মঙ্গলবার ১২ নভেম্বর, ২০১৯ ১৭:০৯ পিএম


জাতীয়করণের দাবিতে এসএসসি পরীক্ষা বর্জনের হুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:০৪, ৭ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১২:২১, ৮ নভেম্বর ২০১৯

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

আগামী জানুয়ারির মধ্যে এমপিওভুক্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একযোগে জাতীয়করণের ঘোষণা না এলে ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি পরীক্ষা বর্জনের হুমকি দিয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি। বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) রাতে এডুকেশন বাংলায় পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচির কথা জানানো হয়।

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিয়াজোঁ ফোরামের মুখপাত্র মো. নজরুল ইসলাম রনি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এমপিওভুক্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এক সাথে জাতীয়করণ এখন জাতীয় দাবি। সব সংগঠনকে অনুরোধ করছি,  এ দাবির সাথে সবাই সহমত পোষণ করে ঐক্যবদ্ধ হন।

তিনি বলেন, অনেক দাবি করেছি,সরকারকে বহুবার অনুরোধ করেছি। এবার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন হবে। এর মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির কাছে জাতীয়করণের দাবিতে স্মারকলিপি দেয়া হবে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও জাতীয়করণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে অনুরোধপত্র দেয়া হবে। 

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের রয়েছে আকাশছোঁয়া বেতন বৈষম্য রয়েছে জানিয়ে মো. নজরুল ইসলাম রনি বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা আজ কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি। আমাদের পিঠ আজ দেয়ালে ঠেকে গেছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সারা জীবনের একটি মাত্র টাইমস্কেল; তাও বন্ধ রয়েছে। উচ্চতর গ্রেড এর বাস্তবায়ন আজও হয়নি। এছাড়াও ২০০৪ সাল থেকে মাত্র ১ হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া, ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা, ২৫ শতাংশ ঈদ বোনাস দেওয়া হয়।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষকদের বদলি প্রথা চালু হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। এমতাবস্থায় এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা আজ ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবিরাম ধর্মঘট আসার আগেই শিক্ষা বাঁচাতে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রীর সুসৃষ্টি কামনা করেন তিনি।

উল্লেখ্য, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের জন্য দশম গ্রেড এবং সহকারী শিক্ষকদের জন্য ১১তম গ্রেডের ঘোষণা ২০১৭ সালে দেওয়া হয়েছিল। এখন পর্যন্ত সেই ঘোষণা বাস্তবায়ন হয়নি। তাই গত ২৩ অক্টোবর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষরে ব্যানারে মহাসমাবেশ করেন শিক্ষকরা। এ সময় পুলিশের বাধায় সমাবেশ পন্ড যায়। ওইদিনই ১৩ নভেম্বরের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে প্রাথমিক সমাপনী ও বার্ষিক পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দেয়া হয়েছিল।

এডুকেশন/ কেআর / এসআই

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর