বুধবার ২২ মে, ২০১৯ ৫:২৭ এএম


কারিগরি বোর্ডের অধীনে নার্সিং শিক্ষা বন্ধের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭:৪৬, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৯:০৫, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিমুক্ত রাখতে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে নার্সিং শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে। শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা স্টুডেন্ট নার্সেস ইউনিয়ন আয়োজিত এক বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচিতে এই দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা স্টুডেন্ট নার্সেস ইউনিয়নের সভাপতি সাদিয়া আক্তার বলেন, ‘সরকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রসূতি সেবা নিশ্চিতে ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি কোর্স চালু করে এবং প্রায় ১৫ হাজার নার্সকে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেওয়া হয়। বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আইন অনুসারে সব শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা, নার্স প্র্যাকটিশনার নিবন্ধন ও সনদ প্রদান কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল। কিন্তু তারপরও কারিগরি শিক্ষাবোর্ড বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে চতুরতার মাধ্যমে নার্সিং শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এসব মানহীন ও অবৈধ কোর্সের কারণে একদিকে জনগণ যেমন চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পরছে, অন্যদিকে নার্সিং শিক্ষা ও সেবার মান নষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব মানহীন কোর্স বন্ধ করতে বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিলের পক্ষ থেকে জাতীয় পত্রিকার মাধ্যমে সতর্ক বার্তা দেওয়ার পরও কারিগরি শিক্ষাবোর্ড তাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।’

ডিপ্লোমা স্টুডেন্ট নার্সেস ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. রকিব হাসান বলেন, ‘কারিগরি শিক্ষাবোর্ড থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়া শিক্ষার্থীরা কোনোভাবেই নিবন্ধন পাওয়ার যোগ্য নয়। তাছাড়া ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সাইন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কোর্সের শিক্ষার্থীদের প্রথমবর্ষ থেকেই হাসপাতালে ব্যবহারিক শিক্ষা গ্রহণ করতে হয়, যা কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের নীতিমালা বা আইন নেই। তাই কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের এসব অপ্রশিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত জনবলকে প্রশিক্ষিত ও সুশিক্ষিত বৈধ ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সাইন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি’র সমমর্যাদায় নিবন্ধন দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ ও অযৌক্তিক।’

এসময় মানববন্ধন থেকে জনগণের স্বাস্থ্য সেবা ঝুঁকিমুক্ত রাখতে ও নার্সিং শিক্ষা ও সার্ভিসের মান অক্ষুন্ন রাখতে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড পরিচালিত এসব কোর্স অনতিবলম্বে বন্ধ করতে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

এডুকেশন বাংলা/একে

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর