মঙ্গলবার ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৬:২৮ পিএম


পুলিশের মারধরে কানের পর্দা ফাটল স্কুলের দপ্তরির

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮:১৯, ৫ আগস্ট ২০১৯  

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মারধরে বিদ্যালয়ের দপ্তরির কানের পর্দা ফাটানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ সোমবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার বরাবর এ অভিযোগ করা হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তি বলছেন, বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। পুলিশ বলছে, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা হলেন, সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জামিরুল ইসলাম। বাম কানের পর্দা ফেটে যাওয়া আহত মো. উবায়দুল্লাহ সদর উপজেলার খাকচাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী কাম দপ্তরি। তিনি চিকিৎসা নিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ৯৮০ মাদরাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির তালিকা চূড়ান্ত

উবায়দুল্লাহ’র দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবার রাত ১০টার দিকে জামিরুল আরো পাঁচ পুলিশ সদস্য নিয়ে খাকচাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যান। উবায়দুল্লাহ এ সময় তার ভাতিজা মো. ইয়াছিনকে নিয়ে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে অবস্থান করছিলেন। দরজা খুলে দিলে পুলিশ সদস্যরা উবায়দুল্লাহকে ইয়াবা কারবারি বলে আখ্যায়িত করে হাতকড়া পরিয়ে দেন। এক পর্যায়ে তাকে বেদম পেটান। চিৎকার শুনে উবায়দুল্লাহ’র বাবা মো. নুরুল ইসলাম এগিয়ে এলে তাকে আটক করে ২৫০০ টাকা নিয়ে ছাড়া হয়। একই সঙ্গে একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয়া হয়। মারধরে উবায়দুল্লাহ’র বাম কানের পর্দা ফেটে যায়। প্রথমে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপতালে ও পরে বেসকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

তবে এস.আই জামিরুল ইসলাম এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আজ সোমবার দুপুরে কথা হলে তিনি বলেন, এ অভিযোগ মিথ্যা। আমি ওই স্কুলে যাইনি। অভিযোগ করা উবায়দুল্লাহকেও আমি চিনি না। কি কারণে অভিযোগ করা হয়েছে তাও জানি না।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মো. আলমগীর হোসেন, প্রথমে আমাদেরকে মৌখিকভাবে বিষয়টি জানানো হয়। আজ এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এডুকেশন বাংলা/একে

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর