শুক্রবার ১৯ জুলাই, ২০১৯ ১৮:২০ পিএম


নতুন সংস্কৃতি: শিক্ষকের গায়ে কেরোসিন দিয়ে হত্যাচেষ্টা

আবদুল মান্নান

প্রকাশিত: ০৯:৫৩, ৬ জুলাই ২০১৯  

১৯৯২ সালে বাংলাদেশে বেসরকারি পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা শুরু হলে ওই সময় প্রতিষ্ঠাতারা বেশ কিছু উন্নতমানের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন, যাদের স্নাতকরা যেকোনও পেশায় ভালো করেন। প্রথমদিকের ও পরবর্তীকালে বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেগুলোর উদ্দেশ্য মহৎ ছিল। উদ্দেশ্য ছিল অর্থ উপার্জন নয়, শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখা। এরপর শুরু হলো যেখানে-সেখানে মুদি দোকানের মতো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের হিড়িক, সেগুলোর একমাত্র উদ্দেশ্য শিক্ষাদান নয়, সার্টিফিকেট বাণিজ্য করা। অনেকে প্রশ্ন করেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন তাদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেয় না? উত্তর হচ্ছে ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু যখন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন স্থাপন করেছিলেন, তখন দেশের মানুষের চরিত্র এত স্খলন হয়নি, আর প্রতিষ্ঠানটির স্বায়ত্তশাসন করা হয়েছিল নিরঙ্কুশ। এই সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণরূপে শিক্ষাবিদদের ওপর তিনি ছেড়ে দিয়েছিলেন। কোনও আমলা বা অর্ধশিক্ষিত ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ওপর নয়।

যুগের সঙ্গে সবকিছু পাল্টে গেছে। যখন মঞ্জুরি কমিশন স্থাপিত হয় তখন দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ছিল ছয়টি, সবক’টিই সরকারি। বর্তমানে দেশে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৪৯টি আর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ১০২টি। ১৯৭৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পড়ুয়ার সংখ্যা ছিল (কলেজসহ) আনুমানিক ৩৫ হাজার। বর্তমানে তা দাঁড়িয়েছে ৪০ লাখে। তখন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের আলাদা একটা মর্যাদা ছিল, সম্মান ছিল। এখনও সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সেই সংস্কৃতিটা কিছুটা হলেও ধরে রেখেছে। বেশ কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ও মঞ্জুরি কমিশনকে সম্মান করে। আইন-কানুন মেনে চলার চেষ্টা করে। কিন্তু তা সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। যারা আইন-কানুনের তোয়াক্কা করে না তাদের সংখ্যা বেশি। যারা করে না তারা বেশ ক্ষমতাবান। আইনের কথা বললে মনে করিয়ে দেয় আমাদের হাতও অনেক লম্বা। দুটি ঘটনার কথা বলি। একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের একজন চেয়ারম্যান কমিশন অফিসে এসে স্বয়ং চেয়ারম্যানকে হুমকি দিয়ে গেলো। বেশি বাড়াবাড়ি করলে ধানমন্ডিতে লাশ পড়বে। চেয়ারম্যানের অপরাধ, তিনি অনুরোধ করেছিলেন যান্ত্রিক প্রকৌশল বিভাগ খোলার আগে তিনি যেন প্রয়োজনীয় ল্যাবের ব্যবস্থা করেন। তার এককথা, আগে অনুমোদন দেন, পরে ল্যাব হবে। আর একজন তার বিশ্ববিদ্যালয়ে সাতটি কোর্স চালু রেখেছিলেন কোনও অনুমোদন ছাড়াই। কোনও উপাচার্য নেই। তাকে অনুরোধ করা হলো তিনি যেন বিষয়গুলো আইনানুগ করে নেন। নাহ! যেভাবে চলছে সেভাবে চলবে। যাওয়ার সময় বলে গেলেন, ‘আপনি কিছুই করতে পারবেন না। কারণ, আমার ক্ষমতা আপনার বা কমিশনের চেয়েও বেশি।’ প্রমাণ করলেন তিনি ঠিক বলেছিলেন, কারণ তিনি আদালতের রায় নিয়ে ওই কোর্সগুলো এখনও চালু রেখেছেন এবং ২০১০ সালের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনে বর্ণিত নির্ধারিত যোগ্যতা ছাড়া তার পছন্দসই একজনকে আদালতের মাধ্যমে উপাচার্য নিয়োগ করিয়ে নিয়েছেন। এই ব্যক্তি এখন প্রতিদিন প্রধানমন্ত্রীসহ জাতিকে হেদায়েত করেন। পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যানকে গালাগাল করেন।

বঙ্গবন্ধুর করা ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের আইনকে যুগোপযোগী করে তুলে কমিশনকে উচ্চশিক্ষা কমিশনে রূপ দেওয়ার জন্য দেশের শিক্ষাবিদদের দাবি অনেক দিনের। এমন ব্যবস্থা এই অঞ্চলের সব দেশেই আছে। এমনকি আফগানিস্তানের মতো একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশেও উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয় আছে। মন্ত্রিপরিষদের সভায় বিষয়টি গেলে মন্ত্রিপরিষদ সিদ্ধান্ত দিলো বঙ্গবন্ধুর করা আইনের মূল চিন্তাচেতনাকে অটুট রেখে কমিশনকে উচ্চশিক্ষা কমিশনে রূপান্তরের খসড়া আইন প্রস্তুত করা হোক। প্রধানমন্ত্রী নিজেও একাধিকবার এই নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু যাদের ওপর এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তারা এমন একটা খসড়া প্রস্তুত করলেন, যা ১৯৭৩ সালের আইনের ধারেকাছেও নেই। খসড়াটি পড়লে মনে হবে, এটি একটি আমলা পুনর্বাসন কেন্দ্র আর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি অধিদফতর। কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যানের প্রচেষ্টায় গত সরকারের মেয়াদকালে তা আর সংসদে উপস্থাপিত হয়নি। এখন সেই চেয়ারম্যান আর দায়িত্বে নেই। কোনও কোনও মহল পারলে বঙ্গবন্ধুর প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন এখনই বিলুপ্ত করে তার সব কার্যক্রম মন্ত্রণালয়ে নিয়ে আসে।

আসি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া চট্টগ্রাম ইউএসটিসি’র এক শিক্ষকের গায়ে কেরোসিন ঢেলে দেওয়ার মতো নজিরবিহীন ঘটনার কথায়। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জাতীয় অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলাম । তিনি আবার বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত চিকিৎসকও ছিলেন। জোর দিয়ে বলতে পারি চট্টগ্রামে দু’টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে ব্যক্তিগতভাবে আমার যথেষ্ট অবদান ছিল, তবে এই দু’টির কোনোটির সঙ্গে বর্তমানে আমার কোনও সম্পর্ক নেই। একটির গ্রন্থাগারও শুরু হয়েছিল আমার দেওয়া বই দিয়ে। সম্ভবত ১৯৮৮ সালে ডা. নুরুল ইসলাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য। তার শ্যালক প্রফেসর মোহাম্মদ আলি উপাচার্য। ডা. ইসলাম আমাকে অনুরোধ করলেন, আমি যেন প্রস্তাব করি ডা. ইসলাম চট্টগ্রামে ‘ইনস্টিটিউট অব অ্যাপলাইড হেলথ সাইন্স’ নামে একটি ইনস্টিটিউট স্থাপন করেন। বিষয়টি আমার জানা না থাকলেও যেহেতু এটি ডা. নুরুল ইসলামের প্রস্তাব আমার মাধ্যমে উপস্থাপিত হয়েছে, সেহেতু আমার প্রস্তাবটি অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে গৃহীত হয়। বিএনপি’র প্রথম আমলে অনেকটা বিনা পয়সায় তিনি এই ইনস্টিটিউট স্থাপনের জন্য রেল হতে বেশ বড় পরিমাণের জমি বরাদ্দ পান। চট্টগ্রামের অনেকে তাকে জমি আর অর্থ দিয়ে সহায়তা করেন। পরে তিনি তার ইনস্টিটিউটকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করেন এবং তাতেও আমি যথেষ্ট সহায়তা করি। বললেন, বিজনেস স্কুল খুলবেন। সাহায্য চাইলে সাধ্যমতো সহায়তা করি। দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফ (পরবর্তীকালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য) ও আমার আরেক ছাত্র প্রফেসর সৈয়দ আহসানুল আলম পারভেজকে। কিছু দিনের মধ্যে বিজনেস স্কুল দাঁড়িয়ে যায়। শুরু করেন মেডিক্যাল কলেজ। কিন্তু এই মেডিক্যাল কলেজের অনিয়মের কারণে নিয়মিত বিরতি দিয়ে কলেজটি বন্ধ হওয়া শুরু করে। শরণাপন্ন হন চট্টগ্রামের জননন্দিত নেতা মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী এবং আমার নিকট, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য তাকে সহায়তা করতে। একাধিকবার আমাদের সহায়তায় কলেজটি পুনরায় চালু হয় । ২০১০ সালে আইন করা হয় কোনও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিক্যাল কলেজ থাকবে না। কে শোনে কার কথা। তাদের হাত তো বেশ লম্বা। আদালতে গিয়ে স্টে-অর্ডার নিয়ে চালু থাকলো ডা. ইসলামের মেডিক্যাল কলেজ। এই কলেজে অনেক বিদেশি ছাত্র পড়ে। যেহেতু আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে তারা মেডিক্যাল দিচ্ছে সেহেতু বাংলাদেশ মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ এই কলেজ হতে পাস করা ডাক্তারদের তালিকাভুক্ত করতে অস্বীকার করে। পরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তাদের একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক স্নাতককে রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেওয়ার অনুমতি দেয় এবং তার জন্য তাদের ১০ কোটি টাকা জরিমানা করে। তারপরও সঠিক পথে চলতে গড়িমসি করলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে এক সভা হয়, যেখানে শ্রীলঙ্কার হাইকমিশনার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দু’জন সিনিয়র কর্মকতা আর চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের উপস্থিতিতে সিদ্ধান্ত হয় যে এক মাসের মধ্যে সব সমস্যার সমাধান করে স্নাতকদের সার্টিফিকেট দিয়ে দেওয়া হবে। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সালিশ করতে অন্য একটি দেশের হাইকমিশনারকে মঞ্জুরি কমিশনে আসতে হয়? এর চেয়ে লজ্জার কথা আর কী হতে পারে?

ইউএসটিসি’র ইংরেজি বিভাগের যে উপদেষ্টা শিক্ষকের গায়ে কেরোসিন ঢেলে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র নামধারী দুর্বৃত্ত আগুন দিতে চেয়েছিল সেই শিক্ষক ড. মাসুদ মাহমুদ দীর্ঘদিন ধরে আমার সহকর্মী ছিলেন। সম্পর্ক অনেকটা আমার অনুজের মতো। তার মতো ইংরেজি সাহিত্য পড়ানোর শিক্ষক বাজারে কিনতে পাওয়া যায় না। ঘটনা শুনে আমার প্রথম প্রতিক্রিয়া ছিল, মাসুদের মতো একজন উঁচুমানের শিক্ষক ইউএসটিসি’র মতো একটি ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে’ যোগ দিলেন কোন বুদ্ধিতে? এই ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের তো তাকে ধারণ করার মতো ক্ষমতা বা যোগ্যতা কোনোটাই নেই। তারা তো কেজি দরে শিক্ষক চায়। ইংরেজি হোক বা বাংলা সাহিত্য তা পড়াতে হলে পুরুষ-নারীর সম্পর্ক আসবে। সেখানে নায়ক-নায়িকা প্রেম করবে। হোক না তা রোমিও ও জুলিয়েট বা রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত অথবা দেবদাস। এতে নাকি কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থী যৌন হয়রানির আলামত পেয়েছে। শুরু হলো হৈ-হট্টগোল। বিবৃতি আর পাল্টা বিবৃতি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলো। হৈ-হট্টগোল করা এই দুর্বৃত্তরা নালিশ জানালো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে। এমন অভিযোগ এলে মন্ত্রণালয় তা মঞ্জুরি কমিশনের কাছে পাঠায়। কমিশন তা তদন্ত করে। প্রয়োজনে তদন্ত কমিটিতে মন্ত্রণালয়ের একজন সিনিয়র কর্মকর্তাও থাকেন। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তীকালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এবার তেমনটা ঘটেনি বলে সংবাদমাধ্যম খবর দিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করতে দেওয়া হয়েছে চট্টগ্রামের মহানগর পুলিশকে। স্বাধীন বাংলাদেশে এমনটি ঘটলো এই প্রথম। পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের আনীত অভিযোগের তদন্ত করছে। আর কিছু না হোক সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাওয়া যেত। তবে পুলিশ নাকি ড. মাসুদ মাহমুদের পক্ষে অভিমত দিয়েছে। পরিতাপের বিষয়, এখন সব বিষয় প্রত্যাশা মাফিক চলে না। কারণ, যুগের সঙ্গে সঙ্গে অনেক কিছুই পাল্টে গেছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা হয়তো জানেনই না, কতকিছু তার অগোচরে ঘটে যায় আর তার দায়দায়িত্ব এসে পড়ে তার ওপর। ড. মাসুদ মাহমুদকে কেরোসিন ঢেলে হত্যা করার প্রচেষ্টা যারা করেছিল তাদের নামে একাধিক মামলা হত্যা মামলা হয়েছে। কয়েকজনকে গ্রেফতার করাও হয়েছে। এখন দেখার পালা কত দ্রুত এই বিচার শেষ হয়, নাকি অপরাধীদের লম্বা হাত বলে সবকিছু আবার ঝুলে যাবে? কেরোসিন দিয়ে শিক্ষক হত্যার চেষ্টা একটি নতুন সংস্কৃতি চালু করেছে চট্টগ্রাম ইউএসটিসি। এই সংস্কৃতির শেষ কোথায় তা জানি না। তবে এটি ভয়ের সংস্কৃতি। এটিকে গোড়াতেই বিনষ্ট করতে না পারলে ভালো মানের শিক্ষক এই পেশায় আসবে না। আর তা যদি না হয় দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাই ভেঙে পড়বে। তবে আরও একটা কথা বলে রাখা ভালো। বাংলাদেশে শুধু একটা ইউএসটিসি নয়, আরও অনেক ইউএসটিসি আছে। তাদের হাত অনেক দীর্ঘ বলে মঞ্জুরি কমিশন কিছুই করতে পারে না। অযথা বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া এই কমিশনকে দোষারোপ করা ঠিক নয়। সব সময় বলি, গায়ে মুজিব কোট আর মুখে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে জাতির জনকের চেতনা ধারণ করা যায় না।

লেখক: বিশ্লেষক ও গবেষক; শিক্ষক, ইউল্যাব

এডুকেশন বাংলা/এজেড

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর