রবিবার ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১৫:৪৯ পিএম

Sonargaon University Dhaka Bangladesh
University of Global Village (UGV)

প্রশিক্ষণ পাবে ২২ হাজার যুবক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১:১৩, ২৫ জানুয়ারি ২০১৯  

জেলা পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ ও উদ্যোক্তা তৈরির অংশ হিসেবে বাজার চাহিদা বিবেচনায় ২২ হাজার যুবককে ১০ বিষয়ে উন্নতমানের প্রশিক্ষণ দেবে শিল্প মন্ত্রণালয়।

তরুণ উদ্যোক্তাদের আরও অধিক হারে শিল্প ও ব্যবসার বিভিন্ন খাতে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি এবং শিল্প খাতের জন্য দক্ষ জনবল তৈরির জন্য ৪৯ কোটি ৮৯ লাখ টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সংযোগ স্থাপন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ২০২১ সালের মধ্যে প্রশিক্ষণের কাজ শেষের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত প্রকল্পটিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে পরিকল্পনা কমিশন।

তবে প্রকল্পে অফিস ভাড়া, বিদ্যুৎ ও পানির বিল, বিজ্ঞাপন খাতের ব্যয়, ইন্টারনেট খাতের বিলসহ প্রায় সব খাতের অস্বাভাবিক ব্যয় প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়েছে কমিশন। আপত্তির মুখে শেষ পর্যন্ত অঙ্গভিত্তিক ব্যয়সহ প্রকল্পের মোট ব্যয় কমছে। সম্প্রতি পরিকল্পনা কমিশনে অনুষ্ঠিত প্রকল্প প্রস্তাবনার ওপর মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা অতিরিক্ত ব্যয় কমিয়ে নিয়ে আসার বিষয়ে কমিশনের সঙ্গে ঐকমত্যে পৌঁছায় শিল্প মন্ত্রণালয়। ফলে নতুন করে ব্যয় সংশোধন করে প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে কমিশনের কর্মকর্তারা জানান।

প্রকল্প প্রস্তাবে মৌমাছির প্রজনন, খাদ্য ব্যবস্থাপনা, ইলেকট্রিক্যাল ও বাড়িতে বৈদ্যুতিক সংযোগ স্থাপনের কাজ, মেশিনারিজ ও যন্ত্রপাতি মেরামত, এয়ারকন্ডিশনিং ও রেফ্রিজারেটর, নার্সিং, ট্যুর গাইড, হোটেল সার্ভিসিং, ফেব্রিক্স হ্যান্ডলুম, টেক্সটাইলসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঝালকাঠি, বগুড়াসহ ২০ জেলায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজনের করা হবে বলে প্রকল্প প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংশ্নিষ্টরা জানান, প্রকল্প প্রস্তাবে অফিস ভাড়া হিসেবে এক কোটি ৮৮ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। পিইসি সভায় এ ব্যয় কমে ৮০ লাখ টাকা করা হয়েছে। ইন্টারনেট ও ফ্যাক্স বাবদ ব্যয় ২৬ লাখ টাকা থেকে কমিয়ে ১৫ লাখ টাকা করা হয়েছে। বিদ্যুতের বিল বাবদ ব্যয় ধরা হয় ৪৭ লাখ টাকা। কমিশনের আপত্তির কারণে এ ব্যয় নেমে আসে ২০ লাখ টাকায়। কনফারন্সে ও কর্মশালা খাতে ৪৯ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছিল। পিইসি সভার পর এ খাতে ব্যয় অবশ্য বাড়ানো হয়েছে ৬০ লাখ টাকা। প্রদর্শিত বিদেশ ভ্রমণ ও প্রশিক্ষণে তিন কোটি ৫১ লাখ টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত এ ব্যয় এক কোটি টাকা করা হয়েছে। কমিশনের আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে আরও কিছু অপ্রত্যাশিত ব্যয় কমানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিকল্পনা কমিশনের শিল্প ও শক্তি বিভাগের প্রধান শেখ আহাদ আলী জানান, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। কারণ সারাদেশে ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের কাজ চলছে। এসব অর্থনৈতিক অঞ্চলে এক কোটি দক্ষ কর্মীর প্রয়োজন হবে। বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ শ্রমশক্তি তৈরি করা গেলে অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখার সুযোগ তৈরি হবে। তিনি আরও জানান, প্রকল্প প্রস্তাবে বেশ কিছু বিষয়ে অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছিল। তবে পিইসি সভায় বাড়তি ব্যয় কমানোর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে।

এডুকেশন বাংলা/এজেড

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর