রবিবার ২৬ জানুয়ারি, ২০২০ ১৭:৫৭ পিএম


ডাকসু নেতাদের কর্মকাণ্ড ভালো লাগে না : রাষ্ট্রপতি

ঢাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৫:০৪, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯  

রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আচার্য মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ‘ডাকসু (ঢাবি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) নেতৃবৃন্দের ব্যাপারে এমন সব কথা শুনি, যেগুলো আমার ভালো লাগে না। এর বেশি বলে আমি কাউকে হেয়-প্রতিপন্ন করতে চাই না। তবে তাদের কর্মকাণ্ড আমার ভালো লাগে না।’

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫২তম সমাবর্তনে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।

তিনি বলেন, তাদের এমন কিছু করা উচিত, যা সাধারণ ছাত্রদের কল্যাণে কাজ করে। সেটা তাদের সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেয়া উচিত।’

ডাকসু নির্বাচন করায় ঢাবি উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারকে ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি।

তিনি বলেন, তবে আপনাকে আমি আরেকটু বলতে চাই, নির্বাচনের সময় কিছু কথা বা অপ্রীতিকর ঘটনা শুনেছি। আমি আশা করব, ভবিষ্যতে যখন আবার ডাকসু নির্বাচন হবে, তখন যাতে করে আরও সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে এই নির্বাচন হয়।

এর আগে দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন তিনি।

এরও আগে রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট, সিন্ডিকেট, একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অংশগ্রহণে সমাবর্তন শোভাযাত্রা কার্জন হল থেকে শুরু হয়। এরপর জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।

এবারের সমাবর্তনে বক্তা হিসেবে আছেন জাপানের টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের কসমিক রে রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. তাকাকি কাজিতা। তাকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব সাইন্স’ ডিগ্রি দেয়া হবে।

এদিকে, সমাবর্তনে যোগ দিতে এদিন সকাল থেকে গ্রাজুয়েটদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে ক্যাম্পাস। বেলা ১১ টার পর থেকে সারিবদ্ধভাবে তারা সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রবেশ করেন।

উল্লেখ্য, এবারের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে ২০ হাজার ৭৯৬ জন গ্রাজুয়েট অংশগ্রহণ করছেন। অনুষ্ঠানে ৭৯ জন কৃতি শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীকে ৯৮টি স্বর্ণপদক, ৫৭ জনকে পিএইচডি, ছয়জনকে ডিবিএ এবং ১৪ জনকে এম ফিল ডিগ্রি দেয়া হবে। অধিভুক্ত সাত কলেজের রেজিস্ট্রেশনকৃত গ্র্যাজুয়েটরা ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে ঢাকা কলেজ ও ইডেন মহিলা কলেজ ভেন্যু থেকে সরাসরি সমাবর্তন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।

এডুকেশন বাংলা/এসএ/কেআর

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর