মঙ্গলবার ২৩ এপ্রিল, ২০১৯ ০:১৪ এএম


কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে রাজধানীর ২৪ সরকারি স্কুলের ৫২২ শিক্ষক জড়িত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩:৫০, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

রাজধানীর ২৪ সরকারি স্কুলের ৫২২ শিক্ষক জড়িত কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে। দুর্নীতি দমন কমিশন এসব শিক্ষককে চিহ্নিতও করেছে। মন্ত্রণালয়ে এসব শিক্ষককে বদলির সুপারিশও করে। এ ছাড়া মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতিমুক্ত করতে দুদকের ৬ সুপারিশের একটিও বাস্তবায়ন করেনি মন্ত্রণালয়। অবশ্য এর মধ্যে ২৫ জন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু নানা তদবিরে এ আদেশও বাস্তবায়ন হয়নি।

দুদক এক প্রতিবেদনে বলেছে, ওই শিক্ষকরা ১০ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৩৩ বছর পর্যন্ত একই স্কুলে রয়েছেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে কোচিং বাণিজ্য করে অর্থ উপার্জন করছেন। এছাড়াও শিক্ষা প্রশাসনে বদলি বাণিজ্য, অনিয়ম-দুর্নীতি, কেনাকাটায় কমিশন, হয়রানি, অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণের সঙ্গে ওপেন সিক্রেট হিসেবে জড়িতদের বদলির সুপারিশ করে সংস্থাটি।
অন্য কোন সুপারিশও বাস্তবায়ন করেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

কর্মকর্তারা বলছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি চক্রের বিরুদ্ধে গত কয়েক বছর ধরেই কমিশন বাণিজ্য, ঘুষ-বাণিজ্যের অভিযোগ ‘ওপেন সিক্রেট’। এমপিওভুক্তি, সরকারি স্কুল-কলেজে বদলি-পদায়ন, জাতীয়করণের কাজ, পদোন্নতিতে ওপেন লেনদেন হয়। অবস্থা এমন পর্যায়ে যায় যে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ঘুষের ব্যাপকতা বুঝাতে গিয়ে কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, আপনারা ঘুষ খাবেন, কিন্তু সহনশীল হয়ে খাবেন। শিক্ষার এমন বেহাল অবস্থা পরিবর্তনের উদ্যোগ নেয় দুদক। গত বছর শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ৩৯ দফা সুপারিশ পাঠায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)। এর মধ্যে বিতর্কিত কর্মকর্তাদের বদলিসহ ৬টি বিশেষ সুপারিশ ছিল সংস্থাটির পক্ষ থেকে। এর মধ্যে কোচিংবাজ শিক্ষকদের ঢাকার বাইরে বদলি, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফাইল অনিষ্পত্তি, ফাইল আটকে দুর্নীতি করেন এমন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তালিকা তৈরি করে ব্যবস্থা, প্রশাসনের প্রধান বা গ্রেড-৩ থেকে গ্রেড-১ পর্যন্ত পদগুলো ছাড়া অন্যান্য পদের বদলি, বিভিন্ন প্রকল্পের কেনাকাটার সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দেয়া, গাড়ি অপব্যবহার বন্ধ ও অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ এবং প্রশিক্ষণের নামে অর্থ ব্যয়ে অনিয়ম দূর করা।

সূত্র মতে, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের আমলনামা মন্ত্রণালয়ের হাতে ইতিমধ্যে পৌঁছেছে। সেই তালিকা বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরেফিরে একই কর্মকর্তারা দেড় যুগের বেশি সময় থাকাসহ নানা ধরনের অনিয়মের ভয়াবহ চিত্র পাওয়া গেছে। শিক্ষা স্বাস্থ্যসহ সেবাখাতে দুর্নীতির সিন্ডিকেট ভাঙার কাজ শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। দুদকের এমন তৎপরতায় আতঙ্ক বিরাজ করছে শিক্ষা প্রশাসনেও।

মন্ত্রণালয়ে কর্মমর্তারা জানান, নির্বাচনকালীন সময় সরকারি কর্মকর্তাদের বদলির ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ওই সময় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পদসহ শিক্ষা প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি পদে পদায়ন দিয়ে যান সাবেক শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষা ক্যাডারে সর্বোচ্চ পদ মাউশির মহাপরিচালকের পদটিতে নির্বাচনকালীন সময় নিয়োগ পেয়েছেন প্রফেসর সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক। তিনি ১৪তম বিসিএসের শিক্ষক। পরবর্তীতে ১০% কোটায় অধ্যাপক হন। মহাপরিচালক পদটি শিক্ষা ক্যাডারের তৃতীয় গ্রেড থেকে দেয়া হলেও সিনিয়রিটির আইন মানা হয়নি। শিক্ষা ক্যাডারে ৩য় গ্রেডে থাকা ৩৮জন কর্মকর্তার মধ্যে ২৪ জনকে ডিঙিয়ে ১৪ ব্যাচের জুনিয়র এক কর্মকর্তাকে ডিজি করা হয়। তার আগে ৭ম বিসিএসের ১৬ জন, ৮ ব্যাচের ১ জন, ৯ম ব্যাচের ৫ জন, ১০ম ও ১৩তম ব্যাচের ১জন করে মোট ২৪জন রয়েছে। জুনিয়রকে মহাপরিচালক করায় সিনিয়রদের মধ্যে এক ধরনের অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। এছাড়াও তিনি লিয়েনে সৌদি আরবে কিং খালিদ বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন চাকরি করলেও তা বিধিবহির্ভূতভাবে সার্ভিসে যোগ করে তৃতীয় গ্রেড ভাগিয়ে নেন। নভেম্বর মাসে নিয়োগ পাওয়ার পর অফিসের চেয়ে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সম্মানি পাওয়া যায় এমন প্রোগ্রামের দিকে মনোযোগ বেশি তার। একই অর্ডারে নিয়োগ পান পরির্দশন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (ডিআইএ) পরিচালক প্রফেসর মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।

সেসিপসহ বিভিন্ন প্রকল্পে দীর্ঘদিন ধরে থাকা এ কর্মকর্তা বিনিয়োগ করে এ দপ্তরে এসেছেন বলে চাউর রয়েছে। নির্বাচনকালীন সময় যখন বদলি বন্ধ এই সময় তখনই ডিআইএর মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় তাকে পদায়ন করা হয়। ২০১৬ সালে তাকে বরিশালে বদলি করা হলে সেখানে যোগ না দিয়ে সাতদিনের মধ্যে ঢাকায় পদায়ণ নিয়ে আসেন। গত নভেম্বর মাসে ডিআইএ-তে আসার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অডিট বন্ধ করে রেখেছেন তিনি। অডিটে পাঠানোর আগে ‘ট্যুর বাণিজ্যে’ না হওয়ায় তিনি তা বন্ধ রেখেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিন মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অডিট যাওয়ার সর্বনিম্ন রেকর্ড করেছেন দপ্তরটি। নির্বাচনকালীন সময় এনসিটিবির বিতর্কিত কর্মকর্তা সৈয়দ মইনুল হাসানকে মাউশিতে বিশেষ উপ-পরিচালক পদে পদায়ন করা হয়। সহযোগী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাওয়ার পর একই পদে পদায়ন করা হয় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সচিব শাহেদুল খবির চৌধুরীকে। তিনিও জুনিয়র হয়ে সিনিয়র পদ আঁকড়ে রাখার জন্য অভিযুক্ত।

শিক্ষা ক্যাডারে জুনিয়র হয়েও সিনিয়র পদ এবং সিনিয়র হয়েও জুনিয়র পদ আঁকড়ে রাখার প্রবণতা দীর্ঘদিনের। সম্প্রতি এ প্রবণতা ব্যাপক হারে বেড়ে গেছে। নায়েমের ডিজি পদটি শিক্ষা ক্যাডারে দ্বিতীয় গ্রেডের। নির্বাচনকালীন সময় নিয়োগ পেয়েছেন ডিআইএর সাবেক পরিচালক প্রফেসর আহমেদ সাজ্জাদ রশিদ। তিনি চর্তুথ গ্রেডে কর্মকর্তা হয়ে দ্বিতীয় গ্রেডের পদে আসীন হয়েছেন। একই অবস্থা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান প্রফেসর নারায়ণ চন্দ্র সাহার ক্ষেত্রে। তিনি দ্বিতীয় গ্রেডের পদে বসে আসেন চর্তুথ গ্রেডের কর্মকর্তা হয়ে। মাউশির কলেজ শাখার উপ-পরিচালক প্রফেসর ড. প্রবীর কুমার ভট্টাচার্য্য ২০১৮ সালে অধ্যাপক হয়েছেন।

তিনি প্রফেসর হয়ে নিচের পদ মূলত সহযোগী অধ্যাপকের পদে বসে আছেন। জুনিয়র হয়েও সিনিয়র পদ আঁকড়ে রেখেছেন সেসিপের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ড. সামসুন নাহার। তিনি ২০১৪ সালে অধ্যাপক পদোন্নতি পাওয়ার পরও সহযোগী অধ্যাপকের পদ ধরে রেখেছেন। সেসিপের উপ-পরিচালক (বৃত্তি) পদে আছেন শিক্ষা ক্যাডারের সাবেক বিতর্কিত কর্মকর্তা ফারহানা হকের স্বামী সাইফুল ইসলাম চৌধুরী। তিনিও ২০১৬ সালে অধ্যাপক পদোন্নতি পাওয়ার পর নিচের পদ সহযোগী অধ্যাপক পদ আঁকড়ে রেখেছেন। আইন শাখার শিক্ষা অফিসার (আইন-১) পদটি প্রভাষকদের। কিন্তু সহকারী অধ্যাপক হয়েও নিম্নপদে মু. আবুল কাসেম রয়েছেন ২০০৬ সাল থেকে। একইভাবে সহকারী অধ্যাপক হয়েও মো. আল আমিন সরকার নিম্নপদে শিক্ষা অফিসার (আইন-২) পদে রয়েছেন। এছাড়াও ১০টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে দিনাজপুর বোর্ডের চেয়ারম্যান ছাড়া বাকিরা সবাই আত্তীকৃত হওয়া শিক্ষক। এর মধ্যে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান নানা কারণে বিতর্কিত। তিনি সহযোগী অধ্যাপক পদে থাকা অবস্থায় রেজিস্ট্রার এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পদে বসে যান। সাবেক শিক্ষাসচিব নজরুল ইসলাম খান তাকে অপসারণ করতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর বাসায় তোপের মুখে পড়েন। এই চেয়ারম্যানের অধ্যাপক পদে পদোন্নতি নিয়ে নানা জালিয়াতি রয়েছে।
বিতর্কিতদের তালিকার শীর্ষে রয়েছেন প্রশিক্ষণ শাখার সহকারী পরিচালক (প্রশি:-২) নিগার সুলতানা পারভীন। প্রভাব খাটিয়ে এক বছরে তিনি ১০টি বিদেশ ট্যুর ভাগিয়ে নেন। মন্ত্রী পর্যায়ে রদবদল হওয়ার পর তিনি অফিস করা বন্ধ করে দিয়েছেন। নতুন মন্ত্রিসভায় ঘোষণার পর অসুস্থতার কথা বলে অফিসে অনুপস্থিত রয়েছেন।

এ শাখার আরেক কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস। পুলিশের সাবেক এ সাব ইন্সপেক্টর অফিসে লোকজনের সঙ্গে সব সময় খারাপ ব্যবহার করেন। সম্প্রতি সরকার বিরোধী কথাবার্তা বলায় তাকে সতর্ক করা হয় মাউশি থেকে। একই শাখার পরিচালক প্রফেসর আবদুল মালেক একটি দলের প্রতিষ্ঠাতাকে নিয়ে থিসিস লেখায় তাকে শোকজ করা হয়। সম্প্রতি তার আমলনামার একটি চিঠি সবার টেবিলে টেবিলে ভাইরাল হয়েছে। এ ছাড়াও মাউশি প্রশাসন শাখার সহকারী পরিচালকের বিরুদ্ধে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলিতে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। মাউশি অধিদপ্তরে কয়েকজন নারী কর্মকর্তার একটি গ্রুপ রয়েছে। এর নেতৃত্বে রয়েছেন প্রশিক্ষণ শাখার একজন সহকারী পরিচালক। এর আগে শারমিন নামে এক নারীর প্রভাবে অস্থির ছিল মাউশি। গুরুতর অভিযোগে তাকে বদলি করা হলেও এখন নতুন কয়েকজন সেই জায়গা দখল করেছেন। তারা গত কয়েক বছরে বদলিতে বড় ভূমিকা রাখছেন। এসব নারী কর্মকর্তাদের আশ্রয় দাতা হিসেবে পরিচিত কামাল হায়দার। বিতর্কিত ২৯জন কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে একসঙ্গে বদলি করা হলেও তিনি থেকে যান ঢাকায়। এ কর্মকর্তাকে কিছুদিন আগে তিতুমীর কলেজে বদলি করা হয়েছে। মাউশির নারী কর্মকর্তাদের মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়া এবং তার সঙ্গে বিভিন্ন দেশে ভ্রমণে ঠিকাদারি করতেন তিনি।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক প্রীতিশ কুমার সরকার। এনসিটিবিতে নানা কেনাকাটা হস্তক্ষেপ, দুর্নীতি, পাঠ্যবই বিতর্কিত লোকদের দিয়ে সম্পাদনা করার দায়ে এনসিটিবি থেকে অপসারিত হন তিনি। দীর্ঘদিন মাউশিতে ওএসডি থাকার পর পোস্টিং দেয়া হয় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শকের মতো জায়গায়। পাঠ্যবইয়ে মুক্তিযুদ্ধে ইতিহাস বিকৃতি ও নানা ভুলের কারণে দায়ী আলোচিত কর্মকর্তা রেবেকা সুলতানাকে অনেকটা ফাইজ পোস্টিং দেয়া হয় রাজধানীর সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে। সেখানে বসে তিনি প্রভাব বিস্তার করছেন। তার স্বামীকে মানিকগঞ্জ কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে সম্প্রতি বদলি করিয়ে এনেছেন। একই অভিযোগে অভিযুক্ত জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে (এনসিটিবি) সাবেক সদস্য (প্রাথমিক) প্রফেসর আবদুল মান্নান। বর্তমানে তিনি মাউশির মাধ্যমিক শাখার পরিচালক। এনসিটিবিতে থাকাকালে পাঠ্যবইয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি, ছাগলকে গাছে চড়ানো, বইয়ে বানান ভুলসহ বিভিন্ন অভিযোগের দায়ে তাকে অভিযুক্ত করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটির সুপারিশে তাকে ঝিনাইদহ কে সি কলেজে বদলি করা হয়। কয়েক মাসের ব্যবধানে তাকে মাউশির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শাখা মাধ্যমিকে বদলি করা হয়। এ শাখার বিরুদ্ধে স্কুলের শিক্ষকদের বদলি এমপিও পেয়ে দিতে নানা ধরনের আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। চলতি মাসে শিক্ষা সচিবের নাম ব্যবহার করে রাজধানীর একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক পদে বদলির ঘটনায় তিনি অভিযুক্ত হয়েছেন। বিভাগীয় মামলা থাকার পরও একজন শিক্ষককে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ একটি স্কুলে বদলি করায় দায়ে তার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক মীর মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন শিবলী বলেন, আমরা সুপারিশ করেছি, বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের। কেন বাস্তাবায়ন হয়নি তা ফলোআপ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, চলতি বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কোচিং বন্ধের ব্যাপারে হাইকোর্ট একটি নির্দেশনা দিয়েছেন। এখন এসব কোচিংবাজ শিক্ষকদের ধরতে ফের অভিযান চালানো হবে বলেও জানান তিনি।

সৌজন্যে: মানব জমিন

এডুকেশন বাংলা/এজেড

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর