শনিবার ২৩ নভেম্বর, ২০১৯ ৭:৪৬ এএম


ডিজিসহ ১০ কর্মকর্তার সম্পদের হিসাব তলব দুদকের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০:৪৭, ৬ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১০:৫২, ৬ নভেম্বর ২০১৯

ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা) মহাপরিচালক (ডিজি) সামীম মোহাম্মদ আফজালের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একইভাবে তার সম্পদের হিসাব খতিয়ে দেখবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

ডিজির পাশাপাশি ইফার আরও ৯ কর্মকর্তার সম্পদের হিসাব চেয়েছে তারা। এরই মধ্যে তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত নিয়েছে দুদক। এরা সবাই ইফার গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্বে রয়েছেন এবং ডিজির আস্থাভাজন কর্মকর্তা। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।
দুদকের নজরে পড়া অন্য কর্মকর্তারা হলেন ইফার পরিচালক (উপসচিব) জালাল আহমদ, পরিচালক (সমন্বয়) এবিএম শফিকুল ইসলাম, উপপরিচালক (পার্সো) মুহাম্মদ আজাদ আলী, সহকারী পরিচালক (পার্সো) মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী পরিচালক (সমন্বয়) মুহাম্মদ মজিব উল্লাহ ফরহাদ, সহকারী পরিচালক (ডিজির দফতর) মো. জাকির হোসেন, সেকশন অফিসার-১ (প্রশাসন) মোহাম্মদ রিজাউল করিম এবং সাবেক পরিচালক মুহাম্মদ তাহের হোসেন ও মু. হারুনুর রশিদ।

ইফার সচিব কাজী নূরুল ইসলাম জানান, ‘ইফার ১০ কর্মকর্তার ব্যাংক হিসাবসহ সম্পদের তথ্য চেয়েছে দুদক। এরই মধ্যে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আমীর হোসেন ইফার কার্যালয়ে এসে তথ্য-উপাত্ত চেয়েছেন। আমরা নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত দিয়ে তাদের প্রশাসনিক সহায়তা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছি।’

জানতে চাইলে দুদক সহকারী পরিচালক মো. আমীর হোসেন বলেন, ‘সম্প্রতি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কিছু কর্মকর্তার নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে দুদকে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়। অভিযোগটি দুদকের সংশ্লিষ্ট কমিটি আমলে নিয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

সে অনুযায়ী তাদের তথ্য-উপাত্ত অনুসন্ধান করতে আমাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ইফার কার্যালয়ে গিয়ে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে কিছু তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছি। অনেকের তথ্য না পাওয়ায় সেগুলো চেয়েছি।’

এ প্রসঙ্গে ইফা পরিচালক (উপসচিব) জালাল আহমদ বলেন, ‘আমার কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি পাবে না দুদক। আমিও শুনেছি দুদক আমার তথ্য চেয়েছে। দুদক দেখুক, অনুসন্ধান করুক। এ নিয়ে আমার কোনো কথা নেই।’ দুদক তার এনআইডি নম্বরসহ বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত নিয়েছে স্বীকার করে ইফার সহকারী পরিচালক (সমন্বয়) মুহাম্মদ মজিব উল্লাহ ফরহাদ বলেন, ‘আমি ছিলাম বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রিপন-রোটন কমিটির উপগ্রন্থনাবিষয়ক সম্পাদক। দুদকের অভিযোগে আমাকে ‘দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার’ বানানো হয়েছে। আমি সরকারি চাকরি করি। একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। আমি ষড়যন্ত্রের শিকার।’

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর