্তরিত করার কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।যার ফলে সাধারণ শিক্ষকরা দিন দিন মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছে।

মহাজোটের নেতারা বারবার মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে সাক্ষাৎ করে আলোচনা করার পরও এর কোন সুরাহা হচ্ছে না।এখানে উল্লেখ্য,২০১২ সালে রেজিঃ বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আমরন অনশনরত অবস্থায় তাদের নেতারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাত করেন এবং তাদের কথা মনযোগ সহকারে শোনেন।যারফলে তাদের দাবি মেনে নেয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।

আমরা জানি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রতি খুবই আন্তরিক। কিন্তু তিনি হয়তোবা জানেন না প্রাথমিক শিক্ষকদের সমস্যা কোথায়? তাদের যৌক্তিক দাবি টা কি?এমতাবস্থায় আমি প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক মহাজোটের নেতৃবৃন্দকে অনুরোধ করছি দাবি আদায়ের বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের ব্যবস্থা করুন। প্রধানমন্ত্রী মহোদয়ের সাথে আমাদের বেতন বৈষম্যের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করুন। অবশ্যই তিনি আমাদের কথা মনোযোগ সহকারে শুনে সমস্যা সমাধানে আন্তরিক হবেন।

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর