বুধবার ০৫ আগস্ট, ২০২০ ১৩:১৮ পিএম


এসএমএস দিয়ে স্ট্যামফোর্ডের শতাধিক কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩:৪৬, ২৫ জুলাই ২০২০   আপডেট: ২৩:৪৭, ২৫ জুলাই ২০২০

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যে বেসরকারি স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির শতাধিক কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একদিন আগে মোবাইলে এসএমএস দিয়ে পরদিন বেতন ছাড়াই তাদের বরখাস্তপত্র ধরিয়ে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন চাকরিচ্যুতরা। তালিকা তৈরি করে এই কর্মীদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

এদের একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিসের কর্মকর্তা রাজলক্ষ্মী জাগো নিউজকে বলেন, অন্যায়ভাবে আমাদের অনেককে চাকরিচ্যুত করা হচ্ছে। আট বছর ধরে আমি স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে চাকরি করছি। গতকাল শুক্রবার (২৪ জুলাই) অফিস থেকে মোবাইলে এসএমএস দিয়ে বরখাস্তপত্র নিতে ডাকা হয়। আজ শনিবার (২৫ জুলাই) অফিসে গেলে পাওনাদি ছাড়াই বরখাস্তপত্র হাতিয়ে ধরিয়ে দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে আমার স্বামীর চাকরি চলে গেছে। এখন বিনা নোটিশে আমার চাকরিও চলে যাওয়ায় বিপাকে পড়তে হয়েছে। প্রয়োজনীয় বাজার করা এবং বাসাভাড়াও দিতে পারছি না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চাকরিচ্যুত আরেক কর্মকর্তা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করছিলেন তিনি। হঠাৎ করে মোবাইলে এসএমএস দিয়ে তাদের বরখাস্তের সিদ্ধান্ত জানানো হয় এবং পরে কাগজ ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে। এমনিতে চার মাস ধরে ঠিকমতো বেতন দেয়া হচ্ছে না। তার ওপর বেতন ছাড়া ছাঁটাই হওয়ায় চাকরিচ্যুতরা মহাবিপদের মধ্যে পড়েছেন।

আরেক ভুক্তভোগী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিনা কারণে ছাঁটাই করতে তালিকা করা হয়েছে। সবাইকে ডেকে বরখাস্তপত্র হাতে ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে। গত চার মাস থেকে অর্ধেক বেতন দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। এখন বেতন ছাড়াই সবাইকে ছাঁটাই করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে চাকরিচ্যুতরা পরিবার নিয়ে বিপদে পড়েছেন।

এ বিষয়ে পক্ষ থেকে স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ফাতিনাজ ফিরোজকে ফোন করা হলে তিনি রেজিস্ট্রারের সাথে কথা বলতে বলেন। রেজিস্ট্রার আব্দুল মতিনকে একাধিকবার কল দিলেও তারা সাড়া মেলেনি।

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর