বৃহস্পতিবার ১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ১২:৫৫ পিএম


জেএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে ঢুকতে না দেয়ায় পুলিশের ওপর হামলা

শরীয়তপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০১:৫৫, ৩ নভেম্বর ২০১৯  

আহত কনেস্টবল আরিফুর ইসলাম

আহত কনেস্টবল আরিফুর ইসলাম

শরীয়তপুরের ডামুড্যায় পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ না করতে দেয়াকে কেন্দ্র করে পুলিশের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার শিকার আরিফুর ইসলাম নামের এক কনেস্টবল আহত হয়ে ডামুড্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

শনিববার সকাল সাড়ে ১০টায় ডামুড্যায় জেএসসি পরীক্ষার কনেশ্বর কেন্দ্রের আলহাজ্ব আলী আহম্মদ সরদার ইসলামীয়া দাখিল মাদরাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রাত সাড়ে ৮টার দিকে ডামুড্যা উপজেলা থেকে অভিযুক্ত হাফিজ ও রিফাতকে আটক করেছে ডামুড্যা থানা পুলিশ।

ডামুড্যা থানা ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পূর্ব নির্ধারিত সময় জেএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। পরীক্ষার আধাঘণ্টা পর হঠাৎ কেন্দ্রের বাইরে থাকা বহিরাগত হাফিজ গোলন্দাজ (২৪) ও রিফাত হোসেন গোলন্দাজ (২৩) নামের দুই যুবক প্রথমে গেট দিয়ে কেন্দ্রে ঢুকার চেষ্টা করে। তখন পরীক্ষা কেন্দ্র দায়িত্বরত পুলিশ কনেস্টবল আরিফুর ইসলাম তাদের ভেতরে ঢুকতে বাধা দেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা পুলিশের ওপর হামলা করে এবং তার গায়ের ইউনিফর্ম ছিড়ে ফেলে। কেন্দ্রে উপস্থিত কনেশ্বর এসসি এডওয়ার্ড ইনস্টিটিউশনের শিক্ষক মো. সুলাইমান থামানোর চেষ্টা করলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে আহত কনেস্টবলকে ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়।

আহত কনেস্টবল আরিফুর ইসলাম বলেন, জেএসসি পরীক্ষার কারণে বিদ্যালয়ের আশেপাশে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। এ কারণে বিদ্যালয় আশেপাশে শুধু পরীক্ষার্থী ও কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা শিক্ষক ছাড়া অন্যকোনো লোক ঢুকতে দেয়া নিষেধ ছিল। আমি কাউকে ঢুকতে দেইনি। কিন্তু হঠাৎ একজন আমার কলার ধরে টানতে টানতে ভিতরে নিয়ে যায়। ওর সঙ্গে থাকা কয়েকজন আমাকে কিল ঘুষি মারতে থাকে।

ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলরুবা শারমিন বলেন, আমরা এ ঘটনাটি হালকাভাবে নিচ্ছি না। এটিকে তিনটি বিষয়ের ওপরে নজর দিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোসাইরহাট সার্কেল) মো. মোহাইমিনুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত হাফিজ ও রিফাতকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। আর কনেস্টবল আরিফুর ইসলাম হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর