রবিবার ১৭ নভেম্বর, ২০১৯ ২১:২২ পিএম


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে প্রত্যাশা

সিরাজুল মুস্তফা

প্রকাশিত: ০৮:২৩, ৩১ অক্টোবর ২০১৯   আপডেট: ০৮:২৪, ৩১ অক্টোবর ২০১৯

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এখন সুপার গতির বিশ্ববিদ্যালয়ের তকমা পাবার দাবিদার! পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষা শেষ হবার আগেই তারা ভর্তি প্রক্রিয়া চুকিয়ে ১ অক্টোবর থেকে ক্লাসও শুরু করে দিয়েছে। নাই ক্লাসের কোনো নির্দিষ্ট শিডিউল। নাই শ্রেণি সুযোগ-সুবিধা, কদিন পরপর শুধু আছে পরীক্ষা নেওয়া। এভাবে কোনোরকমে চার বছর পার করার পর একটা সার্টিফিকেট ধরিয়ে দিয়ে ছাত্রছাত্রী বার করছে।

এরা সরকারের ওপর বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এমন হাজারো অসঙ্গতি যাদের গায়ে লেপটে আছে, তারা কোন দৈব শক্তির নির্দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আগে নিজেরা সব কাজ সেরে নিয়েছে! যে ছাত্র ঢাবিতে, চবিতে, কুবিতে বা এমন আরেকটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে টিকবে সে কি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বে? তাহলে এই যে স্টুডেন্টগুলো চলে যাবে, আসনগুলো শূন্য হবে, সেখানে নতুন করে তো ছাত্রছাত্রীও ভর্তি করানো যাবে না।

এতে লাভটা কী! এসব আসনে অন্তত আরো কয়েক হাজার ছাত্রছাত্রী পড়তে পারত। এসব আসনের পেছনে সরকারের যে অর্থ খরচ হচ্ছে, তাও তো একরকম গচ্চাই যাচ্ছে। এদের এই হাই পাওয়ার সিদ্ধান্তগুলো নেওয়ার আগে ভালো করে ভাবা উচিত। প্রয়োজনে বাজেট বাড়ানোর আবেদন করে হলেও শিক্ষার মান বাড়াক জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এদের একটি কলেজও পুরোপুরি সিলেবাস শেষ করতে পারে না। এমনও ঘটনা আছে—কোনো ক্লাস না নিয়ে পরীক্ষার সময় পরীক্ষা নিয়ে কোর্স শেষ করে দিচ্ছে অনেক নামকরা কলেজ। শুধু লোকদেখানো উন্নতি করে লাভ নেই। ভবিষ্যতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সত্যিকারের জ্ঞানের আধার হবে প্রত্যাশা রাখছি।


সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম

এডুকেশন বাংলা/এজেড

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর