বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ৫:২৬ এএম


নুসরাত হত্যা মামলা: বাদী, তদন্ত কর্মকর্তাকে আবার জেরা আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০:৩৭, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১০:৩৮, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান হত্যা মামলার বাদী মাহমুদুল হাসান নোমান ও তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মোহাম্মদ শাহ আলমকে আবার জেরা করতে আসামির আইনজীবী আবেদন করেছেন। এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আজ সোমবার তাঁদের হাজির হতে আদেশ দিয়েছেন।

পিবিআইয়ের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) বনজ কুমার মজুমদারকে এ মামলায় কোর্ট সাক্ষী হিসেবে হাজির করতে আসামির আবেদন খারিজ করে দেন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ।


এদিকে আসামির আইনজীবীদের আবেদনের কারণে সাক্ষী নিশাত সুলতানা ও নাসরিন সুলতানা গতকাল রোববার আদালতে হাজির হন। আসামির আইনজীবী আহসান কবীর বেঙ্গল গতকাল মামলার ২ নম্বর সাক্ষী নিশাত সুলতানাকে জেরা করেন। আইনজীবীর সব প্রশ্নের ‘না’সূচক উত্তর দেন নিশাত। নিশাত সুলতানার জেরা হলেও নাসরিন সুলতানাকে গতকাল জেরা করা হয়নি।

মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় ৯২ জন সাক্ষীর মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. শাহ আলমসহ ৮৭ জনের সাক্ষ্য ও জেরা শেষ হয়েছে। আজ বাদী মাহমুদুল হাসান নোমান (নুসরাতের ভাই) ও তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহ আলমকে আবার জেরা করা হবে। এর আগে মোহাম্মদ শাহ আলমকে আসামির আইনজীবীরা আট কার্যদিবস জেরা করেন।

গত ৬ এপ্রিল সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার প্রশাসনিক ভবনের ছাদে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে দেয় দুর্বৃত্তরা। এরপর দেশলাই দিয়ে আগুন লাগিয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। অগ্নিদগ্ধ নুসরাত ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

নুসরাত হত্যার ঘটনায় ৮ এপ্রিল তাঁর ভাই মাহমুদুল হাসান বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে ১০ এপ্রিল মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) হস্তান্তর করা হয়।

এ মামলায় ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআইয়ের পরিদর্শক মোহাম্মদ শাহ আলম তদন্ত শেষে ১৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পাঁচজনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। অভিযোগপত্রভুক্ত ১৬ আসামির মধ্যে সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১২ জন ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

এডুকেশন বাংলা/এজেড

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর