রবিবার ১৮ আগস্ট, ২০১৯ ২১:০৬ পিএম


দীর্ঘ ২৭-৩০ বছর পর একটা পদোন্নতি, গিট্টু খুলতে লাগে প্রায় ৪ বছর

আফতাবুর রহমান হেলালী

প্রকাশিত: ০৯:৩৮, ২৭ জুলাই ২০১৯   আপডেট: ০৯:৪৫, ২৭ জুলাই ২০১৯

দীর্ঘ ২৭-৩০ বছর পর একটা পদোন্নতি!! সেই পদোন্নতির জ্যেষ্ঠতা নির্ণয়ে মামলার গিট্টু খুলতে প্রায় ৪ বছর সময় পার হয়ে যায়। এরপর ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে দেয়া হয় চলতি দায়িত্ব। চলে যায় আবারও দুটি বছর। সর্বশেষ ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সহকারী প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার পদে আসে পদোন্নতি।

বর্তমানে প্রধান শিক্ষক/জেলা শিক্ষা অফিসার পদে প্রায় ২৫০-২৭০ টি পদ শূন্য। এসব পদ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দিয়ে পরিচালিত হিয়ে আসছে। কোথাও কোথাও জুনিয়র শিক্ষক দ্বারা এসব পদ পূরণ করা হয়েছে। কোথাও আবার একই ব্যক্তি দুই প্রশাসনের দায়িত্বে নিয়োজিত। এতে কার্যতঃ দক্ষ প্রশাসন এবং মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে।

প্রশাসন যদি পদোন্নতি প্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসারদের এসব শূন্য পদে পদায়ন করত তাহলে প্রতিষ্ঠানগুলো দক্ষ কর্মকর্তা দ্বারা সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হতো, শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত হতো, দীর্ঘদিন যাবত পদোন্নতি প্রত্যাশী শিক্ষকরা একটা সম্মানজনক জায়গায় উন্নীত হতেন এবং সিনিয়র শিক্ষকদের অধিকার নিশ্চিত হতো।

কাজেই শিক্ষা সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, পদোন্নতিপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসারদের অভিজ্ঞতা প্রমার্জন করে (ইতোমধ্যেই অনেকের ভারপ্রাপ্ত হিসেবে ৫/৭ বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেছে ) শূন্য পদে পদায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে সর্বক্ষেত্রই উপকৃত হতো, যোগ্য ব্যক্তিদের সুদক্ষ পরিচালনায় মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ তৈরি হতো, সিনিয়র শিক্ষকদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হতো।

এই লেখার প্রসঙ্গে কমেন্ট বক্সে আজহারুল ইসলাম আরও যুক্ত করেছেন` খুব সুন্দর লিখেছেন ভাই, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। চলতি দায়িত্ব দেয়ার পূর্বে অনেকেই ৪/৫ বছর ভারপ্রাপ্ত হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।চলতি দায়িত্ব দুই বছর, এরপর প্রায় এক বছর। সব মিলিয়ে অনেকের অভিজ্ঞতা ৭/৮ বছর ছাড়িয়ে গেছে। যা কিনা চাহিত অভিজ্ঞতার প্রায় দ্বিগুণ। সুতরাং অভিজ্ঞতা প্রমার্জনের দাবি যৌক্তিক। দ্রুত পদোন্নতি না দিলে পরবর্তী অন্তত দুইটি ব্যাচের শিক্ষকগণ ৩০/৩২ বছর চাকরি করেও কোন পদোন্নতি পাবেননা। বর্তমানে ছোট জেলা সদর ও উপজেলা সদরের স্কুল গুলো প্রধান শিক্ষক শূন্য অবস্থায় আছে। সহকারী শিক্ষকগণ অনেক জায়গায় জেলা শিক্ষা অফিসার ও প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন।কাজেই দ্রুত অভিজ্ঞতা প্রমার্জন করে পদোন্নতি প্রদানের আবেদন সকল সহকারী প্রধান শিক্ষক ও সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসারের। হেলালি ভাইকে আবারো ধন্যবাদ।

আফতাবুর রহমান হেলালীর ফেসবুক ওয়াল থেকে নেয়া

এডুকেশন বাংলা/এজেড

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর