বুধবার ১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ২৩:১৪ পিএম


টোলের নামে চাঁদাবাজি বন্ধে স্লোগানে উত্তাল ঠাকুরগাঁও পৌরসভা ঘেরাও

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

প্রকাশিত: ২০:৩৯, ৩১ অক্টোবর ২০১৯  

পৌর টোল ও টোলের নামে চাঁদাবাজি এবং ইজি বাইক শ্রমিকদের প্রতি সকল প্রকার নির্যাতন বন্ধের দাবিতে রাজপথে আন্দোলন করেছে ঠাকুরগাঁওয়ের ইজি বাইক(আটো রিক্সা) চালক শ্রমিকরা। এরই অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ের চৌরাস্তায় বিক্ষোভ সমাবেশ করার পর ঠাকুরগাঁও পৌরসভা ঘেরাও করে বিক্ষুব্ধ ইজিবাইক শ্রমিকগণ।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় ঠাকুরগাঁও ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়নের আয়োজনে শহরের প্রায় ৫ শতাধিক ইজিবাইক শ্রমিক এই আন্দোলনে অংশ নেয় এবং বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে। পরে তারা ঠাকুরগাঁও পৌরসভা ভবন ঘেরাও করে। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, ঠাকুরগাঁও ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাহাবুব আলম রুবেল, সাধারন সম্পাদক আবু আস লাবু, রোড সেক্রেটারি আব্দুল খালেক, ইজি বাইক শ্রমিক,শাহাজাহান আলী । এছাড়াও এ আন্দোলনকে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, জেলা জেএসডি’র সভাপতি মনছুর আলী, জেলা উদীচীর সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ানুল হক রিজু, ছাত্রনেতা জাকির হোসেন প্রমুখ।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, ঠাকুরগাঁও সদরে ইজিবাইক (ব্যাটারী চালিত অটো রিকশা) চালকদের কাছ থেকে পৌর সভার টোলের নামে জোর জবরদস্তি শারিরীক নির্যাতন চালিয়ে বছরে ২ কোটি টাকারও বেশি চাঁদা
আদায় করা হচ্ছে। ঠাকুরগাঁও সদর পৌর এলাকায় ৮-৯ টি পয়েন্টে লাঠি হাতে গাড়ি আটকিয়ে টোল আদায় করা হচ্ছে। কোন কারণে চাঁদা দিতে না পারলে যাত্রী থাকা অবস্থায় গাড়ির চাবি কেড়ে নেয়াসহ চালকদের উপর শারিরীক নির্যাতনের ঘটনাও ঘটছে। বক্তারা আরও বলেন, পৌরসভার টোলের নামে বছরে ২ কোটি টাকারও বেশি টাকা আদায় করা হলেও পৌরসভা পায় যৎসামান্য। সিংহ ভাগ টাকাই ঢোকে টোল আদায়কারীর পকেটে।
এই টোল আদায় করা হচ্ছে কার স্বার্থে ? অথচ পৌর এলাকায় আছে ৫-৬ হাজার গাড়ি যার লাইসেন্স দিয়ে শুধু লাইসেন্স বাবদ পৌরসভা এর থেকে দুই থেকে তিন গুণ টাকা আয় করতে পারে।বিক্ষোভ সমাবেশে ১৫ দিনের মধ্যে পৌর টোল বন্ধ না হলে বড় ধরণের আন্দোলনে যাওয়ার হুশিয়ারী দিয়েছেন আন্দোলনরত শ্রমিক গণ। পৌর টোল বন্ধ না করলে জীবন দিয়ে শহীদ হওয়ারও ঘোষণা দেন তারা।

এডুকেশন বাংলা/একে

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর