রবিবার ০৯ আগস্ট, ২০২০ ২২:৫৬ পিএম


চূড়ান্ত হওয়ার পরও যে কারণে বাদ যেতে পারে এমপিও

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:০৮, ৩০ এপ্রিল ২০২০  

চূড়ান্ত তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে বেতন-ভাতা পাবেন। ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর ২৭৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিভুক্ত করা হলেও এখন প্রতিষ্ঠানগুলো এমপিও কোড পাওয়ায় শিক্ষকরা সরকারি বেতনের অংশ পাবেন।

নিয়মানুযায়ী, এমপিও কোড পাওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক-কর্মচারীদের অনলাইনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে আবেদন করতে হবে। এরপর যাচাই-বাছাই করে তাদের এমপিও কার্যকর করে সরকারি বেতন-ভাতা পাঠানো হবে। এক্ষেত্রে কোনো শিক্ষকের নিয়োগ, নিয়োগের বিপরীতে শিক্ষাগত অসম্পূর্ণ শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং অন্য কোনো সমস্যা থাকলে তার বেতন আটকে যেতে পারে।

এর আগে জারিকৃত এক আদেশে নতুন এমপিওভুক্তদের চারটি শর্ত দেওয়া হয়েছিল। এমপিওভুক্ত হওয়া কোনো প্রতিষ্ঠান নীতিমালা অনুযায়ী ওইসব যোগ্যতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হলে সেই প্রতিষ্ঠানের এমপিও স্থগিত করা হবে বলেও আদেশে বলা হয়। এগুলো হচ্ছে—এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো-২০১৮ অনুযায়ী আরোপিত শর্ত পূরণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের যোগ্যতা-অভিজ্ঞতা নিয়োগকালীন বিধি-বিধান ও সংশ্লিষ্ট পরিপত্র মোতাবেক প্রযোজ্য হবে। নিবন্ধন প্রথা চালু হওয়ার আগে বিধিসম্মতভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা এমপিওভুক্তির সুযোগ পাবেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে নিয়োগপ্রাপ্তদের অবশ্যই নিবন্ধন সনদ লাগবে। যেসব প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য বিবেচিত হয়েছে তার মধ্যে কোনো প্রতিষ্ঠান নীতিমালা অনুযায়ী কাম্য যোগ্যতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হলে সেসব প্রতিষ্ঠানের এমপিও স্থগিত করা হবে এবং পরবর্তী সময়ে কাম্য যোগ্যতা অর্জন করলে এমপিও ফের অবমুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা হবে। যেসব তথ্যাদির আলোকে প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছে, পরবর্তী সময়ে কোনো তথ্য ভুল বা অসত্য প্রমাণিত হলে তথ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রদানকৃত তথ্যের সঠিকতা সাপেক্ষে প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে এমপিওভুক্তির আদেশ কার্যকর করা হবে।

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর