মঙ্গলবার ১৬ জুলাই, ২০১৯ ০:৩৮ এএম


চতুর্থ থেকে স্নাতকের ইংরেজি দ্বিতীয়পত্রের ভুল সংশোধনে রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩:০৫, ২৫ জুন ২০১৯   আপডেট: ১৬:৪৩, ২৫ জুন ২০১৯

দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর চতুর্থ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত ইংরেজি দ্বিতীয়পত্রের পাঠ্যবইয়ের মধ্যে মৌলিক ভুলের সংশোধন ও ভুল বই সংশোধন না করার পর্যন্ত এসব বই বিক্রি বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে রিট করা হয়েছে।

পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে মঙ্গলবার (২৫ জুন) জনস্বার্থে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন অ্যাডভোকেট মো. তানভীর আহমেদ। রিট দায়ের করার বিষয়টি সাংবাদিকদের তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন।

রিটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলা একাডেমি, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষসহ সাতজনকে বিবাদী করা হয়েছে। রিটটি হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে শুনানি হতে পারে বলেও জানান রিটকারী আইনজীবী।

রিটের বিষয়ে তিনি জানান, দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক এবং স্নাতক শ্রেণিতে বিভিন্ন লেখকের বা প্রকাশকের পুস্তক অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অথবা কোনো একজন সুনির্দিষ্ট লেখক বা প্রকাশকের বই পাঠ্যপুস্তক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এসব বইয়ের ইংরেজি গ্রামারে মৌলিক ভুল দেখা যায়। আমরা ওইসব ভুল সংশোধন এবং সংশ্লিষ্ট বইয়ের সংশোধন না করা পর্যন্ত তা শিক্ষার্থীদের কাছে যাতে না যায় সেই নির্দেশনা চেয়েছি।

তিনি বলেন, নাউন, প্রনাউনসহ বেসিক গ্রামারেও ভুল তথ্য রয়েছে। উদাহরণ টেনে তিনি জানান, যেমন (ডু, ডিট, ডান) এখানে (ইডি, আইএনজি) কখন কিভাবে যোগ করতে হবে তাও সঠিকভাবে হয়নি। তাই চতুর্থ শ্রেণি থেকে স্নাতক শ্রেণি পর্যন্ত এসব ভুল তুলে ধরে রিট করা হয়েছে।

গত অক্টোবরে পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণকারী, প্রকাশক, বিতরণকারী, পাইকারী ও খুচরা বিক্রেতা ভুল তথ্য দিলে বা তাদের দেওয়া প্রতিবেদনে প্রদত্ত তথ্যে কোনো অসঙ্গতি পাওয়া গেলে তিন বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন -এমন বিধান রেখে জাতীয় সংসদে ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বিল-২০১৮’ পাস হয়েছে। এছাড়া বোর্ড অনুমোদিত বই ছাড়া কোনো বিদ্যালয়ে অন্য বই পাঠ্যপুস্তক হিসেবে নির্ধারণ করতে পারবে না মর্মে বিলে বিধান রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রণীত প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যবইয়ে ত্রুটি ও অসঙ্গতির জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। এছাড়া ভুল-ত্রুটি সম্পর্কিত সার্বিক অবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষার করার জন্য সংসদীয় সাব-কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সভাপতি মো. মোতাহার হোসেন সভাপতিত্বে সদস্য আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন, সামশুল হক চৌধুরী, মো. নজরুল ইসলাম বাবু, মো. আবুল কালাম, আলী আজম, মোহাম্মদ ইলিয়াছ ও উম্মে রাজিয়া কাজল অংশগ্রহণ করেন।

এডুকেশন বাংলা/একে

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর