রবিবার ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ৪:১৪ এএম


মাধ্যমিকে প্রথম বয়ঃসন্ধিকালীন শিক্ষা ও সেবা চালু

নীলফামারী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৩:২৭, ১৮ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ২৩:৪৯, ১৮ নভেম্বর ২০১৯

নীলফামারীতে দেশে প্রথম মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থী কিশোর-কিশোরীদের বয়ঃসন্ধিকালীন শিক্ষা ও সেবা কর্মসূচি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন  প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব মো. নজিবুর রহমান

নীলফামারীতে দেশে প্রথম মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থী কিশোর-কিশোরীদের বয়ঃসন্ধিকালীন শিক্ষা ও সেবা কর্মসূচি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব মো. নজিবুর রহমান

 

দেশে প্রথম মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থী কিশোর-কিশোরীদের বয়ঃসন্ধিকালীন শিক্ষা ও সেবা কর্মসূচি নীলফামারীতে চালু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব মো. নজিবুর রহমান প্রধান অতিথি হিসাবে সোমবার দুপুরে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

মুখ্য সচিব বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার এক চর্তুথাংশই কিশোর-কিশোরী। তাদের শিক্ষা, জীবন, দক্ষতা ও স্বাস্থ্যের উপর নির্ভর করছে আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ। তিনি বলেন, ‘নীলফামারী জেলা প্রশাসন মাধ্যমিক পর্যায়ের কিশোর-কিশোরীদের বয়ঃসন্ধিকালীন শিক্ষা কর্মসূচির যে উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তা ব্যতিক্রম ও প্রশংসনীয় এবং সারাদেশের জন্য মডেল। এ উদ্যোগকে সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে।’

জেলা প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন-প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, মহাপরিচালক (গভর্নেন্স ইনোভেশন) মো. আশরাফ উদ্দিন, নীলফামারী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, সিভিল সার্জন ডা. রণজিৎ কুমার বর্মন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

পরে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান জেলা শহরের কালেক্টরেট পাবলিক স্কুল এ- কলেজে বয়ঃসন্ধিকালীন শিক্ষা ও সেবা কর্ণারের উদ্বোধন করেন। নীলফামারীর জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, বয়ঃসন্ধিকালীন শিক্ষা ও সেবার বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সমন্বয়ে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মসূচিটি চালু করা হয়েছে।

তিনি জানান, স্থানীয় সরকার বিভাগ, জেলা স্বাস্থ্য ও মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ এবং বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে। ইতিমধ্যে এক কোটি ৩২ লাখ ৯৪ হাজার টাকা অনুদান সংগ্রহ করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে জেলার ৬টি উপজেলার ৬০টি ইউনিয়নে একটি করে মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কিশোর-কিশোরীদের বয়ঃসন্ধিকালীন শিক্ষা ও সেবা কর্ণার স্থাপন করা হবে। পর্যায়ক্রমে জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এ প্রকল্পের আওতায় আনা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রসঙ্গত, জেলায় মোট ৪৬০টি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এরমধ্যে মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২৯০টি, মাদ্রাসা ১২৫টি এবং কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৪৫টি।

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর