রবিবার ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১৬:৪৩ পিএম

Sonargaon University Dhaka Bangladesh
University of Global Village (UGV)

চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা না বাড়লে কঠোর আন্দোলন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪:৪৮, ৩১ মার্চ ২০১৮   আপডেট: ২০:১২, ১ এপ্রিল ২০১৮

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার দাবিতে শনিবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর শাহবাগ চত্ত্বরে  মহাসমাবেশ করেছে আন্দোলনকারীরা। ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদ’ এর ব্যানারে চাকরিপ্রার্থীরা এ মহাসমাবেশের আয়োজন করে।

মহাসমাবেশ থেকে সাধারণ ছাত্রদের সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে সরকারের কাছে জোর দাবি জানানো হয়। দ্রুতই দাবি পূরণ না হলে সারাদেশে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন সংগঠনের নেতারা।

মহাসমাবেশে বেশ ‍কিছু ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হয়। চাকরি প্রার্থীরা ভিক্ষুক সেজে সবার কাছে যায়। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদিক্ষন করে আবারও শাহাবাগে এসে শেষ হয়। 

পরবর্তী কর্মসূচী 
১৬-০৪-২০১৮খ্রিস্টাব্দ
প্রতীকি রিক্সা চালানো,স্থান - শাহবাগ থেকে প্রেসক্লাব, সময় - সকাল ১০টায় ।
২১-০৪-২০১৮ খ্রিস্টাব্দ
মোমবাতি প্রজ্জ্বলন, স্থান -শাহবাগ, সময়-সন্ধ্যা ৬টায় ।
২৮-০৪-২০১৮ খ্রিস্টাব্দ
মশাল মিছিল, স্থান-শাহবাগ, সময়-সন্ধ্যা ৬টায়।

আন্দোলন কর্মসূচিতে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের বক্তব্য, গড় আয়ু যখন ৪৫ বছর ছিল, তখন চাকরিতে প্রবেশের বয়স ছিল ২৭ বছর, যখন ৫০ বছর ছাড়ালো, তখন প্রবেশের বয়স ৩০ হলো। বর্তমানে গড় আয়ু ৭১ হলে চাকরিতে প্রবেশের বয়স কত হওয়া উচিত? ২২ লাখ চাকরিজীবীর বেতন তুলনামূলক হারে বাড়িয়ে পাশাপাশি ২২ লাখ শিক্ষিত বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করলে এবং অবসরের বয়স ২ বছর না বাড়িয়ে সুযোগ করে দিলে কী এমন ক্ষতি হতো?

চাকরি প্রত্যাশীদের অভিযোগ, পড়াশোনা পদ্ধতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজগুলোয় সেশনজটের কারণে ছাত্রজীবনের একটা বড় সময় নষ্ট হয়ে যায়। স্নাতক পাশ করতে করতে বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেওয়া হয়ে উঠে না অনেকের। আবার প্রস্তুতি নিতে নিতেই সময় শেষ হয়ে যায়। এ কারণে সরকারি চাকরিতে ঢোকার বয়স ৩৫ করার দাবি জানিয়ে আসছে তারা।

এর আগে গত ১০ মার্চ আন্দোলনকারী সকাল সাড়ে দশটা থেকে শাহবাগ জাদুঘরের সামনে অবস্থান নেয়।  বেলা ১১টার দিকে দুই শতাধিক আন্দোলনকারী সেখানে অবস্থান নেন। প্রায় এক ঘণ্টা তাঁরা সেখানে থেকে ওই দাবিতে স্লোগান দেন। একপর্যায়ে তাঁরা সেখান থেকে বাংলামোটরের দিকে মিছিল নিয়ে যেতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। তাঁরা বাধা উপেক্ষা করতে গেলে পুলিশ তাতে লাঠিপেটা করে। এ সময় পুলিশের পিটুনি ঠেকাতে নারী আন্দোলনকারীরা সামনে এলে পুলিশ তাঁদেরও পিটুনি দেয়। এ সময় পুলিশ কয়েকজনকে ধরে নিয়ে যায়। পুলিশ পরে তাদের ছেড়ে দিলেও এরপর থেকেই চাকরি প্রার্থীদের আন্দোলন আরো বেগবান হয়। 

 

শিক্ষার সব সংবাদ সবার আগে পেতে যুক্ত থাকুন  এডুকেশন বাংলা সাথে

 যু্ক্ত থাকতে ফেসবুকে www.facebook.com/EducationBGD লাইক দিন

 আর সংবাদ পাঠাতে পারেন educationbd247@gmail.com

 

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর