শুক্রবার ০৭ আগস্ট, ২০২০ ২১:২৬ পিএম


কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী

প্রকাশিত: ০৯:৫৩, ৩ ডিসেম্বর ২০১৯  

শিক্ষা কেবল জ্ঞাননির্ভর হলে হবে না। অর্জিত শিক্ষা বাস্তবে প্রতিফলিত করার পরিকল্পনাও থাকতে হবে। চিন্তাশক্তি ও কল্পনাশক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে শিক্ষাকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। কারিগরি শিক্ষার সঙ্গে কর্মমুখী শিক্ষার নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু কোন স্তরে গিয়ে এই কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থার প্রচলন করা যায়, সেটি নিয়ে আমাদের তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য গবেষণা নেই। হার্ভার্ড গ্র্যাজুয়েট স্কুল অব এডুকেশনের অধ্যাপক ননিয়েলেসাউক্স ওস্তেফানিয়েজোন্স ও এই ধরনের অন্য গবেষণাগুলো শৈশবকাল থেকেই বিজ্ঞানমুখী কারিগরি শিক্ষার বাস্তবায়নের কথা বলেছে।

এই কারিগরি জ্ঞান খুব সহজভাবে শেখানোর কৌশল গ্রহণ করতে হবে। এর সঙ্গে এই শিক্ষা যাতে জীবনসম্পৃক্ত ও আনন্দের অনুসর্গ হতে পারে, সে বিষয়টি নিয়েও ভাবতে হবে। যেমন শিশুদের কাগজ দিয়ে উড়োজাহাজ, নৌকা, ফুল, পাখি তৈরিসহ এই ধরনের ছোট ছোট বাস্তবমুখী ও সৃজনশীল কাজ শেখানো যায়। শিশুরা যত বড় হতে থাকবে ও এক শিক্ষাস্তর থেকে আরেক শিক্ষাস্তরে যাবে, তখন তাদের হাতে-কলমে কারিগরি জ্ঞান দেওয়া যেতে পারে। কয়েকটি কাঠের টুকরো দিয়ে কীভাবে গাড়ি বানানো যায়, বাড়িঘর তৈরি করা যায়, চুম্বকের উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরুর বিভিন্ন কৌশলের মাধ্যমে বিজ্ঞানকে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, ছোট ছোট ইলেকট্রিক সার্কিট তৈরি করে খেলনা ফ্যান, বৈদ্যুতিক বাতি তৈরি করা যায়, তা শেখানো যেতে পারে। এভাবে ক্রমান্বয়ে কারিগরি শিক্ষাকে সৃষ্টিশীল ও আনন্দদায়ক করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই ধরনের শিক্ষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করা যায়। আমাদের দেশে জনসংখ্যাকে একসময় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও বর্তমানে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে জনসংখ্যাকে জনসম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরের জন্য কারিগরি শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।

এই লক্ষ্যে ২০১৯ সাল থেকে দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য বাধ্যতামূলক কারিগরি শিক্ষা চালুর কথা বলা হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত এটি বাস্তবায়ন করা যায়নি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এ ধরনের শিক্ষাব্যবস্থা চালু করার আগে এর অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ শিক্ষা উপকরণের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। পৃথিবীর উন্নত দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় কর্মমুখী শিক্ষাকে কীভাবে সম্পৃক্ত করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, সেগুলো নিয়ে ভাবতে হবে। এই কারিগরি শিক্ষা কেমন হলে বিশ্ববাজারে আমাদের জনশক্তি জনসম্পদের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে, তা নিয়ে বিচার-বিশ্লেষণ করে দেখতে হবে। আমাদের দেশে প্রচলিত কারিগরি শিক্ষা বাস্তবিকই সময় ও যুগের চাহিদা মেটাতে পারছে কিনা, সেটি নিয়ে সভা-সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কনফারেন্সসহ বিভিন্ন স্তরে আলোচনা হতে পারে। ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুরসহ অন্যান্য প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এ বিষয়ে কাজ করতে পারে। আরেকটি বিষয় আমাদের ভাবতে হবে, কারিগরি শিক্ষায় যারা শিক্ষিত হচ্ছেন তারা কাজ করার ক্ষেত্রে দক্ষ হয়ে উঠছেন কিনা। এ ক্ষেত্রে দেশে ও বিদেশে যে শিল্প-কারখানাগুলো রয়েছে, সেগুলোর নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা করে কী ধরনের কারিগরি শিক্ষার প্রচলন করা হলে তা শিল্পে প্রয়োগযোগ্য হবে, সেটা জানতে হবে।

দেশের উৎপাদনশীলতার সঙ্গে যেমন দক্ষ জনশক্তির প্রয়োজন, তেমনি বিদেশেও দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি করলে আমাদের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে। চলতি বছরের শুরু থেকেই বাড়ছে প্রবাসী আয়। গত মে মাসে দেশের ১৪৮ কোটি ২৮ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ কোটি ৫২ লাখ ডলার বা প্রায় ১৭ শতাংশ বেশি। তবে সব সংস্থাই একমত যে, ৭০ লাখ প্রবাসীর কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রার একটি বড় অংশই নিয়ে যাচ্ছেন বিদেশিরা। এর কারণ হচ্ছে প্রবাসী শ্রমিকদের মধ্যে স্বল্পদক্ষ ৫২ শতাংশ, ৩১ শতাংশ দক্ষ, ১৪ শতাংশ আধা দক্ষ ও মাত্র ২ শতাংশ পেশাজীবী। এই পরিসংখ্যান থেকে একটি বিষয় খুব সহজে বলা যায় তা হলো, এই স্বল্পদক্ষ বা আধা দক্ষ শ্রমিকদের যদি আমরা দক্ষ জনগোষ্ঠী হিসেবে বিদেশে পাঠাতে পারতাম, তবে এই রেমিট্যান্স আরও বেড়ে অর্থনীতির ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলত। পৃথিবীর অন্য দেশগুলো যেমন ভারত, শ্রীলংকা, চীন কারিগরি জ্ঞানে দক্ষ করেই জনশক্তি রপ্তানি করছে। ফলে তাদের দক্ষ জনগোষ্ঠীর চেয়ে আমাদের অদক্ষ জনগোষ্ঠী কম পরিমাণে আয় করে। এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখে কারিগরি শিক্ষাকে বিনিয়োগের একটি মুখ্য উপাদান হিসেবে দেখা দরকার। আবার কারিগরি শিক্ষা যেহেতু হাতে-কলমে নিতে হয়, তাই এ শিক্ষা প্রয়োগের আগে কারিগরি উপকরণগুলো যথেষ্ট পরিমাণ আছে কিনা, সে বিষয়টিও বিবেচনা করতে হবে। এ বিষয়ে সরকার ছাড়াও বেসরকারি কারিগরি প্রতিষ্ঠানকে ল্যাব গড়ে তোলার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

এর সঙ্গে যারা এ কারিগরি শিক্ষা প্রদান করবেন, তারা হাতে-কলমে এ শিক্ষা প্রদানে সক্ষম কিনা, সে বিষয়টিও ভাবতে হবে। এ ক্ষেত্রে যারা এ ধরনের শিক্ষা দান করবেন, তাদের এখন থেকেই বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। যদি অর্থনৈতিক দিক বিবেচনা করা হয়, সে ক্ষেত্রে আমাদের জিডিপির ১৫ শতাংশ কৃষিনির্ভর। শিল্পায়নে এ হার ২৮ শতাংশ আর সার্ভিসসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে এটি ৫৬ শতাংশ। কৃষিনির্ভর কারিগরি দক্ষতা বাড়িয়ে এর মাধ্যমে গবেষকদের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির ধারণার সফল বাস্তবায়ন সম্ভব। এর ফলে কৃষিক্ষেত্র হতে পারে কর্মমুখী শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী ১০ বছরে শিল্পায়নে জিডিপির হার হবে ৩৫ শতাংশ। তবে যদি কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার ও প্রয়োগ যথাযথভাবে ঘটানো যায়, তবে তা এ হারকেও ছাড়িয়ে যাবে। একটি কথা বলা হয়, আমরা অর্থনীতিতে ৪৬তম, কিন্তু কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে ১১৪তম।

বিষয়টি নিয়ে আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বর্তমান সরকার অনেক বেশি কাজ করছে, যা আশাব্যঞ্জক। কারিগরি শিক্ষায় ইতিবাচক মনোভাব গড়ে না ওঠায় এ ক্ষেত্রেও শ্রেণিগত নেতিবাচক ধারণার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানরা কারিগরি শিক্ষাকে সেভাবে গ্রহণ করছে না। আর এর ফলে বেকারত্ব বাড়ছে ও সামাজিক ভারসাম্যহীনতা তৈরি হচ্ছে। এক সমীক্ষায় জানা যায়, বাংলাদেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা ৪৭ শতাংশ। অন্যদিকে ২৫-৫৪ বছর বয়সের ৮২ শতাংশ মানুষ কর্মে নিয়োজিত থাকলেও এর মধ্যে মাত্র ৬ দশমিক ৩ শতাংশ উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন, ৫৩ শতাংশ মাঝারি দক্ষ ও ৪০ দশমিক ৭ শতাংশ অদক্ষ। অথচ উন্নত দেশে এ হার ২৫-৭৫ শতাংশ। তবে আনন্দের বিষয় হলো, সরকার কর্মমুখী শিক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে পাঁচটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে, যা হলোÑ পলিসি ও প্রজেক্ট ফর্মুলেশন টাস্কফোর্স, ইন্ডাস্ট্রি ও ইনস্টিটিউট লিংকেজ টাস্কফোর্স, টিভিইটি এনরোলমেন্ট টাস্কফোর্স, কারিকুলাম ডেভেলপমেন্ট টাস্কফোর্স এবং জবমার্কেট অ্যাসেসমেন্ট ও এমপ্লয়মেন্ট টাস্কফোর্স। যদি এ মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রতি মানুষকে আগ্রহী করা যায়, তবে এ শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য অর্জন করা সম্ভব হবে। কারিগরি শিক্ষার কারিকুলাম এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে মানুষের কল্পনাশক্তি তার কাজের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়। শিক্ষার সব ক্ষেত্রেই কারিগরি দক্ষতাকে প্রাধান্য দিতে হবে।

এখানে একটি বিষয় প্রাসঙ্গিক বলে মনে হতে পারে তা হলোÑ মনস্তত্ত্ব, সমাজবিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতিসহ এই জাতীয় যে বিষয়গুলো আছে, তা কি থাকবে না। নাকি সময়ের পরিবর্তনে এগুলো যুগের চাহিদা হারিয়েছে। বিষয়টি এমন নয়। আমাদের দেশে যে জনগোষ্ঠী রয়েছে, তাদের এগুলোর সঙ্গে সঙ্গে কারিগরি জ্ঞানও থাকতে হবে। কারণ এ ধরনের বিষয়ের ক্ষেত্রে আমাদের দেশে কাজের ক্ষেত্র কমে আসছে। কাজেই যারা এ ধরনের বিষয়গুলো পড়ে আসছে, তাদের কাজের ক্ষেত্র কম থাকায় তারা যাতে বেকার হয়ে না পড়ে থাকে বরং এই বিষয়গুলোর সঙ্গে কারিগরি জ্ঞানকে সম্পৃক্ত করতে পারলে তারা শিল্পোদ্যোক্তাও হতে পারে। তার বিশেষায়িত জ্ঞান এ ক্ষেত্রে তাকে এগিয়ে নিতে পারে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘একটি বাড়ি, একটি খামার’ প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের একটি মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এ বিষয়টিকে অন্যভাবেও ভাবা যেতে পারে। যেমনÑ আমরা একটি বাড়ি ও একটি শিল্প-কারখানা এই ধারণা শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে প্রয়োগ করতে পারি। আমাদের দেশে মোট সাত থেকে আট লাখ কুটির শিল্প রয়েছে। এই কুটির শিল্পগুলোকে আধুনিক ধারণায় এনে গ্রামের প্রত্যেক মানুষকে কারিগরি জ্ঞানে দক্ষ করে গড়ে তোলা যেতে পারে। ২০০৯ সাল পর্যন্ত আমাদের দেশের ১ শতাংশ লোক কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত ছিল। এখন তা ১৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আশা করা হচ্ছে, সরকারের কারিগরিসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে এ সংখ্যা ২০২০ সালে ২০ শতাংশ, ২০৩০ সালে ৩০ শতাংশ ও ২০৪১ সালে ৫০ শতাংশে রূপান্তরিত হবে। উন্নত রাষ্ট্র হওয়ার ক্ষেত্রে এটিও একটি অন্যতম উপাদান হিসেবে কাজ করে। আবার একই সঙ্গে নতুন নতুন শিল্পধারণা সৃষ্টি করে সেই শিল্পে মানুষের দক্ষতা তৈরির মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের শিল্প-কারখানা গড়ে তুলতে হবে। সারাদেশে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের বিষয়টি ভাবা হচ্ছে।

২০৩০ সালের মধ্যে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠলে তা দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। তবে এই লক্ষ্য অর্জনে কারিগরি শিক্ষা ও এর মাধ্যমে দক্ষ জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার বিকল্প নেই। বিভিন্ন পেশায় বর্তমানে ৮৫ হাজার ৪৮৬ জন বিদেশি নাগরিক বাংলাদেশে কর্মরত রয়েছেন। প্রায় দুই লাখ বিদেশি নাগরিক বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ৪০ হাজার কোটি টাকা নিজ দেশে নিয়ে যাচ্ছেন। এর প্রধান কারণ আমাদের শিল্পোদ্যোক্তাদের কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ দেশীয় জনগোষ্ঠীর ওপর আস্থাহীনতা। এই আস্থাহীনতা কীভাবে দূর করা যায়, বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হবে। একই সঙ্গে ইউরোপ, আফ্রিকাসহ যে দেশগুলোয় দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি করা যেতে পারে, তা খুঁজে বের করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান উইন (ডওঘ) ও গ্যালাপ (এঅখখটচ) ইন্টারন্যাশনাল প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সবচেয়ে আশাবাদের দেশ বাংলাদেশ। আশাবাদ গ্যালাপের সূচকে বিশ্বের শীর্ষ ১০ আশাবাদী দেশের তালিকায় প্রথম স্থানটি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। আশাবাদী হওয়ার মতো সবকিছুই আমাদের আছে, কিন্তু এর জন্য প্রয়োজন গতানুগতিক শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তে কারিগরি শিক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়া।
শিক্ষাবিদ, কলামিস্ট ও লেখক

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর

এডুকেশন বাংলা/এজেড

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর