শুক্রবার ১০ জুলাই, ২০২০ ৬:১৪ এএম


জেনে নিন আপনার সন্তান বিষণ্নতায় আক্রান্ত কিনা

এডুকেশন বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯:৪১, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

শিশুদের মধ্যে এক ধরনের শিশু থাকে যারা কিছুটা চঞ্চল। আবার কিছু শিশু চুপচাপ থাকতে ভালোবাসে। নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব শিশুরা লম্বা সময় ধরে নিষ্ক্রিয়ভাবে বসে থাকে তাদের বিষণ্নতায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে; তাও আবার ১৮ বছর বয়সের মধ্যেই। ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের গবেষকরা ১২ থেকে ১৬ বছর বয়সি ৪ লাখ ২৫ হাজার ৭১২ জনের সক্রিয়তার মাত্রা যাচাই করে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যেসব শিশু প্রতিদিন অতিরিক্ত এক ঘণ্টা হাঁটা বা ঘরের কাজ করে হালকা সক্রিয়তা প্রকাশ করে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তাদের বিষণ্নতায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তুলনামূলকভাবে কম থাকে। অন্যদিকে যেসব শিশু অনেক বেশি চুপচাপ থাকে, নিষ্ক্রিয় থাকতে ভালোবাসে তাদের ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর বিষণ্নতায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে। এমনকি ১৮ বছরের মধ্যেই এসব শিশু বিষণ্নতায় আক্রান্ত হতে পারে। এ কারণে গবেষক দল পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, সব বয়সি মানুষেরই শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া উচিত। শিশুদের ছোটোবেলা থেকেই সক্রিয় হয়ে উঠতে উত্সাহী করে তুলতে হবে।

গবেষণায় অংশ নেওয়া ইউনিভার্সিটি অব ব্রিস্টলের ১২, ১৪ ও ১৬ বছর বয়সি শিশুরা টানা তিন দিন অন্তত ১০ ঘণ্টা ধরে অ্যাক্সেলারোমিটার পরে ছিল। এই যন্ত্র থেকে পাওয়া মান থেকে গবেষকরা জানতে পেরেছেন, তারা স্থির হয়ে বসে ছিল নাকি হালকা শারীরিক কার্যক্রমে নিয়োজিত ছিল। এরপর এসব শিশুর কাছে কিছু প্রশ্ন করা হয় যেখানে তাদের বিষণ্নতার ধরন সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। গবেষকরা জানিয়েছেন, ১২, ১৪ ও ১৬ বছর বয়সে অতিরিক্ত প্রতি এক ঘণ্টা বসে থাকার ফলে গবেষণায় অংশ নেওয়াদের বিষণ্নতার স্কোর যথাক্রমে ১১ দশমিক ১ শতাংশ, ৮ শতাংশ ও ১০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। যেখানে হালকা কার্যক্রমের ক্ষেত্রে তাদের বিষণ্নতার স্কোর ৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ, ৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ ও ১১ দশমিক ১ শতাংশ করে কমেছে।

ক্যামডেন অ্যান্ড আইলিংটন এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের সিনিয়র গবেষক ডক্টর জোসেফ হেইস বলেন, হালকা শারীরিক কার্যক্রম বিশেষভাবে উপকারী হতে পারে।—বিবিসি

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর