শনিবার ১৮ আগস্ট, ২০১৮ ১৮:০১ পিএম

Sonargaon University Dhaka Bangladesh
University of Global Village (UGV)

জাল সার্টিফিকেটে চাকুরি: ৯ শিক্ষকের সাথে ফাঁসছেন মাউশির কর্মকর্তা

প্রকাশিত: ১০:০১, ২৩ জুলাই ২০১৮  

জাল সার্টিফিকেটে চাকুরি ও এমপিওভুক্ত হয়ে মামলায় ফেঁসেছেন রাজধানীর চার স্কুল ও মাদ্রাসার ৯ জন শিক্ষক। এবারে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার চার্জশিটভুক্ত হতে যাচ্ছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা। সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে জেলা শিক্ষা অফিসের কয়েক জনের। ফলে চার্জশিটে বাড়ছে আসামির সংখ‌্যা। এখন চলছে তথ‌্য-প্রমাণ সংগ্রহের কাজ। এরই মধ‌্যে দুর্নীতি বিরোধী সংস্থাটি অভিযোগ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র জব্দ করা শুরু করেছে।

দুদক সূত্রে জানা যায়, জাল নিবন্ধনের মাধ‌্যমে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কয়েকশ শিক্ষক নিয়োগ ও এমপিওভুক্ত হয়ে অনৈতিক সুবিধা নিয়েছেন- এমন অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করার পর দুদক উপপরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিমের নেতৃত্বে একটি টিম গঠন করা হয়। আর ওই টিম থেকে ঢাকা জেলার অধীন অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধ অভিযোগ অনুসন্ধান করে চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি মামলা দায়ের করা হয়। রাজধানীর নিউমার্কেট থানায় দুদকের সহকারি পরিচালক মো. নুর-ই-আলম বাদি হয়ে রাজধানীর চার স্কুলের ৯ শিক্ষককে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

আসামিরা হলেন- খিলগাঁও মডেল হাই স্কুলের সহকারি শিক্ষক (সমাজ বিজ্ঞান) ইয়াছমিন বেগম, আগারগাঁও তালতলা সরকারি কলোনী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক তাহমিনা পারভীন (জীববিজ্ঞান ও বিজ্ঞান), আগারগাঁও তালতলা সরকারি কলোনী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক (ব্যবসায় শিক্ষা) সায়মা খান, উত্তরখান চানপাড়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার জুনিয়র মৌলভী জাকিয়া সুলতানা, ওই মাদ্রাসার মোজাব্বিদ মাহির ক্কারী কবির হোসেন, এবতেদায়ী প্রধান মনোয়ারা বেগম, জুনিয়র শিক্ষক পারুল বেগম, ঢাকা সবুজবাগের ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুলের সহকারি শিক্ষক (সমাজ বিজ্ঞান) ইলোরা আলম এবং ঢাকা উত্তরখানের উজামপুর দাখিল মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক শাহনাজ পারভীন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ বিষয়ে বলেন, ‘শিক্ষকরা জাল সার্টিফিকেট দিয়ে চাকুরি নেওয়া ও এমপিওভুক্ত হয়ে যেমন অপরাধ করেছেন ঠিক তেমনি জেলা শিক্ষা অফিস ও শিক্ষা অধিদপ্তর দায় এড়াতে পারে না। কারণ, যাচাই-বাচাই করা তাদের দায়িত্ব। যদিও অনুসন্ধান পর্যায়ে অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে যেখানে নিয়ন্ত্রণ অফিসের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে আসামি করা হয়নি। আশা করছি তদন্ত পর্যায়ে অবশ্যই এ বিষয়টি আসবে। এখানে কারো না কারো সংশ্লিষ্টতা অবশ্যই রয়েছে।’

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর