শুক্রবার ১৪ আগস্ট, ২০২০ ১১:৪৭ এএম


এমপিও নীতিমালায় যা সংশোধন জরুরী

মো. মিজানুর রহমান

প্রকাশিত: ০৮:১৭, ৯ জুলাই ২০২০  

১। এমপিওভুক্ত কলেজ শিক্ষকদের সহকারি অধ্যাপক পদে পদোন্নতিতে ৫:২ অনুপাতের বিধিটি বাতিল করতে হবে। ৮ বছর পূর্ণ হলে সরাসরি সহকারি অধ্যাপক, ১২ বছর পূর্ণ হলে সহযোগী অধ্যাপক এবং ১৬ বছর পূর্ণ হলে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি প্রদানের প্রস্তাব উপস্থাপন করছি।

২। ২৫ শতাংশের পরিবর্তে সরকারি নিয়মে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ঈদ বোনাস প্রদান করতে হবে।

৩। সরকারি নিয়মে বাড়ি ভাড়া এবং চিকিৎসা ভাতা প্রদান করতে হবে।

৪। শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসর সুবিধা বোর্ডের অতিরিক্ত ৪ শতাংশ কর্তন বন্ধ করে শিক্ষকদের জন্য পেনশন ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

৫। অভিজ্ঞতা গণনায় এমপিওভূক্তির তারিখের পরিবর্তে যোগদানের তারিখ হতে গণনা করতে হবে।

৬। এমপিওভূক্ত শিক্ষকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিভাগীয় প্রার্থী হিসাবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিজ জেলায় বদলি করতে হবে।

৭। শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড সফটওয়্যারের মাধ্যমে অটোমেটিকভাবে প্রদান করতে হবে।

৮। সকল স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভূক্ত করতে হবে।

৯। শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়নের জন্য যুগোপযোগি শিক্ষা আইন প্রনয়ন করতে হবে।

১০। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদেরকে গৃহঋণের আওতায় আনতে হবে।

১১। অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নিয়োগের ক্ষেত্রে এমপিও নীতিমালা-২০১০ অনুসরণ করার প্রস্তাব উপস্থাপন করছি।

১২। বেসরকারি কলেজে অনার্স মাস্টার্স শিক্ষকদের এমপিও নীতিমালায় জনবল কাঠামোতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

পরিশেষে বলতে চাই, সুশিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। যে দেশ যত শিক্ষিত, সে দেশ তত উন্নত। শিক্ষাব্যবস্থার সকল বৈষম্য দূর করে বাংলাদেশকে একটি উন্নত সুখী সমৃদ্ধ দেশ গড়তে জাতীয়করণের বিকল্প নাই। তাই, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে ২০২০ মুজিব বর্ষে এমপিওভুক্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একযোগে জাতীয়করণের ঘোষণা দিতে হবে।


লেখতক: সভাপতি,
বাংলাদেশ শিক্ষক ফেডারেশন, ঢাকা।

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর