শুক্রবার ২৪ মে, ২০১৯ ১৯:০০ পিএম


নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জে বিশ্বসেরা শাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১:০৮, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় মহাকাশ সংস্থা নাসার উদ্যোগে আয়োজিত ‘নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জের বৈশ্বিক পর্যায়ে অংশ নিয়ে প্রথমবারের মত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্বকারী দল হিসেবে এবারই প্রথম মূল ক্যাটাগরিতে শীর্ষ চারে জায়গা করে নেয়ার পর চ্যাম্পিয়ন হল শাবির দল সাস্ট অলিক।

মোট ছয়টি ক্যাটাগরির মধ্যে ‘বেস্ট ইউজ অব ডাটা’ ক্যাটাগরিতে ক্যালেফোর্নিয়া, কুয়ালালামপুর ও জাপানের তিনটি দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে সাস্ট অলিক।

বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্বকারী দল সাস্ট অলিকের সদস্যরা হলেন- শাবির সিএসই বিভাগের সহকারি অধ্যাপক বিশ্বপ্রিয় চক্রবর্তী (মেন্টর), পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৩-১৪ সেশনের শিক্ষার্থী এসএম রাফি আদনান, ভূগোল ও পরিবেশ বিদ্যা বিভাগের ২০১৩-১৪ সেশনের শিক্ষার্থী কাজী মাইনুল ইসলাম, একই বিভাগের ২০১৩-১৪ সেশনের শিক্ষার্থী আবু সাদিক মাহদি ও একই বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থী সাব্বির হাসান।

এ বছর নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জের সেরা প্রকল্প খুঁজে বের করতে বিশ্বের প্রায় দুই শতাধিক শহরে প্রতিযোগিতার আয়োজন করে নাসা।

বাংলাদেশের নয়টি শহর থেকে প্রাথমিকভাবে দুই হাজারের বেশি প্রজেক্ট জমা পড়ে। প্রায় দুই সহস্রাধিক প্রকল্পের মধ্যে মাত্র আটটি প্রকল্প অংশ নেয় নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায়। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ৭৯টি দেশের বাছাইকৃত ২৭২৯টি দলের সঙ্গে লড়াই করে চ্যাম্পিয়ন হয় এই দলটি।

এদিকে এর আগে পিপলস চয়েজ অ্যাওয়ার্ডে শীর্ষ দশে একাধিকবার জায়গা করে নিলেও মূলপ্রতিযোগিতায় এবারই প্রথম বাংলাদেশি দল হিসেবে শীর্ষ চারে স্থান পাওয়ার পর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করলো বাংলাদেশ।

এছাড়া বেস্ট ইউজ অব হার্ডওয়ার ক্যাটাগরিতেও শীর্ষ দশে জায়গা করে নিয়েছে ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের দল ‘প্ল্যানেট কিট’।

সাস্ট অলিকের মেন্টর বিশ্বপ্রিয় চক্রবর্তী জানান, আমাদের প্রকল্পের নাম ছিল ‘লুনার ভিআর’ যা একটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি এ্যাপ। নাসা প্রদত্ত বিভিন্ন ডাটা ব্যবহার করে এই অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে। অ্যাপটির মাধ্যমে নাসা আপোলো ১১ মিশন এর ল্যান্ডিং এরিয়া ভ্রমণ, চাঁদ থেকে সূর্যগ্রহণ দেখা এবং চাঁদকে একটি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ভার্চুয়ালভাবে আবর্তন করা যাবে।

সাস্ট অলিকের কনিষ্ঠ সদস্য সাব্বির হাসান জানান, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি নিয়ে আমরা অনেক স্বপ্ন দেখি। বিশেষ করে শিক্ষা ক্ষেত্রে এইসব অ্যাপস খুব কার্যকর হবে বলে আমি মনে করি।

এরকম অনেক কিছু আছে যা আমরা শুধু বইয়ে পড়ি কিন্তু বাস্তবে দেখতে পাই না। কিন্তু ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে বাস্তব অভিজ্ঞতা নিয়ে অনেক কিছু শেখা সম্ভব। আশাকরি বাংলাদেশের শিক্ষা ক্ষেত্রে ভিআর এর মাধ্যমে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

এই লিংকে গেলে অ্যাপস সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে,

https://2018.spaceappschallenge.org/challenges/universe-beauty-and-wonder/virtual-space-exploration/teams/olik/project

এডুকেশন বাংলা/এজেড

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর