সোমবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১:৫৬ এএম


ডেঙ্গুর ভয়ে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করেও শেষ রক্ষা হয়নি জিতুর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১:৩৮, ১৯ আগস্ট ২০১৯  

স্কুল পাগল জিতু পারতপক্ষে স্কুল কামাই দেয় না। তিন ভাই বোনের মধ্যে সে ছোট। বাবা একটি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। বড় দুই ভাইবোনকে নিয়ে মা হোসনে আরা বেগমের তেমন ভাবতে হয় না। কিন্তু ছোট্ট জিতু যেন তার প্রাণ। মেয়েকে ডেঙ্গুর হাত থেকে বাঁচাতে স্কুল থেকে ছুটি নিয়েছিলেন। কিন্তু ডেঙ্গুর ভয়ে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করেও শেষ রক্ষা হয়নি তার। পিছু ছাড়েনি ডেঙ্গু।

জিতুর মা হোসনে আরা বলেন, মেয়েকে আমার ২৪ ঘণ্টার ১৬ ঘণ্টাই মশারির নিচে রেখেছি। স্কুলে গেলে মশা কামড়াবে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হবে। এই ভয়ে স্কুল থেকে ছুটি নিয়ে বাসায় নজরে নজরে রেখেছি। বাসায় সারাক্ষণ মশারি টাঙ্গিয়ে কয়েল জ্বালিয়ে রাখতাম। মশারির ভেতরে ঢুকে কামড়াবে তাই মশা মারার ব্যট ব্যবহার করতাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাই হলো। হাসপাতালের যেই অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ তাতে সে আরো বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তার ওপর ওয়ার্ডে সিট পেতে কি না করেছি। এখন সে চোখ মেলে তাকায় না। জোর করে কিছু মুখে দিলে বমি করে ফেলে দেয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছে তার শরীর খুব দুর্বল। তাই রক্তের প্লাটিলেট অনেক বেশি ওঠানামা করছে। দিনে কয়েকবার সিবিসি পরীক্ষা করাতে হয়। রক্ত পরীক্ষা করাতে যে পরিমান রক্ত গেছে তাতেও মেয়ে অনেকটা দুর্বল হয়ে পরেছে।

এডুকেশন বাংলা/এজেড

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর