রবিবার ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ৩:৫০ এএম


কোচিং করানোর দায়ে শিক্ষিকার অর্থদণ্ড

বগুড়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৮:৫০, ১৩ নভেম্বর ২০১৯  

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের কোচিং করানোর দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এক শিক্ষিকাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন। বুধবার ( ১৩ অক্টোবর) সকালে সারিয়াকান্দি উপজেলার ফুলবাড়ি গমির উদ্দিন বহুমুখী স্কুল অ্যান্ড কলেজে জেএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা উপলক্ষে ২৫ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত টানা ২২ দিন দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।


ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাসেল মিয়া। আর দণ্ডিত শিক্ষকের নাম মোছা. মমতাজ বেগম। তিনি ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্কুল শাখার ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, বুধবার ছিল জেএসসির বিজ্ঞান বিষয়ক পরীক্ষা। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা গ্রহণের লক্ষ্যে সকাল আটটা থেকে পরীক্ষা কেন্দ্র এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেন সারিয়াকান্দি উপজেলার ইউএনও । কিন্তু ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে কেন্দ্রের একটি কক্ষে কোচিং করাচ্ছিলেন সহকারী শিক্ষক মমতাজ বেগম। এ খবর পেয়ে সকাল পৌনে দশটার দিকে সেখানে পুলিশ নিয়ে ইউএনও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মমতাজ বেগমকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেন।

সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল মিয়া বলেন, ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে পরীক্ষা কেন্দ্রে কোচিং করানো এবং সুষ্ঠু পরীক্ষা গ্রহণে বাধা দেওয়ায় আইন অনুযায়ী শিক্ষিকা মমতাজ বেগমকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

ফুলবাড়ি গমির উদ্দিন বহুমুখী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোকছেদুল আলম বলেন, বিধিভঙ্গ করে বিদ্যালয় চলাকালে শিক্ষার্থীদের কোচিং না করানোর জন্য ওই শিক্ষককে একাধিকবার মৌখিকভাবে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি কাউকে এত দিন পাত্তা দেননি।

মমতাজ বেগম বলেন, ক্লাস বসার আগে বা পরে নিজ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ানোতে আইনগত কোনো বাধা নেই। নিয়ম মেনেই তিনি পরীক্ষা শুরুর আগে শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়েছেন। কিন্তু পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে শিক্ষার্থীরা বের হতে দেরি করার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত অর্থদণ্ড করেছে।

এডুকেশন বাংলা / এসআই

 

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর