বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৪:৫৬ পিএম


কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার ৫০ শতাংশে উন্নীত করা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২:৪২, ৭ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১৮:০৩, ৮ আগস্ট ২০২০

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব হবে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের বিপ্লব। যেখানে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপনের সাথে একান্ত সঙ্গী হয়ে যাবে প্রযুক্তি। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব আমাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। এ শিল্প বিপ্লবের ফলে গতানুগতিক অনেক চাকরি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। আবার চাকরি ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। এই চ্যালেঞ্জকে আমরা একটি সম্ভাবনায় পরিণত করতে চাই। এজন্য আমাদেরকে প্রযুক্তি নির্ভর দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হবে। আর এ লক্ষ্যে ২০৫০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার ৫০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট) কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আয়োজনে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সফল অংশীদার হতে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব শীর্ষক এক অনলাইন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।


সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান প্রমুখ।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নেয়ার দক্ষতা অর্জন করতে হবে। জীবনব্যাপী শিখতে শিখাই হবে আমাদের প্রধানতম দক্ষতা।

শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব আমাদের জন্য অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। আর এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদের জনশক্তিকে প্রয়োজনে রিস্কিলিং ও আপস্কিলিং করার প্রয়োজন হতে পারে। এজন্য আমরা বিভিন্ন রকম শর্ট কোর্স চালু করতে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, সবার জন্য কারিগরি শিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে কাজ করছে সরকার।

সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ফলে ইনকাম বৈষম্য তৈরি হবে। কিছু লোক অল্প সময়ে প্রযুক্তিগত দক্ষতার কারণে অনেক বেশি আয় করবে আর অন্যদিকে কিছু লোক দীর্ঘসময় পরিশ্রম করে ও কোনো রকমে জীবিকা নির্বাহ করবে। তাই শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী কারিকুলাম পরিবর্তন করতে হবে।

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর