বৃহস্পতিবার ০১ অক্টোবর, ২০২০ ০:১৬ এএম


গভীর শ্রদ্ধায় মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিতে জাতীয় শোক দিবস পালন

প্রকাশিত: ১৯:১৫, ১৫ আগস্ট ২০২০  

গভীর শ্রদ্ধা আর যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি। বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, স্মারক বৃক্ষরোপণ, দোয়া মাহফিল, ভার্চুয়াল আলোচনা সভা প্রভৃতি কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়। কর্মসূচি পালনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা হয়।

বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শনিবার শহরতলির বটেশ্বরস্থ মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডসহ সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীগণ কালো ব্যাজ ধারণ করেন। সকাল ১১টায় ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক ভবনের সামনে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এছাড়া ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম জুমের মাধ্যমে হয় আলোচনা সভা।


সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান তানভীর এমও রহমান চৌধুরী, উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সালেহ উদ্দিন, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শিব প্রসাদ সেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সুরেশ রঞ্জন বসাকসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। জাতীয় শোকদিবস পালন কমিটির আহবায়ক এবং ব্যবসা প্রশাসন ও অর্থনীতি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. তাহের বিল্লাল খলিফা সভায় সভাপতিত্ব করেন।


সভায় ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী বলেন, ‘বাংলা, বাঙালি, বাংলাদেশ আর বঙ্গবন্ধুকে আলাদা করা সম্ভব নয়। জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের যে ত্যাগের ইতিহাস, তা নতুন প্রজন্মকে জানতে হবে, জানাতে হবে। বঙ্গবন্ধু যে আজীবন মানুষের অধিকারের জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য লড়াই করেছেন, সেই গৌরবের ইতিহাস সঠিকভাবে তুলে ধরতে হবে। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক যথাযথ গবেষণারও প্রয়োজন রয়েছে।’


উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সালেহ উদ্দিন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না। বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত আদর্শ, নীতি অনুসরণ ও লালন করতে হবে।’
তানভীর এমও রহমান চৌধুরী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে হলে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে দেশের জন্য কাজ করতে হবে। সবার ছোট ছোট অবদানে একদিন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে ওঠবে।’


এদিকে, জোহরের পরে বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু ও ১৫ই আগস্টের সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচির অনুসারে শোক দিবসের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে নিজ নিজ ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট দেন ছয়টি বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ।
পালিত কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যগণ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধানগণ, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।



সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর