সোমবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ৬:০৪ এএম


নিয়োগ, কমিটির হাতে ফিরে যাওয়া সম্ভব নয়

রুহুল আমিন

প্রকাশিত: ১০:২০, ২৯ জুন ২০১৮   আপডেট: ১০:২১, ২৯ জুন ২০১৮

মহামান্য হাইকোর্টে (১-১২) নিবন্ধিতদের পক্ষে রায় হওয়ার আগেও নিয়োগ কমিটির হাতে ফিরে নেওয়ার জন্য আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল অনেকে। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি।
এটা এমপিদের মতামত মাত্র। যারা এই মতামতের কারনে বলে বেড়াচ্ছেন যে নিয়োগ কমিটির হাতে ফিরে যাবে তারা এখনো উচ্চ আদালত সম্পর্কে অজ্ঞ।

নিবন্ধিত বন্ধুগন, আপনারা কেউ বিচলিত হবেনা। আমি আগেও বলেছি, এখনো বলি রিটকারী সবাই নিয়োগ পাবে এবং অন্যান্য প্রত্যাশিত আবেদনকারীরাও শূণ্য পদের সাপেক্ষে নিয়োগ পাবে।

কারন রায়ের ৩ নং পয়েন্টে বলা হয়েছে সকলকে নিয়ে একটি জাতীয় মেধা তালিকা করতে হবে। এখানে জাতীয় মেধা তালিকা বলতে কারো নিয়োগের কথা বলেনি।
আর রায়ের ৫নং পয়েন্টে বলা হয়েছে নিয়োগের উদ্দেশ্য সরাসরি এনটিআরসিএ পিটিশনাদের নাম সুপারিশ করবে এবং অন্যান্য আবেদনকারীদের নাম ও সুপারিশের কথা বলা হয়েছে।

তার মানে কি বুঝায়?
যেহেতু পিটিশনাররা আদালতে বিচার চেয়েছে, সুতারাং পিটিশনাদের নিয়োগ দিয়ে শূণ্য পদের সাপেক্ষে অন্যান আবেদনকারোদের নিয়োগ হবে।
যদি একজন পিটিশনার বাদ পড়ে তবে আদালত অবমাননার মামলা খাবে এনটিআরসিএ এবং মন্ত্রনালয়।

অতএব, রিটকারী সবাই নিয়োগ পাবে। তা নাহলে ৫নং পয়েন্টে পিটিশনারদের নাম সরাসরি উল্লেখ করার প্রয়োজন ছিলনা।

আদালত বলতে পারত জাতীয় মেধাতালিকা থেকে সকল সনদধারীদের মধ্য থেকে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হউক।
কিন্তু তা নাবলে ২নং পয়েন্টে জাতীয় মেধা তালিকা করে ৫নং পয়েন্টে রিটকারীদের উপর জোড় দেওয়া হয়েছে।
মেধা তালিকা করা আর নিয়োগের সুপারিশ আকাশ পাতাল ব্যবধান।

অর্থাৎ, সকলের মেধা তালিকা হলেও সুপারিশ যাদের নামে হবে তারাই প্রথম ধাপে নিয়োগ পাবে। তাই সবাই রায়ের কপি ভালকরে বিশ্লেষণ করলে বুঝতে পারবেন নিয়োগের সুপারিশ রিটকারীদের জন্য করতেএনটিআরসিএকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

আর অল্প দিনের মধ্যেই রিটকারীদের নিয়োগের গেজেট প্রকাশ হবে এবং রিটকারী সবাই সরাসরি নিয়োগ পাবে।

আর এনটিআরসিএর এই সুপারিশের ৬০ দিনের মধ্যে যদি কোন প্রতিষ্ঠানের কমিটি নিয়োগ দিতে গড়িমসি করে তবে সেই কমিটি বাতিল বলে গন্য হবে এই মর্মে রায়ে স্পষ্ট উল্লেখ আছে।

সুতরাং নিয়োগ কমিটির হাতে ফিরে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর