বৃহস্পতিবার ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ ৬:২৬ এএম


এমপিও নীতিমালা ২০১৮-এর সংশোধন ও সংযোজনের প্রস্তাবনা

মাসুদুল হাসান আরিফ

প্রকাশিত: ১০:৩১, ২ ডিসেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১১:৩৩, ২ ডিসেম্বর ২০১৯

স্বীকৃতিপ্রাপ্ত কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেই এমপিওভুক্তির নীতিমালার সূচকে শূন্য (০) দেয়া যুক্তিসংগত নয় এবং সর্বনিম্ন কত স্কোর হলে এমপিওভুক্তির যোগ্যতা অর্জন করবে তা উল্লেখ থাকাও প্রয়োজন। কিন্তু বিদ্যমান নীতিমালায় একটি নির্দিষ্ট সূচকে শূন্য (০) দেয়ার সূযোগ রয়েছে। সেই সাথে যোগ্যতা অর্জনের নির্দিষ্ট কোনো নম্বর/মানও নাই। তাই এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো ২০১৮-এর সংশোধন ও সংযোজনকল্পে স্কুল ও কলেজ শাখার জন্য নিম্নলিখিত প্রস্তাবনা উপস্থাপন করলাম:

ধারা-১৪ এর সংশোধনীসমূহ
একাডেমিক স্বীকৃতি

বিদ্যমান নীতিমালা: প্রতি ২ বছরের জন্য ৫, ১০ বা তদুর্ধ বছর হলে ২৫।

বয়স অনুযায়ী একাডেমিক স্বীকৃতির নম্বর/মান এর প্রস্তাবনা [ সকল ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ]

* স্বীকৃতির বয়স শুরু থেকে ০২ বছরের জন্য প্রাপ্ত মানের প্রস্তাবনা হলো ০৫।

* স্বীকৃতির বয়স ০২+ থেকে ০৪ বছরের জন্য প্রাপ্ত মানের প্রস্তাবনা হলো ১০।

* স্বীকৃতির বয়স ০৪+ থেকে ০৬ বছরের জন্য প্রাপ্ত মানের প্রস্তাবনা হলো ১৫।

* স্বীকৃতির বয়স ০৬+ থেকে ০৮ বছরের জন্য প্রাপ্ত মানের প্রস্তাবনা হলো ২০।

* স্বীকৃতির বয়স ০৮+ বছর থেকে উর্ধ্বের জন্য প্রাপ্ত মানের প্রস্তাবনা হলো ২৫।

 শিক্ষার্থীর সংখ্যা
বিদ্যমান নীতিমালা: মোট মান ২৫ (কাম্য সংখ্যার ক্ষেত্রে ১৫, কাম্য সংখ্যার পরবর্তী প্রতি ১০% বৃদ্ধির জন্য ৫)।

শহর এলাকার নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় [সহশিক্ষা ও বালক] এর শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী নম্বর/মান এর প্রস্তাবনা

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ০১ থেকে ১৫ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০১

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ থেকে ৩০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০২

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩১ থেকে ৪৫ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০৩ ধারাবাহিকভাবে

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৪৬ থেকে ৩৬০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৪

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৬০ এর উর্ধ্বে হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৫।

মফস্বল এলাকার নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় [সহশিক্ষা ও বালক] এর শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী নম্বর/মান এর প্রস্তাবনা

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ০১ থেকে ১০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০১

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১১ থেকে ২০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০২

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২১ থেকে ৩০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০৩ ধারাবাহিকভাবে

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৪১ থেকে ২৫০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৪

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৫০ এর উর্ধ্বে হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৫।

শহর এলাকার মাধ্যমিক বিদ্যালয় [সহশিক্ষা ও বালক] এর শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী নম্বর/মান এর প্রস্তাবনা

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ০১ থেকে ২০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০১

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২১ থেকে ৪০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০২

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪১ থেকে ৬০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০৩ ধারাবাহিকভাবে

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৩১ থেকে ৪৫০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৪

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৫০ এর উর্ধ্বে হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৫।

মফস্বল এলাকার মাধ্যমিক বিদ্যালয় [সহশিক্ষা ও বালক] এর শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী নম্বর/মান এর প্রস্তাবনা

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ০১ থেকে ১৫ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০১

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ থেকে ৩০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০২

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩১ থেকে ৪৫ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০৩ ধারাবাহিকভাবে

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৪৬ থেকে ৩৬০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৪

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৬০ এর উর্ধ্বে হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৫।

 

জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮-এর সংশোধন ও সংযোজনের প্রস্তাবনা-২

শহর এলাকার নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় [বালিকা] এর শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী নম্বর/মান এর প্রস্তাবনা

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ০১ থেকে ১২ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০১

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ থেকে ২৪ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০২

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৫ থেকে ৩৬ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০৩ ধারাবাহিকভাবে

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৮৯ থেকে ৩০০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৪

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩০০ এর উর্ধ্বে হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৫।

মফস্বল এলাকার নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় [বালিকা] এর শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী নম্বর/মান এর প্রস্তাবনা

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ০১ থেকে ০৮ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০১

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ০৯ থেকে ১৬ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০২

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৭ থেকে ২৪ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০৩ ধারাবাহিকভাবে

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৯৩ থেকে ২০০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৪

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২০০ এর উর্ধ্বে হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৫।

শহর এলাকার মাধ্যমিক বিদ্যালয় [বালিকা] এর শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী নম্বর/মান এর প্রস্তাবনা

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ০১ থেকে ১৫ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০১

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ থেকে ৩০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০২

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩১ থেকে ৪৫ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০৩ ধারাবাহিকভাবে

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৪৬ থেকে ৩৬০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৪

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৬০ এর উর্ধ্বে হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৫।

মফস্বল এলাকার মাধ্যমিক বিদ্যালয় [বালিকা] এর শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী নম্বর/মান এর প্রস্তাবনা

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ০১ থেকে ১০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০১

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১১ থেকে ২০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০২

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২১ থেকে ৩০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০৩ ধারাবাহিকভাবে

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৪১ থেকে ২৫০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৪

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৫০ এর উর্ধ্বে হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৫।

শহর এলাকার উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ [সহশিক্ষা ও বালক] এর শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী নম্বর/মান এর প্রস্তাবনা

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ০১ থেকে ১৫ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০১

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ থেকে ৩০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০২

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩১ থেকে ৪৫ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০৩ ধারাবাহিকভাবে

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৪৬ থেকে ৩৬০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৪

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৬০ এর উর্ধ্বে হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৫।

মফস্বল এলাকার উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ [সহশিক্ষা ও বালক] এর শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী নম্বর/মান এর প্রস্তাবনা

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ০১ থেকে ১০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০১

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১১ থেকে ২০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০২

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২১ থেকে ৩০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০৩ ধারাবাহিকভাবে

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৪১ থেকে ২৫০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৪

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৫০ এর উর্ধ্বে হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৫।

শহর এলাকার উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ [বালিকা] এর শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী নম্বর/মান এর প্রস্তাবনা

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ০১ থেকে ১২ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০১

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ থেকে ২৪ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০২

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৫ থেকে ৩৬ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০৩ ধারাবাহিকভাবে

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৮৯ থেকে ৩০০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৪

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩০০ এর উর্ধ্বে হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৫।

মফস্বল এলাকার উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ [বালিকা] এর শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী নম্বর/মান এর প্রস্তাবনা

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ০১ থেকে ০৮ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০১

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ০৯ থেকে ১৬ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০২

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৭ থেকে ২৪ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০৩ ধারাবাহিকভাবে

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৯৩ থেকে ২০০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৪

শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২০০ এর উর্ধ্বে হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৫।

  স্নাতক (পাস) কলেজ
১ম বর্ষ, ২য় বর্ষ এবং ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী নিয়ে হিসাব করতে হবে। উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ এর অনুরূপে শিক্ষার্থীর হিসাব করা যেতে পারে।

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

বিদ্যমান নীতিমালা: মোট মান ২৫ (কাম্য সংখ্যার ক্ষেত্রে ১৫, কাম্য সংখ্যার পরবর্তী প্রতি ১০ জনের জন্য ৫)।

শহর এলাকার নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ ও স্নাতক (পাস) কলেজ এর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী নম্বর/মান এর প্রস্তাবনা

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ০১ থেকে ১৫ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০৫।

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ থেকে ৩০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ১০।

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩১ থেকে ৪৫ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ১৫।

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৬ থেকে ৬০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২০।

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬০ এর উর্ধ্বে হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৫।

মফস্বল এলাকার নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ ও স্নাতক (পাস) কলেজ এর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী নম্বর/মান এর প্রস্তাবনা

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ০১ থেকে ১০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ০৫।

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১১ থেকে ২০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ১০।

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২১ থেকে ৩০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ১৫।

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩১ থেকে ৪০ হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২০।

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪০ এর উর্ধ্বে হলে নম্বর দেয়া যেতে পারে ২৫।

 উত্তীর্ণের হার
বিদ্যমান নীতিমালা মোট মান ২৫ (কাম্য হার অর্জনের ক্ষেত্রে ১৫, পরবর্তী প্রতি ১০% এর জন্য ৫)
পাশের হারের/উত্তীর্ণের ভিত্তিতে নম্বর/মান এর প্রস্তাবনা [ সকল ধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ]

মফন্বল এলাকা               
উত্তীর্ণের হার        স্কোর     
০১% থেকে ২০%   ০৫     
২১% থেকে ৪০%   ১০      
৪১% থেকে ৫০%    ১৫     
৫১% থেকে ৭০%    ২০     
৭০% এর উর্ধ্বে       ২৫  

শহর এলাকা
উত্তীর্ণের হার               স্কোর
০১% থেকে ৬০%        ০৫
৬১% থেকে ৭০%        ১০
৭১% থেকে ৮০%        ১৫
৮১% থেকে ৯০%        ২০
৯০% এর উর্ধ্বে            ২৫

ধারা-২১ এর সংশোধনী
এমপিও না নেয়ার শর্তে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যতীত বর্তমানে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এ ধারা প্রয়োগ করা যৌক্তিক হবে না।

ধারা-২২ এর সংশোধনী
এ ধারায়- বিশেষ ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল করে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা শতকরা দুই ভাগ (২%) এর বেশী হওয়া উচিত নয়।

পৃষ্ঠা নম্বর ২৫ এ ১২ নম্বর ক্রমিকের সংশোধনী
প্রদর্শক পদে নিয়োগের যোগ্যতা সংশোধন করে প্রদর্শক (কম্পিউটার) ও সহকারী গ্রন্থাগারিক/ক্যাটালগার এর অনুরূপ করা প্রয়োজন এবং
সংশোধনীটি নিম্নরূপ হতে পারে:
স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে সংশ্লিষ্ট বিষয়সহ স্নাতক ডিগ্রী/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। শিক্ষা জীবনে যেকোন একটি তৃতীয় বিভাগ/সমমান গ্রহণযোগ্য হবে।

              নীতিমালায় যে সকল বিষয় সংযোজন প্রয়োজন (দাবীসমূহ)
১. চাকুরীতে যোগদানের সময় থেকে অভিজ্ঞতা গণনা করতে হবে (বেতনবিহীন হলেও)।
২. পূর্বে যাদের নিয়োগ রয়েছে তাদের বিষয়ের নাম পরিবর্তন ও বিষয় বাতিল হলেও পঠিত বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষককে এমপিওভুক্ত করতে হবে।
৩. শিক্ষার্থীকে নিজ এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতা রাখতে হবে।
৪. সকল ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতি ক্লাসে শিক্ষার্থী ভর্তির আসন সংখ্যা নির্দিষ্ট করতে হবে।
৫. এমপিওভুক্তির চারটি সূচকে মফস্বলের প্রতিষ্ঠানসমূহ সর্বনিম্ন ৫০% নম্বর এবং শহরাঞ্চলের প্রতিষ্ঠানসমূহ সর্বনিম্ন ৬০% নম্বর পেলে প্রতিষ্ঠানটিকে এমপিওভুক্ত করা যেতে পারে।

[মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়]

লেখক : সহ সভাপতি, স্বাধীনতা ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশন।

এডুকেশন/কেআর

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর