শনিবার ২৩ নভেম্বর, ২০১৯ ৭:২০ এএম


জাবির আন্দোলন পর্যবেক্ষণ করছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭:৩৬, ৫ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ২২:০২, ৫ নভেম্বর ২০১৯

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ফারজানা ইসলামকে অপসারণের দাবিতে চলমান আন্দোলন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পর্যবেক্ষণ করেছেন।

মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রাজধানীর বনানীর সেতু ভবনে কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকরা প্রশ্নের জবাবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন করেন। ওই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি বলেন, এটা প্রধানমন্ত্রীর নজরে আছে, এর সর্বশেষ খবর প্রধানমন্ত্রী জানেন। কোনো ব্যবস্থা নিতে হলে তিনি খোঁজ-খবর নিয়ে নেবেন। সরকারপ্রধান এ ব্যপারে খুব সজাগ। তিনি বিষয়টা পর্যবেক্ষণ করছেন, অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেবেন।

এদিকে, ক্যাম্পাসে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে এক জরুরি সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের ওই সভায় ক্যাম্পাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়।

এর আগে সোমবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামকে তার ভবনে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল আন্দলোনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। অপরদিকে আন্দোলনকারীদের ঘিরে চার স্তর বিশিষ্ট বহর তৈরি করে মুখোমুখি অবস্থান নেন উপাচার্যপন্থী শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

এদিকে, মঙ্গলবার সকাল ১১টায় আন্দোলনকারীরা যখন উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেয় তখন উপাচার্যপন্থী শিক্ষকেরা সেখানে যান। তারা আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের তুলে দিয়ে উপাচার্যের বাসভবনে ঢোকার চেষ্টা করেন। তবে আন্দোলনকারীদের বাধার মুখে তারা বাসভবনে ঢুকতে পারেননি।

তবে কিছুক্ষণ পর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের একটি মিছিল সেখানে আসে। ওই মিছিলে দুই শতাধিক নেতাকর্মী ছিলেন। মিছিল থেকে উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা করা হয়। মিছিলকারীরা উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের সেখান থেকে সরিয়ে দেন। তারপর তারা ওই জায়গায় অবস্থান নেন।

পরে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম নিজ বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর কোনো হামলা করে নাই। তারা আমার বাসভবনের সামনে থেকে আন্দোলনকারীদের সুশৃঙ্খলভাবে সরিয়ে দিয়েছে।

ভিসি বলেন, আন্দোলনকারীদের পেছনে জামায়াত-শিবির রয়েছে। তারা গত কয়েকদিন ধরে আমাকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে। আমি বের হতে পারিনি। আমি এখন অফিস করবো।

এডুকেশন/কেআর

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর