সোমবার ১৭ জুন, ২০১৯ ১৪:৫৪ পিএম


প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বাড়ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯:০৪, ১৩ জুন ২০১৯  

নতুন ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির সংখ্যা ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ জনে বাড়ানো হবে। বাড়বে উপবৃত্তির টাকার পরিমাণও।

সেই সঙ্গে সামাজিক সুরক্ষা বাড়াতে অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতাভোগী, দরিদ্র মাতৃত্বকালীন ভাতাভোগী, কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তার আওতায় ভাতাভোগী, বয়স্ক ভাতাভোগী, হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে উপকারভোগী, বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর উপকারভোগী, চা শ্রমিক উন্নয়ন কর্মসূচির উপকারভোগী এবং ক্যান্সার, কিডনি, লিভারসিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও জন্মগত হৃদরোগীদের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির উপকারভোগীর – এসব শ্রেণিভুক্ত ভাতাভোগী ও উপকারভোগীর সংখ্যাও নতুন অর্থবছরে বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।


বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী।

এর আগে প্রস্তাবিত বাজেট মন্ত্রিসভার অনুমোদন হয় এবং পরে ওই প্রস্তাবে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সই করেন।

অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় জানান, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক স্তরে উপবৃত্তির হার ৭০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৫০ টাকা করা করা হবে। মাধ্যমিক স্তরে ৭৫০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ৮৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯০০ টাকা করা হবে।

সব অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধীদের সহায়তার লক্ষ্যে আগামী অর্থবছরে ভাতাভোগীর সংখ্যা ১০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ১৫ লাখ ৪৫ হাজার জন করা হবে।

অর্থমন্ত্রী আরও জানান, বয়স্ক ভাতাভোগীর সংখ্যা ৪০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৪৪ লাখ, বিধবা ও স্বামী পরিত্যাক্তা নারী ভাতাভোগীর সংখ্যা ১৪ লাখ থেকে ১৭ লাখে বৃদ্ধি, সব হিজড়াকে অন্তর্ভুক্ত করে হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির উপকারভোগীর সংখ্যা ৬ হাজার জনে উন্নীত করা, বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর উপকারভোগীর সংখ্যা ৬৪ হাজার থেকে ৮৪ হাজারে বৃদ্ধি, চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির উপকারভোগীর সংখ্যা ৪০ হাজার থেকে ৫০ হাজারে উন্নীত করা হবে।

তিনি আরও জানান, ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও জন্মগতভাবে হৃদরোগে আক্রান্তদের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগীর সংখ্যা ১৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার, দরিদ্র নারীদের জন্য মাতৃত্বকালীন ভাতাভোগীর সংখ্যা ৭ লাখ থেকে ৭ লাখ ৭০ হাজার জনে বৃদ্ধি এবং কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তার আওতায় ভাতাভোগীর সংখ্যা ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে ২ লাখ ৭৫ হাজারে বৃদ্ধি করা হবে।

সামাজিক নিরাপত্ত কর্মসূচির কার্যকারিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সঠিক উপকারভোগী নির্বাচন নিশ্চিত করার ওপর জোর দেয়া হচ্ছে। এ উদ্দেশে সব কর্মসূচির এমআইএস এবং উপকারভোগীর তথ্যভাণ্ডার প্রস্তুত এবং ভাতাভোগীদের কাছে সরাসরি সরকারি কোষাগার থেকে ‘জি টু পি’ পদ্ধতিতে অর্থ পাঠানো হচ্ছে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল।

এডুকেশন বাংলা/একে

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর