শুক্রবার ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ৩:১১ এএম


চাকরিপ্রার্থী একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চয়েস দিতে পারবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:০৯, ২৭ জুলাই ২০১৮  

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি-অনিয়ম ঠেকাতে ২০১৫ সালের নভেম্বরে একটি পরিপত্রের মাধ্যমে গভর্নিং বডির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরপর ২০১৬ সালে সারাদেশে শূন্যপদের তালিকা সংগ্রহ করে কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষক নিয়োগের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে এনটিআরসিএ। বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে নিবন্ধনধারী চাকরিপ্রার্থীরা নিয়োগ পেতে অনলাইনে আবেদন করেন। একজন চাকরিপ্রার্থী ইচ্ছেমতো (যত ইচ্ছে তত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে) আবেদন করতে পেরেছেন। আর আবেদনের ফল প্রকাশের ক্ষেত্রে হাজার হাজার প্রার্থী বিপত্তির শিকার হয়েছেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কোনো প্রার্থী একাধিকয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন করে কোথাও নিয়োগের সুযোগ পাননি। কিন্তু অনেক চাকরিপ্রার্থী ১০টিরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। একাধিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও তারা মাত্র একটিতেই যোগদান করেছিলেন।

এমন অব্যবস্থাপনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের পদ শূন্য থাকলেও বেকাররা এ ক্ষেত্রে নিয়োগের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন। এনটিআরসিএর এমন নিয়োগবিধির কারণে ২০১৬ সালে একদিকে যেমন কপাল পুড়েছে চাকরি না পেয়ে হন্যে হওয়া লক্ষাধিক বেকারের, তেমনি এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষকেও পড়তে হয়েছিল বিপাকে। এক নিয়োগ সম্পন্ন করতেই তাদের দফায় দফায় আবেদনের সুযোগ দিতে হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নানা অসঙ্গতি দেখিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা দফায় দফায় হাই কোর্টে রিট করেছিলেন। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এনটিআরসিএর নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এমন কোনো বিপত্তি দেখা দেবে না এমনটাই মনে করছে কর্তৃপক্ষের।

এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান এএমএম আজহার বলেন, প্রথমবার কেন্দ্রীয় পদ্ধতিতে নিয়োগ দিতে গিয়ে বেশ কিছু সমস্যা দেখা গিয়েছিল। এবার সেগুলো শুধরে নেয়া হচ্ছে। আশা করছি, ভবিষ্যতে চাকরিপ্রার্থীদের আগের মতো সমস্যায় পড়তে হবে না।

তিনি বলেন, মোবাইল অপারেটর টেলিটকের মাধ্যমে শিগগিরই আবেদনের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। একজন চাকরিপ্রার্থী নিয়োগের ক্ষেত্রে পিএসসির আদলে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চয়েস দিতে পারবেন। তবে ফলাফলে তাকে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই নিয়োগের জন্য মনোনীত করা হবে। ফলে প্রার্থীদের হতাশার কিছু নেই। একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে ডিজিটালাইজড পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলেও তিনি জানান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বর্তমানে শিক্ষকদের শূন্য পদের তালিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ তালিকা ধরেই জারি করা হবে শিক্ষক নিয়োগের গণবিজ্ঞপ্তি।

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর