বৃহস্পতিবার ০৯ এপ্রিল, ২০২০ ২৩:১২ পিএম


খসড়া আইনের যে ধারা-উপধারা পরিবর্তন চান প্রকাশকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০০:৫২, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১১:১৭, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০

দেশের শিক্ষার মান ধরে রাখতে শিক্ষা আইনের কয়েকটি ধারা-উপধারায় পরিবর্তন চান প্রকাশকরা। পরিমার্জিত শিক্ষা আইন-২০১৯ এর খসড়া ২(১১) “নোট ও গাইড বই” অর্থ যে পুস্তকসমূহে পাঠ্যপুস্তকের বিষয়বস্তুর আলোকে বিভিন্ন পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্নাবলি উত্তর লিপিবদ্ধ থাকে, যাহা বাণিজ্যিকভাবে বিক্রয় করা হয়।

এই ধারায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি ২(১১) ‘নোট-গাইড বই’ অর্থ যে পুস্তকসমূহে পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (ঘঈঞই) পাঠ্যপুস্তকে প্রদত্ত প্রশ্নাবলির উত্তর লিপিবদ্ধ থাকে, যাহা বাণিজ্যিকভাবে বিক্রয় করা হয়। ‘অনুশীলনমূলক বই’ অর্থ যে পুস্তকসমূহে পাঠ্যপুস্তকের বিষয়বস্তুর ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ এবং পর্যাপ্ত নমুনা প্রশ্ন ও উত্তর কিংবা টেক্সট লিপিবদ্ধ থাকে, যাহার অনুশীলন শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জনে সহায়ক হয়।

খসড়া আইনের ১৬(১) ধারায় বলা আছে কোন ধরনের নোট বই বা গাইড বই মুদ্রণ, বাধাই, প্রকাশ বা বাজারজাত করা যাইবে না। ১৬(২) উপ-ধারা (১) এর বিধানের লংঘন করিয়া কেহ কোনো কার্য করিলে তিনি অনুর্ধ¡ তিন বৎসর কারাদণ্ড বা অনুর্ধ¡ পাচ লক্ষ টাকা অর্থ বা উভয় দণ্ডনীয় হবেন। ১৬(৩) কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষক শিক্ষার্থীদের নোট বই, গাইড বই ক্রয় বা পাঠে বাধ্য করিলে বা উৎসাহ প্রদান করিলে উহা অসাদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে, এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, ব্যবস্থাপনা কমিটি বা পরিচালনা কমিটির সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক এখতিয়ারে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে।

এই ধারায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি ১৬(১) কোন ধরনের নোট বই বা গাইড বই মুদ্রণ, বাঁধাই, প্রকাশ বা বাজারজাত করা যাইবে না। তবে যদি তা নোট-গাইড না হয়ে এমন হয় যাহা অনুশীলনের মাধ্যমে জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি পায় অথবা যাহা শিক্ষা সহায়ক সাপ্লিমেন্টারি টেক্সট বই বা অনুশীলনীমূলক বই, তাহা প্রকাশ করা যাইবে। উপ ধারা ১৬(৪) নতুন যুক্ত করতে হবে জ্ঞান অর্জনে সহায়ক যে কোন অনুশীলনমূলক শিক্ষা উপকরণ বা বই-এর জন্য ২নং উপধারা প্রযোজ্য হইবে না।

শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ ধারাগুলো সংশোধন ও পরিমাজর্রনের দাবি জানানো হয়।

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর