শুক্রবার ০৭ আগস্ট, ২০২০ ০:২৫ এএম


এমপিও নীতিমালা সংশোধন কমিটির সভায় যেসব বিষয় উঠে এসেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬:৪৩, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯   আপডেট: ২০:০৫, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯

বেসরকারি স্কুল ও কলেজের এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো সংশোধনে গঠিত কমিটির দ্বিতীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা, পাসের হার ও পরীক্ষার্থীর সংখ্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এডুকেশন বাংলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন কমিটির সদস্য এবং নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার।

তিনি জানান, এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো সংশোধনে গঠিত কমিটির আজ দ্বিতীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই সভায় কাম্যসংখ্যক শিক্ষার্থী নিশ্চিত করণের জন্য মাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তি প্রক্রিয়ায় অনলাইন পদ্ধতি চালু করার প্রস্তাব, বিভাগ বা বিষয়ের জন্য শিক্ষার্থী সংখ্যা নির্ধারণ করার পূর্বে প্রতিষ্ঠানের জন্য যেমন সর্বনিম্ন শিক্ষার্থী নির্ধারিত আছে একইভাবে সর্বাধিক শিক্ষার্থী নির্ধারণের প্রস্তাব, শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৫ (কাম্য সংখ্যার ক্ষেত্রে ১৫, কাম্য সংখ্যার পরবর্তী প্রতি ১০% বৃদ্ধির জন্য ৫), পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৫ (কাম্য সংখ্যার ক্ষেত্রে ১৫, কাম্য সংখ্যার পরবর্তী প্রতি ১০ জনের জন্য ৫), উত্তীর্ণের ২৫ (কাম্য হার অর্জনের ক্ষেত্রে ১৫, পরবর্তী প্রতি ১০% এর জন্য ৫) নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

তবে আজকে সভায় অন্য প্রস্তাবগুলো নিয়ে আলোচনা হয়নি। ওইসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আরো দুই একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। তারপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলেও জানান মাহমুদুন্নবী ডলার।

এক প্রশ্নের জাবাবে তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সভাগুলো অনুষ্ঠিত না করতে পারলেও কমিটির সময় বাড়ানো হবে।

এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রথম সভার আট দিন পর আজ দ্বিতীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এরও আগে গত ১২ নভেম্বর বেসরকারি স্কুল ও কলেজের এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো সংশোধনে ১০ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই কমিটির আহ্বায়ক করা হয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোমিনুর রশিদকে। এছাড়া কমিটির অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের একজন প্রতিনিধি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রতিনিধি, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের একজন প্রতিনিধি, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) একজন প্রতিনিধি, বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) একজন প্রতিনিধি, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ডের একজন প্রতিনিধি, নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি খুলনা আইডিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বরিশালের উজিরপুর উপজেলার জল্লা উিইনিয়ন আইডিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ ড. বিনয় ভূষণ রায়কে। কমিটির সদস্যসচিব করা হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিবকে (বেসরকারি মাধ্যমিক-৩)।

কমিটিকে এক মাসের মধ্যে এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংস্কারের সুপারিশ করতে বলা হয়।

উল্লেখ্য, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ধরণ অনুযায়ী সর্বনিম্ন শিক্ষার্থীর বিপরীতে ৫ নম্বর ধরে কাম্য শিক্ষার্থী পর্যন্ত ১৫ নম্বর ও সর্বনিম্ন পরীক্ষার্থীর জন্য ৫ নম্বর ধরে কাক্সিক্ষত শিক্ষার্থী পর্যন্ত ১৫ নম্বর, ফলাফলের "১" /"৩" "%" এর জন্য ৫ নম্বর ধরে কাক্সিক্ষত লক্ষ্যমাত্রা পর্যন্ত ১৫ নম্বর বিবেচনা করে শিক্ষার্থী, পরীক্ষার্থী ও ফলাফলের পরবর্তী ১০% বৃদ্ধিতে ২৫ নম্বর পর্যন্ত প্রাপ্য হবে।

এডুকেশন বাংলা/ এসআই/ কেআর

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর