রবিবার ১৭ নভেম্বর, ২০১৯ ৩:১৫ এএম


জিপিএ-৫ এর বদলে জিপিএ-৪ করতে বসছেন শিক্ষাবিদরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮:৪৯, ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৪:২৪, ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯

দেশের বাইরের শিক্ষাব্যবস্থার সাথে মিলরেখে এখন জিপিএ- ৫ থেকে জিপিএ-৪ করার জন্যে বসছেন শিক্ষাবিদরা। যেসব শিক্ষার্থীরা দেশের বাইরে পড়তে যান তাদের জন্য রেজল্ট পরিমাপের ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি হয়। তাই জিপিএ ৫ থেকে জিপিএ- ৪ এর পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। কেননা বর্হিবিশ্বে পাবলিক পরীক্ষাগুলোতে সবোর্চ জিপিএ-৪ রেজাল্ট নির্ধারণ আছে।

আগামী রবিবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এই কর্মশালায় সভাপতিত্ব করবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত নথিতে বলা হয়েছে, পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল জিপিএ-৫ (গ্রেড পয়েন্ট এভারেজ-৫) এর পরিবর্তে জিপিএ-৪ প্রবর্তনের লক্ষ্যে অংশীজনদের নিয়ে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। কর্মশালায় অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষাবিদদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বুয়েটের অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায়োগিক পরিসংখ্যান ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ শাহাদাত হোসাইন, আইইআরের অধ্যাপক এসএম হাফিজুর রহমান ও হোসনে আরা বেগম, গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরীসহ শিক্ষাবিদদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এছাড়াও শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, এনসিটিবি চেয়ারম্যান, নায়েমের বিশেষজ্ঞ, বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষ, বাংলাদেশ পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিট (বেডু) কর্মকর্তাদের ডাকা হয়েছে।

অষ্টম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা জেএসসি ও জেডিসি, এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪ প্রবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বহির্বিশ্বের শিক্ষা ব্যবস্থায় জিপিএ-৫ না থাকায় এবং দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও জিপিএ-৪-এ ফল প্রকাশ হওয়ায় বিদেশে পড়াশোনা এবং চাকরির বাজারে উদ্ভুত সমস্যা নিরসনেই মূলত গ্রেড পয়েন্ট কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ২০০১ সালে পাবলিক পরীক্ষায় গ্রেড পদ্ধতি চালু হয়। ৮০-১০০ নম্বরে গ্রেড ৫, ৭০-৭৯ নম্বরে ৪, ৬০-৬৯ নম্বরে ৩.৫০, ৫০-৫৯ নম্বরে ৩, ৪০-৪৯ নম্বরে ২, ৩৩-৩৯ নম্বরে ১ এবং শূন্য থেকে ৩২ নম্বরে গ্রেড পয়েন্ট শূন্য ধরা হয়। লেটার গ্রেডে যথাক্রমে এ প্লাস, এ, এ মাইনাস, বি, সি, ডি এবং এফ গ্রেড। লেটার গ্রেড ১ পেলে পাস এবং এফ গ্রেড পেলে অনুত্তীর্ণ ধরা হয়।

আর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সব বিষয়ে ৮০ এর উপরে নম্বর পেলে সিজিপিএ-৪, ৭৫-৮০ নম্বরে ৩.৭৫, ৭০-৭৫ নম্বরে ৩.৫০, ৬৫-৭০ নম্বরে ৩.২৫, ৬০-৬৫ নম্বরে ৩, ৫৫-৬০ নম্বরে ২.৭৫, ৫০-৫৫ নম্বরে ২.৫০, ৪৫-৫০ নম্বরে ২.২৫, ৪০-৪৫ নম্বরে ২ এবং ৪০ নম্বরের কম পেলে অনুত্তীর্ণ ধরা হয়। লেটার গ্রেডে যথাক্রমে- এ প্লাস, এ, এ মাইনাস, বি প্লাস, বি, বি মাইনাস, সি প্লাস, সি, ডি এবং এফ গ্রেড।

এডুকেশন বাংলা/একে

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর