সোমবার ১৩ জুলাই, ২০২০ ৭:৪৩ এএম


এসএসসিতে জালিয়াতি: বাতিল হচ্ছে ১২৮ জনের ফল

মুসতাক আহমদ

প্রকাশিত: ০৯:০০, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে (বিটিইবি) জালিয়াতি করে ১২৮ শিক্ষার্থীকে গত বছরের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় পাস করানো হয়েছে। চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এসব শিক্ষার্থী নবম শ্রেণিতে লেখাপড়াই করেনি। অথচ সরাসরি এসএসসি পাস করানোর ব্যবস্থা করে দেয় একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। এ সিন্ডিকেটে বোর্ডের কম্পিউটার সেলের প্রধানসহ ৬ জন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কয়েকজন শিক্ষক জড়িত।

বিটিইবির এক তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য। এটি বিটিইবি চেয়ারম্যানের কাছে ১৬ জানুয়ারি জমা দেয় তদন্ত কমিটি। পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রতিবেদনটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

প্রতিবেদনে উল্লিখিত অপকর্মে জড়িত থাকার দায়ে কম্পিউটার সেল প্রধান সিস্টেম অ্যানালিস্ট সামসুল আলমকে বরখাস্ত ও বিভাগীয়সহ অন্য আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া তিন সহকারী প্রোগ্রামার- মোহাম্মদ হাসান ইমাম, মোহাম্মদ শামীম রেজা ও ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দুই কম্পিউটার অপারেটর- মো. আল-আমিন এবং আতিকুর রহমানকে চাকরিচ্যুত করতে বলা হয়েছে। শেষের তিনজন বোর্ডে চুক্তিভিত্তিক ও অস্থায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারী। এছাড়া জড়িত চার প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা এবং এমপিও বাতিলের সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া জাতীয় সনদ ব্যবস্থা এবং শিক্ষা বোর্ডের ভাবমূর্তি নষ্টের দায়ে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়ার লক্ষ্যে র‌্যাবের কাছে হস্তান্তরের সুপারিশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। যদিও রহস্যজনক কারণে এখন পর্যন্ত দোষীরা বহালতবিয়তেই আছেন। শুধু তাই নয়, বোর্ডের দুই শীর্ষ কর্মকর্তা দোষীদের বাঁচাতে নানাভাবে অপচেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এছাড়া উত্তরপত্র না দেখেই নম্বর দেয়ার অভিযোগও আছে। এসব ঘটনায় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ শাখার কর্মকর্তারা জড়িত বলে অভিযোগ আছে। এসবের মধ্যে বোর্ড শর্ট কোর্সের বিষয়টি এখন পর্যন্ত তদন্তের কোনো উদ্যোগ নেয়নি। এইচএসসি বিএম এবং ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ঘটনা তদন্তের দায়িত্বও ওই কমিটিকে দেয়া হয়েছে।

কিন্তু কমিটি তা তদন্ত চালায়নি। শুধু তাই নয়, এসএসসি অভিযোগপত্রে যে চারটি প্রতিষ্ঠানের তথ্য উল্লেখ আছে শুধু সেগুলোতেই তদন্ত চালানো হয়। এসএসসির গোটা ফল ভালো করে অনুসন্ধান চালালে এমন আরও জালিয়াতির তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মুনশী শাহাবুদ্দীন আহমেদ বলেন, যে কোনো অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী। তদন্তে যদি কেউ দোষী প্রমাণিত হন তবে তার পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০১৯ সালের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ঠিক রেখে শিক্ষার্থী, তার বাবা ও মায়ের নাম রিপ্লেস (একজনকে বাদ দিয়ে অন্যজনকে আনা) করে গাজীপুরের কাপাসিয়া টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাঁচ শিক্ষার্থীর ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

এছাড়া একই প্রক্রিয়ায় টাঙ্গাইলের হাজী শমশের আলী টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড বিএম কলেজের ৫৬ জন, একই জেলার প্রিন্সিপ্যাল জাহাঙ্গীর আলম বিএম কলেজ ৪৮ জন, ইউনিয়ন হাইস্কুলের ১৯ জনের ফল পরিবর্ততন করে এসএসসি ভোকেশনাল পাস করানো হয়েছে। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ শাখা এবং কম্পিউটার সেলে সংরক্ষিত তথ্য পর্যালোচনা করে তদন্ত কমিটি এসব তথ্য বের করেছে।

তদন্ত কমিটির এক সদস্য জানান, ফল জালিয়াতির অনুসন্ধান করতে গিয়ে তারা একাডেমিক ক্ষেত্রে বেশকিছু উদ্বেগজনক তথ্য পেয়েছেন। তথ্য সংগ্রহের জন্য তদন্ত কমিটির ৪ সদস্য ১৩ জানুয়ারি গিয়েছিলেন প্রিন্সিপাল জাহাঙ্গীর আলম বিএম কলেজে। আগেরদিন জানানো সত্ত্বেও প্রধান শিক্ষক অনুপস্থিত ছিলেন।

আর শিক্ষক এবং কর্মচারীরাও কমিটিকে কোনো তথ্য-উপাত্ত দিয়ে সাহায্য করেননি। প্রতিষ্ঠানে কোনো ল্যাবরেটরি বা যন্ত্রপাতি নেই। বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। কোনো ক্লাস হয় না বলে কমিটির কাছে প্রতীয়মান হয়। কেননা ওইদিন প্রতিষ্ঠানে কোনো ছাত্রছাত্রী পাওয়া যায়নি। একই অবস্থা হাজী শমসের আলি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ইউনিয়ন হাইস্কুলের। শুধু কাপাসিয়া টেকনিক্যাল স্কুলের প্রধান শিক্ষক একটি লিখিত দিয়ে তার প্রতিষ্ঠানের এক সহকারী শিক্ষকের ওপর দায় চাপিয়ে দেয়ার পাশাপাশি ক্ষমা প্রার্থনা করেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বোর্ডের পরীক্ষাসংক্রান্ত কাজ করার ক্ষেত্রে অনলাইনে ডাটা সংগ্রহ করা হয় দুটি সফটওয়্যারে। আর ফলাফল প্রক্রিয়া করা হয় ওরাকল ডাটাবেস নামে একটি সফটওয়্যারে। এক্ষেত্রে সফটওয়্যারের অ্যাডমিন পাসওয়ার্ড বা প্রবেশের চাবি থাকে শুধু সিস্টেম অ্যানালিস্টের কাছে।

অপরদিকে কম্পিউটার সেলের কার্যক্রম কিভাবে কোন ইউজার দ্বারা সম্পাদন করা হয় সে ব্যাপারে কোনো লগ ফাইল ও ডাটা ব্যাকআপ সিস্টেম নেই। এর থেকে তদন্ত কমিটি মনে করে, মাঝপথে শিক্ষার্থী পাস করানোর উদ্যোগের সব কার্যক্রমের সঙ্গে সিস্টেম অ্যানালিস্ট জড়িত।

তবে তদন্ত কমিটির কাছে ভিন্ন তথ্য দিয়েছেন সিস্টেম অ্যানালিস্ট শামসুল আলম। তিনি জানান, এসএসসি ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী ভর্তি থেকে শুরু করে চূড়ান্ত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত কম্পিউটার সেলের কাজের ধাপগুলো সম্পন্ন করতে তথ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে প্রদানকৃত পাসওয়ার্ড তার (সিস্টেম অ্যানালিস্ট শামসুল আলম) নিজের কাছে, সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ হাসান ইমাম, অপর সহকারী প্রোগ্রামার শামীম রেজা এবং চুক্তিভিত্তিক প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ওমর ফারুকের কাছে থাকে। এছাড়া পাসওয়ার্ড হ্যাকিং বা আনঅথরাইজড ভাবে পেয়ে থাকলে আনঅথরাইজড লগিংয়ের সুযোগ থাকে।

শামসুল আলম সাফাই গেয়ে আরও বলেন, এসএসসি ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী ভর্তি থেকে চূড়ান্ত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত কম্পিউটারের কাজের ধাপগুলো সম্পন্ন করতে ব্যবহৃত অ্যাডমিনিস্ট্রেটর অ্যাডমিন পাসওয়ার্ড ব্যবস্থা নেই। এক্ষেত্রে ইউজারদের পরিপূর্ণ অনুমতি থাকে। তবে এ বিষয়ে কোনো কাস্টমাইজ সফটওয়্যার নেই এবং কাস্টমাইজ সফটওয়্যার না থাকায় ইউজারদের কার্যবিধি পর্যবেক্ষণ করা যায় না।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তদন্ত কমিটি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রককে প্রশ্ন করেছিল, কম্পিউটার সেল কর্তৃক যে কোনো সংশোধন, রিপ্লেসমেন্ট, ফলাফল টেম্পারিং ইত্যাদি অন্যায় কাজ সংঘটিত হলে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দায় এড়াতে পারে না। এমন প্রশ্নের উত্তরে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সুশীল কুমার পাল কমিটিকে বলেছেন, প্রতিটি মাসিক সমন্বয় সভায় সিস্টেম অ্যানালিস্টের দায়িত্বহীনতার বিষয়ে আলোচনা হয়।

তার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তখন নীরব ভূমিকা পালন করতেন তিনি। সিস্টেম অ্যানালিস্ট ছাড়া ডাটাবেস সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড অন্য কারোর পক্ষে করার সাধ্য নেই। কেননা, তার কাছেই থাকে পাসওয়ার্ড। তাই সিস্টেম অ্যানালিস্ট ছাড়া অন্য কেউ (এ অপকর্মের) দায় নিতে পারবে না।

তদন্ত কমিটি অবশ্য বলছে, অভিযোগগুলো খুবই টেকনিক্যাল হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ফলাফল রিপ্লেস করার মতো অপরাধ কার বা কাদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছে তা গঠিত তদন্ত কমিটি দ্বারা সুনির্দিষ্ট করে বলা কঠিন।

তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ৩১ ডিসেম্বর চেয়ারম্যান বরাবর উত্থাপিত এক নথিতে দাবি করা হয়েছে, কম্পিউটার সেলের দৈনিক হাজিরা নিয়োজিত অপারেটর আল আমিনের ব্যবহৃত কম্পিউটার থেকে ৫ আগস্ট এবং চুক্তিভিত্তিক অপারেটর আতিকুর রহমানের ব্যবহৃত কম্পিউটার থেকে এসএসসি ভোকেশনাল লগইন করেছে।

এ দুইজন এর আগেও আনঅথরাইজড এক্সেস করেছে বলে মনে করছে তদন্ত কমিটি। যদিও এ ব্যাপারে এ দু’জন যুগান্তরকে বলেন, তাদের কাছে পাসওয়ার্ড নেই। তাই তারা কোনো লগইন করেননি। যার কাছে পাসওয়ার্ড আছে শুধু তার পক্ষেই এ লগইন করা সম্ভব।

আর যুক্তির খাতিরে যদি তাদের এ লগইনকে ফল পরিবর্তনের অপচেষ্টা ধরা হয় তাহলে সেটাও সঠিক নয়। কেননা, এসএসসি ভোকেশনালের ফল প্রকাশ করা হয়েছে মে মাসে। আর তাদের লগইন শনাক্ত করা হয়েছে আগস্টে। তাই এ অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশকে অন্যায় হিসেবে দেখছেন তারা।

২৫ সুপারিশ : জালিয়াতি করে পাস করা ১২৮ শিক্ষার্থী গাজীপুরের কাপাসিয়া টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, টাঙ্গাইল জেলার প্রিন্সিপাল জাহাঙ্গীর আলম বিএম কলেজ ও হাজী শমসের আলী কারিগরি স্কুল ও মহিলা বিএম কলেজ এবং গাজীপুরের ইউনিয়ন হাই স্কুলের। তদন্ত কমিটি এ চার প্রতিষ্ঠানের অনুমতি বাতিল বা প্রকারান্তরে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়ার সুপারিশ করেছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এমপিও বাতিলেরও সুপারিশ করা হয়েছে।

তবে মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এ চারটির মধ্যে ইউনিয়ন হাই স্কুল এমপিওভুক্ত নয়। বাকি তিনটি কয়েকদিন আগে এমপিওভুক্ত হয়েছে। এমপিওর চূড়ান্ত তালিকা থেকে এসব প্রতিষ্ঠানকে বাদ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এছাড়া পরীক্ষার্থী রিপ্লেস করে ফল জালিয়াতির সত্যতা পাওয়া গেছে। বোর্ডের কম্পিউটার সেলের প্রধান হিসেবে সিস্টেম অ্যানালিস্ট শামসুল আলমের কাছে এসএসসি ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমের পাসওয়ার্ড থাকে। তিনি পাসওয়ার্ড সুরক্ষিত করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ঘটনায় অন্যরা জড়িত থাকলেও পুরো দায়-দায়িত্ব শামসুল আলমের ওপর বর্তায়। তাই তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও অন্যান্য আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। পাশাপাশি অন্য তিন সহকারী প্রোগ্রামারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার কথা বলা হয়। এ চারজন আগে থেকেই পরস্পর বন্ধু বলে জানা গেছে।

সুপারিশের মধ্যে আরও আছে- ২০১৯ সালে এসএসসি ভোকেশনাল পাস করা ১২৮ শিক্ষার্থীর ফল বাতিল; ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইটি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক টেস্টের মাধ্যমে চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, প্রয়োজনে তাদের র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা যেতে পারে।

এছাড়া প্রতিবেদনে ঝুঁকিপূর্ণ বর্তমান অবস্থা থেকে কম্পিউটার সেলকে উত্তরণ এবং ভবিষ্যৎ সুরক্ষা জন্য বারোটি সুপারিশ করা হয়েছে। এতে বুয়েট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সরকারি-বেসরকারি পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উল্লেখ করে বলা হয়, সব বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগকে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রযুক্তিগত সহযোগিতা চেয়ে চিঠি দেয়া যেতে পারে। দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার জন্য যথাযথভাবে কম্পিউটার সেলের সফটওয়্যার আপগ্রেডেশন ও প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে নতুন সফটওয়্যার ডেভেলপ করা জরুরি।

পরীক্ষার মতো গোপন কাজের কম্পিউটার সেল অত্যন্ত স্পর্শকাতর এবং জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় সেখানে চুক্তিভিত্তিক ও দৈনিক হাজিরাভিত্তিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী কোনো অবস্থাতেই নিয়োগ না করার সুপারিশও করা হয় প্রতিবেদনে। এছাড়া কম্পিউটার সেলের প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর মোবাইল ট্র্যাকিং, কম্পিউটার সেলকে বিশেষ সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা, প্রতিটি রেজাল্টের পরে কম্পিউটার সেলের রেজিস্ট্রেশন ফরম ফিলাপ, প্রবেশপত্র ও মার্কশিট সনদ প্রদানের তথ্য নিরীক্ষা, বছরে একাধিকবার কম্পিউটার সেলের কার্যক্রম আইটি বিশেষজ্ঞ টিম দিয়ে পরীক্ষণ ও নিরীক্ষা, শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন থেকে সনদ প্রদান পর্যন্ত কাজে কম্পিউটার সেলে ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম রাখা, যাতে একটি কম্পিউটার থেকে ডাটা পরিবর্তন করলে অন্য কম্পিউটারে সে পরিবর্তন ট্র্যাকিং করা যায়।

এডুকেশন বাংলা/এজেড

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর